, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পূজায় নিরাপত্তা নিশ্চিতে বান্দরবানে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন, আনসার-ভিডিপি জেলা কমান্ড্যান্ট শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে বান্দরবান সেনা জোনের আর্থিক অনুদান বিতরণ বান্দরবানে সাকসেস একাডেমিক অ্যান্ড অ্যাডমিশন কেয়ারের অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত ক্যান্সার আক্রান্ত আসমার পাশে মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী, চিকিৎসায় নগদ অর্থ সহায়তা সূর্যমুখী শিশু কিশোর ফাউন্ডেশন এর ২৯ তম প্রতিষ্ঠা, শিক্ষা উপকরণ ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত। বান্দরবানে আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবস পালিত জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে ৭ মাসের শিশু আহাদ, বাঁচাতে প্রয়োজন মানবিক সহযোগিতা। বান্দরবানের বালাঘাটার শিশু আব্দুল্লাহ আল আহাদ চট্টগ্রামের ইম্পেরিয়াল হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে; চিকিৎসার ব্যয় নিয়ে দুশ্চিন্তায় পরিবার  লামায় নদীর ঘাটে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালালো পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র পরিষদ বান্দরবানে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে বিএনপির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত, অংশ নিলেন মাধবী মার্মা এমপি

দেড় যুগ ধরে নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্ত করে না লামা প্রেসক্লাব

  • প্রকাশের সময় : ০৩:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২১ পড়া হয়েছে

বান্দরবান প্রতিনিধিঃ-

​বান্দরবানের ঐতিহ্যবাহী লামা প্রেসক্লাব দীর্ঘ দেড় যুগ ধরে নতুন কোনো সদস্য অন্তর্ভুক্ত করছে না বলে অভিযোগ উঠেছে। এর ফলে স্থানীয় তরুণ ও উদীয়মান সাংবাদিকরা পেশাগত স্বীকৃতি থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। একের পর এক ৭টি বিকল্প সাংবাদিক সংগঠন সৃষ্টির মধ্য দিয়ে তৈরি হয়েছে পেশাগত অস্থিরতা।

​খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ২০০৮ সালের পর থেকে এই প্রেসক্লাবে নতুন কোনো সদস্যের অন্তর্ভুক্তি ঘটেনি। অথচ গত ১৮ বছরে লামা উপজেলায় সাংবাদিকতা পেশায় যুক্ত হয়েছেন একঝাঁক উদ্যমী ও মেধাবী তরুণ। জাতীয় ও স্থানীয় বিভিন্ন গণমাধ্যমে কাজ করলেও প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি না থাকায় তাঁরা নানা ধরনের পেশাগত বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন।

​কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ২০০৮ সালে ক্ষমতা গ্রহণের পর ২ জনকে লামা প্রেসক্লাবের সদস্য করা হয়। তাঁরা হলেন লামা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও লামা পৌরসভার সাবেক মেয়র মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম এবং লামা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক লামা উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রদীপ কান্তি দাশ। এ দুজনসহ লামা প্রেসক্লাবের সর্বমোট সদস্য ১২ জন। যাঁদের সকলেই আওয়ামী লীগের বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের পদধারী নেতা ও সুবিধাভোগী।

​লামা প্রেসক্লাব ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ১৯৯১ সালে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড চেয়ারম্যান ২৪ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল মাহমুদুল হাসান পিএস অর্থ বরাদ্দ দিয়ে ‘লামা-আলীকদম প্রেসক্লাব’ নামকরণে মৈত্রী কার্যক্রমের আওতায় সাংবাদিকদের মেলবন্ধন তৈরি করে দেন। ১৯৯১ সালের সেপ্টেম্বরে তিনি প্রেসক্লাব ভবন উদ্বোধন করেন। এর চার মাস আগে ১৯৯১ সালের ১৪ মে বান্দরবান রিজিয়ন ৬৯ পদাতিক ব্রিগেড কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এম শাখাওয়াত হোসেন এনডিসি পিএসসি ‘লামা-আলীকদম’ প্রেসক্লাবের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। ১৯৯৮ সালে আলীকদম উপজেলায় ‘আলীকদম প্রেসক্লাব’ প্রতিষ্ঠা লাভ করলে, লামা উপজেলায় প্রতিষ্ঠিত ‘লামা-আলীকদম’ প্রেসক্লাবের নতুন নামকরণ হয় ‘লামা প্রেসক্লাব।’

​লামা প্রেসক্লাবে নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্ত না করায় একের পর এক গড়ে উঠেছে নতুন নতুন সাংবাদিক সংগঠন। ফলে বর্তমানে লামায় প্রেসক্লাবের মতো সাংবাদিক সংগঠন আছে ৭টি। ১৯৯৬ সালে লামা রিপোর্টার্স ক্লাব, ২০১৩ সালে লামা সাংবাদিক ফোরাম, ২০১৪ সালে লামা সাংবাদিক ইউনিটি, ২০১৯ সালে মফস্বল সাংবাদিক ইউনিয়ন এবং সর্বশেষ চলতি মাসের ১২ তারিখে গঠিত হয় হিল গ্যাজুয়েট প্রেসক্লাব।

​স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীদের অভিযোগ, একটি নির্দিষ্ট চক্র বা কমিটির দীর্ঘমেয়াদি আধিপত্য এবং নিয়মনীতির বেড়াজালে আটকে রয়েছে প্রেসক্লাবের সদস্যপদ নবায়ন ও সম্প্রসারণ প্রক্রিয়া। এর ফলে পেশাদার সাংবাদিকতার বিকাশ ব্যাহত হচ্ছে এবং নতুন প্রজন্মকে কোণঠাসা করে রাখা হচ্ছে।

​এ বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী প্রবীণ সাংবাদিক মোহাম্মদ করিম বলেন, “লামা প্রেসক্লাব যেখানে সকল সাংবাদিকদের মুক্তমঞ্চ হওয়ার কথা, সেখানে দীর্ঘ দেড় যুগ ধরে এটি আজ যেন একটি বিশেষ গোষ্ঠীর ব্যক্তিকেন্দ্রিক প্রতিষ্ঠানে রূপ নিয়েছে।”

​স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মী নজরুল ইসলাম বলেন, “একটি প্রাচীন প্রেসক্লাব নতুন মুখ গ্রহণ না করায় আমরা তরুণরা চরম হতাশার মধ্যে আছি। নতুন কাউকে সহ্য করতে পারে না লামা প্রেসক্লাবের সদস্যরা। আমাদের বলে অন্য আরও সংগঠন আছে, সেখানে গিয়ে জায়গা নিতে।”

​কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের লামা উপজেলার সদস্য এবং লামা প্রেসক্লাবের সাবেক সেক্রেটারি মো. কামরুজ্জামান বলেন, “দেড় যুগেও আমরা কোনো যোগ্য সংবাদকর্মী লামায় খুঁজে পাইনি। তাই কাউকে প্রেসক্লাবের সদস্য করা হয়নি।”

​তিনি আরও বলেন, “প্রেসক্লাবের দায়িত্বশীল সদস্যরা গোপনে বা প্রকাশ্যে অভিজ্ঞ সংবাদকর্মীদের বিশেষ নজরদারিতে রাখার পর সদস্য নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। সদস্য হতে ইচ্ছুক অভিজ্ঞ সংবাদকর্মীকে প্রাথমিকভাবে সহযোগী সদস্যপদ প্রদানের সুপারিশ করা হয়।”

​লামা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি প্রিয়দর্শী বড়ুয়া জানান, “আমি সবসময় নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্ত করার পক্ষে। তবে লামা প্রেসক্লাবের অধিকাংশ সদস্য নতুন কাউকে স্থান করে দেওয়ার পক্ষে নয়। তাই নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্ত করা যায়নি দেড় দশকেও। এটি আমাদের ব্যর্থতা।”

​এদিকে সচেতন মহল মনে করছে, সংবাদকর্মীদের মধ্যে পেশাগত ঐক্য ও মানোন্নয়নের জন্য প্রেসক্লাবের দরজা সবার জন্য উন্মুক্ত করা জরুরি। দ্রুত সময়ের মধ্যে গঠনতন্ত্র অনুযায়ী স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্ত করে লামা প্রেসক্লাবকে গতিশীল করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সাংবাদিক সমাজ ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা।

জনপ্রিয়

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পূজায় নিরাপত্তা নিশ্চিতে বান্দরবানে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন, আনসার-ভিডিপি জেলা কমান্ড্যান্ট

error: Content is protected !!

দেড় যুগ ধরে নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্ত করে না লামা প্রেসক্লাব

প্রকাশের সময় : ০৩:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বান্দরবান প্রতিনিধিঃ-

​বান্দরবানের ঐতিহ্যবাহী লামা প্রেসক্লাব দীর্ঘ দেড় যুগ ধরে নতুন কোনো সদস্য অন্তর্ভুক্ত করছে না বলে অভিযোগ উঠেছে। এর ফলে স্থানীয় তরুণ ও উদীয়মান সাংবাদিকরা পেশাগত স্বীকৃতি থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। একের পর এক ৭টি বিকল্প সাংবাদিক সংগঠন সৃষ্টির মধ্য দিয়ে তৈরি হয়েছে পেশাগত অস্থিরতা।

​খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ২০০৮ সালের পর থেকে এই প্রেসক্লাবে নতুন কোনো সদস্যের অন্তর্ভুক্তি ঘটেনি। অথচ গত ১৮ বছরে লামা উপজেলায় সাংবাদিকতা পেশায় যুক্ত হয়েছেন একঝাঁক উদ্যমী ও মেধাবী তরুণ। জাতীয় ও স্থানীয় বিভিন্ন গণমাধ্যমে কাজ করলেও প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি না থাকায় তাঁরা নানা ধরনের পেশাগত বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন।

​কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ২০০৮ সালে ক্ষমতা গ্রহণের পর ২ জনকে লামা প্রেসক্লাবের সদস্য করা হয়। তাঁরা হলেন লামা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও লামা পৌরসভার সাবেক মেয়র মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম এবং লামা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক লামা উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রদীপ কান্তি দাশ। এ দুজনসহ লামা প্রেসক্লাবের সর্বমোট সদস্য ১২ জন। যাঁদের সকলেই আওয়ামী লীগের বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের পদধারী নেতা ও সুবিধাভোগী।

​লামা প্রেসক্লাব ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ১৯৯১ সালে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড চেয়ারম্যান ২৪ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল মাহমুদুল হাসান পিএস অর্থ বরাদ্দ দিয়ে ‘লামা-আলীকদম প্রেসক্লাব’ নামকরণে মৈত্রী কার্যক্রমের আওতায় সাংবাদিকদের মেলবন্ধন তৈরি করে দেন। ১৯৯১ সালের সেপ্টেম্বরে তিনি প্রেসক্লাব ভবন উদ্বোধন করেন। এর চার মাস আগে ১৯৯১ সালের ১৪ মে বান্দরবান রিজিয়ন ৬৯ পদাতিক ব্রিগেড কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এম শাখাওয়াত হোসেন এনডিসি পিএসসি ‘লামা-আলীকদম’ প্রেসক্লাবের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। ১৯৯৮ সালে আলীকদম উপজেলায় ‘আলীকদম প্রেসক্লাব’ প্রতিষ্ঠা লাভ করলে, লামা উপজেলায় প্রতিষ্ঠিত ‘লামা-আলীকদম’ প্রেসক্লাবের নতুন নামকরণ হয় ‘লামা প্রেসক্লাব।’

​লামা প্রেসক্লাবে নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্ত না করায় একের পর এক গড়ে উঠেছে নতুন নতুন সাংবাদিক সংগঠন। ফলে বর্তমানে লামায় প্রেসক্লাবের মতো সাংবাদিক সংগঠন আছে ৭টি। ১৯৯৬ সালে লামা রিপোর্টার্স ক্লাব, ২০১৩ সালে লামা সাংবাদিক ফোরাম, ২০১৪ সালে লামা সাংবাদিক ইউনিটি, ২০১৯ সালে মফস্বল সাংবাদিক ইউনিয়ন এবং সর্বশেষ চলতি মাসের ১২ তারিখে গঠিত হয় হিল গ্যাজুয়েট প্রেসক্লাব।

​স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীদের অভিযোগ, একটি নির্দিষ্ট চক্র বা কমিটির দীর্ঘমেয়াদি আধিপত্য এবং নিয়মনীতির বেড়াজালে আটকে রয়েছে প্রেসক্লাবের সদস্যপদ নবায়ন ও সম্প্রসারণ প্রক্রিয়া। এর ফলে পেশাদার সাংবাদিকতার বিকাশ ব্যাহত হচ্ছে এবং নতুন প্রজন্মকে কোণঠাসা করে রাখা হচ্ছে।

​এ বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে ভুক্তভোগী প্রবীণ সাংবাদিক মোহাম্মদ করিম বলেন, “লামা প্রেসক্লাব যেখানে সকল সাংবাদিকদের মুক্তমঞ্চ হওয়ার কথা, সেখানে দীর্ঘ দেড় যুগ ধরে এটি আজ যেন একটি বিশেষ গোষ্ঠীর ব্যক্তিকেন্দ্রিক প্রতিষ্ঠানে রূপ নিয়েছে।”

​স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মী নজরুল ইসলাম বলেন, “একটি প্রাচীন প্রেসক্লাব নতুন মুখ গ্রহণ না করায় আমরা তরুণরা চরম হতাশার মধ্যে আছি। নতুন কাউকে সহ্য করতে পারে না লামা প্রেসক্লাবের সদস্যরা। আমাদের বলে অন্য আরও সংগঠন আছে, সেখানে গিয়ে জায়গা নিতে।”

​কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের লামা উপজেলার সদস্য এবং লামা প্রেসক্লাবের সাবেক সেক্রেটারি মো. কামরুজ্জামান বলেন, “দেড় যুগেও আমরা কোনো যোগ্য সংবাদকর্মী লামায় খুঁজে পাইনি। তাই কাউকে প্রেসক্লাবের সদস্য করা হয়নি।”

​তিনি আরও বলেন, “প্রেসক্লাবের দায়িত্বশীল সদস্যরা গোপনে বা প্রকাশ্যে অভিজ্ঞ সংবাদকর্মীদের বিশেষ নজরদারিতে রাখার পর সদস্য নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। সদস্য হতে ইচ্ছুক অভিজ্ঞ সংবাদকর্মীকে প্রাথমিকভাবে সহযোগী সদস্যপদ প্রদানের সুপারিশ করা হয়।”

​লামা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি প্রিয়দর্শী বড়ুয়া জানান, “আমি সবসময় নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্ত করার পক্ষে। তবে লামা প্রেসক্লাবের অধিকাংশ সদস্য নতুন কাউকে স্থান করে দেওয়ার পক্ষে নয়। তাই নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্ত করা যায়নি দেড় দশকেও। এটি আমাদের ব্যর্থতা।”

​এদিকে সচেতন মহল মনে করছে, সংবাদকর্মীদের মধ্যে পেশাগত ঐক্য ও মানোন্নয়নের জন্য প্রেসক্লাবের দরজা সবার জন্য উন্মুক্ত করা জরুরি। দ্রুত সময়ের মধ্যে গঠনতন্ত্র অনুযায়ী স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্ত করে লামা প্রেসক্লাবকে গতিশীল করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সাংবাদিক সমাজ ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা।