, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পূজায় নিরাপত্তা নিশ্চিতে বান্দরবানে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন, আনসার-ভিডিপি জেলা কমান্ড্যান্ট শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে বান্দরবান সেনা জোনের আর্থিক অনুদান বিতরণ বান্দরবানে সাকসেস একাডেমিক অ্যান্ড অ্যাডমিশন কেয়ারের অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত ক্যান্সার আক্রান্ত আসমার পাশে মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী, চিকিৎসায় নগদ অর্থ সহায়তা সূর্যমুখী শিশু কিশোর ফাউন্ডেশন এর ২৯ তম প্রতিষ্ঠা, শিক্ষা উপকরণ ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত। বান্দরবানে আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবস পালিত জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে ৭ মাসের শিশু আহাদ, বাঁচাতে প্রয়োজন মানবিক সহযোগিতা। বান্দরবানের বালাঘাটার শিশু আব্দুল্লাহ আল আহাদ চট্টগ্রামের ইম্পেরিয়াল হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে; চিকিৎসার ব্যয় নিয়ে দুশ্চিন্তায় পরিবার  লামায় নদীর ঘাটে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালালো পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র পরিষদ বান্দরবানে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে বিএনপির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত, অংশ নিলেন মাধবী মার্মা এমপি

বান্দরবানে ৫০ পরিবারের মাঝে ফলজ চারা, সার ও কীটনাশক বিতরণ

  • প্রকাশের সময় : ০২:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬
  • ৫২ পড়া হয়েছে

বান্দরবান প্রতিনিধি:

বান্দরবানে অসহায়, দরিদ্র ও দুঃস্থ পরিবারের আত্মকর্মসংস্থান এবং আর্থসামাজিক উন্নয়নে ৭ উপজেলায় ৫০ জন উপকারভোগীর মাঝে বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ চারা, জৈব ও রাসায়নিক সার এবং কীটনাশক বিতরণ করেছে পার্বত্য জেলা পরিষদ।

আজ বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকালে বান্দরবান জেলা পরিষদ চত্বরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এ বিতরণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।
প্রকল্পের আওতায় প্রত্যেক উপকারভোগীদের মাঝে আম, নারিকেল, তেঁতুল, লিচু, সুপারিসহ ৬ প্রজাতির মোট ২০০টি ফলজ চারা বিতরণ করা হয়। এছাড়া প্রত্যেককে জৈব সার, রাসায়নিক সার এবং কীটনাশকও দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে উপকারভোগীদের হাতে চারা তুলে দেন বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যাপক থানজামা লুসাই।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, জেলার হর্টিকালচার সেন্টারের উপপরিচালক লিটন দেবনাথ, সহকারী প্রকৌশলী লেলিন চাকমা, জেলা পরিষদের সদস্য মোহাম্মদ নাছির উদ্দিনসহ পরিষদের অন্যান্য সদস্য ও কর্মকর্তারা।

আয়োজকরা জানান, বান্দরবান জেলার বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর অসহায়, গরিব ও দুঃস্থ পরিবারের আত্মকর্মসংস্থান, আর্থসামাজিক উন্নয়ন এবং জীবন-জীবিকার মানোন্নয়নের লক্ষ্যে ‘বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কর্মসূচি আয়োজন এবং গবাদিপশু, হাঁস-মুরগি, ফলজ ও বনজ চারাসহ বিভিন্ন উপকরণ বিতরণ প্রকল্প (জুলাই ২০২৫-জুন ২০২৮)’-এর আওতায় ৭ উপজেলায় মোট ৮৫০ জনকে চারা বিতরণ করা হবে।
এর মাধ্যমে উপকারভোগীদের স্বাবলম্বী করে তোলার পাশাপাশি পরিবেশ সংরক্ষণ ও ফল উৎপাদন বৃদ্ধিতেও ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন।

জনপ্রিয়

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পূজায় নিরাপত্তা নিশ্চিতে বান্দরবানে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন, আনসার-ভিডিপি জেলা কমান্ড্যান্ট

error: Content is protected !!

বান্দরবানে ৫০ পরিবারের মাঝে ফলজ চারা, সার ও কীটনাশক বিতরণ

প্রকাশের সময় : ০২:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬

বান্দরবান প্রতিনিধি:

বান্দরবানে অসহায়, দরিদ্র ও দুঃস্থ পরিবারের আত্মকর্মসংস্থান এবং আর্থসামাজিক উন্নয়নে ৭ উপজেলায় ৫০ জন উপকারভোগীর মাঝে বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ চারা, জৈব ও রাসায়নিক সার এবং কীটনাশক বিতরণ করেছে পার্বত্য জেলা পরিষদ।

আজ বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকালে বান্দরবান জেলা পরিষদ চত্বরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এ বিতরণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।
প্রকল্পের আওতায় প্রত্যেক উপকারভোগীদের মাঝে আম, নারিকেল, তেঁতুল, লিচু, সুপারিসহ ৬ প্রজাতির মোট ২০০টি ফলজ চারা বিতরণ করা হয়। এছাড়া প্রত্যেককে জৈব সার, রাসায়নিক সার এবং কীটনাশকও দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে উপকারভোগীদের হাতে চারা তুলে দেন বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যাপক থানজামা লুসাই।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, জেলার হর্টিকালচার সেন্টারের উপপরিচালক লিটন দেবনাথ, সহকারী প্রকৌশলী লেলিন চাকমা, জেলা পরিষদের সদস্য মোহাম্মদ নাছির উদ্দিনসহ পরিষদের অন্যান্য সদস্য ও কর্মকর্তারা।

আয়োজকরা জানান, বান্দরবান জেলার বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর অসহায়, গরিব ও দুঃস্থ পরিবারের আত্মকর্মসংস্থান, আর্থসামাজিক উন্নয়ন এবং জীবন-জীবিকার মানোন্নয়নের লক্ষ্যে ‘বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কর্মসূচি আয়োজন এবং গবাদিপশু, হাঁস-মুরগি, ফলজ ও বনজ চারাসহ বিভিন্ন উপকরণ বিতরণ প্রকল্প (জুলাই ২০২৫-জুন ২০২৮)’-এর আওতায় ৭ উপজেলায় মোট ৮৫০ জনকে চারা বিতরণ করা হবে।
এর মাধ্যমে উপকারভোগীদের স্বাবলম্বী করে তোলার পাশাপাশি পরিবেশ সংরক্ষণ ও ফল উৎপাদন বৃদ্ধিতেও ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন।