রনি সিকদার, বান্দরবান প্রতিনিধি।
বান্দরবানের লামায় গাছ টানার কাজে ব্যবহৃত হাতি ‘বাহাদুর’কে নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ ও ছবিতে বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়েছে। একই নামে দুটি হাতি থাকায় ভিন্ন সময়ে তোলা ছবি ও তথ্য একসঙ্গে প্রকাশ পাওয়ায় এ বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টদের দাবি।
সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যমে লামার দুর্গম এলাকায় হাতি ‘বাহাদুর’কে দিয়ে গাছ টানানো ও শ্রমের কাজে ব্যবহারের খবর প্রকাশিত হয়। এসব প্রতিবেদনে ব্যবহৃত দুটি ছবির মধ্যে একটি বর্তমানে কক্সবাজারের ডুলহাজারা সাফারি পার্কে থাকা হাতির এবং অন্যটি ২০২৪ সালে মারা যাওয়া একটি হাতির বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
হাতির মালিক সুরুজ কোম্পানির দাবি, বর্তমানে যে হাতিটিকে নিয়ে আলোচনা হচ্ছে, তার সঙ্গে ২০২৪ সালে মারা যাওয়া হাতির ছবি ব্যবহার করা হয়েছে। একই নামের দুটি হাতির কারণে প্রকৃত ঘটনা নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। লামার দুর্গম এলাকায় বর্তমানে ‘বাহাদুর’ নামে হাতিটিকে দিয়ে গাছ টানানো হচ্ছে—এমন তথ্যও তিনি অস্বীকার করেছেন।
এ বিষয়ে লামা বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান জানান, হাতি-সংক্রান্ত একটি মামলা বর্তমানে চলমান রয়েছে। ওই মামলার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হাতিটি বর্তমানে কক্সবাজারের ডুলহাজারা সাফারি পার্কে রয়েছে।
বন কর্মকর্তার এ বক্তব্যের পর লামায় বর্তমানে ‘বাহাদুর’ নামে কোনো হাতিকে দিয়ে গাছ টানানোর ঘটনা ঘটছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। একই নামে দুটি হাতির তথ্য এবং ভিন্ন সময়ের ছবি ব্যবহারের কারণে প্রকাশিত সংবাদে বিভ্রান্তিকর তথ্য এসেছে কি না, সেটি যাচাই করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
ঘটনার প্রকৃত তথ্য নিশ্চিত করতে হাতিটির বর্তমান অবস্থান, মালিকানা ও সংশ্লিষ্ট মামলার নথিপত্র যাচাইয়ের পাশাপাশি প্রকাশিত ছবিগুলোর সময়কালও নিশ্চিত করা প্রয়োজন।















