, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পূজায় নিরাপত্তা নিশ্চিতে বান্দরবানে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন, আনসার-ভিডিপি জেলা কমান্ড্যান্ট শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে বান্দরবান সেনা জোনের আর্থিক অনুদান বিতরণ বান্দরবানে সাকসেস একাডেমিক অ্যান্ড অ্যাডমিশন কেয়ারের অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত ক্যান্সার আক্রান্ত আসমার পাশে মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী, চিকিৎসায় নগদ অর্থ সহায়তা সূর্যমুখী শিশু কিশোর ফাউন্ডেশন এর ২৯ তম প্রতিষ্ঠা, শিক্ষা উপকরণ ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত। বান্দরবানে আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবস পালিত জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে ৭ মাসের শিশু আহাদ, বাঁচাতে প্রয়োজন মানবিক সহযোগিতা। বান্দরবানের বালাঘাটার শিশু আব্দুল্লাহ আল আহাদ চট্টগ্রামের ইম্পেরিয়াল হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে; চিকিৎসার ব্যয় নিয়ে দুশ্চিন্তায় পরিবার  লামায় নদীর ঘাটে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালালো পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র পরিষদ বান্দরবানে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে বিএনপির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত, অংশ নিলেন মাধবী মার্মা এমপি

‘কিভের দিকে অগ্রসর হচ্ছে পুতিনের সেনা’, ইউক্রেনের আরও সাত জনপদ দখল! ধ্বংস বিপুল সামরিক সরঞ্জাম

  • প্রকাশের সময় : ০১:২৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২ নভেম্বর ২০২৫
  • ১০৭ পড়া হয়েছে

Oplus_131072

নিউজ ডেস্ক:
এক সপ্তাহের ধারাবাহিক সামরিক অভিযানের পর ইউক্রেনের সাতটি জনপদ দখলের দাবি করল রাশিয়া। তার মধ্যে ডনেৎস্ক অঞ্চলের নোভোলেকসান্দ্রকা শহরও রয়েছে বলে সোমবার রুশ সংবাদ সংস্থা ‘তাস’ জানিয়েছে। অন্য দিকে শনিবার ইউক্রেন জানিয়েছে, পলতাভা অঞ্চলে তৈলক্ষেত্রে হামলা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে রুশ সেনা।

রুশ প্রতিরক্ষা দফতর শনিবার জানিয়েছে, গত ২৫-৩১ অক্টোবরের লড়াইয়ে খারকিভ, জ়াপোরিঝিয়া এবং নেপ্রোপেট্রোভস্ক অঞ্চলের ওই জনপদগুলি ‘মুক্ত’ করা হয়েছে। যুদ্ধে ইউক্রেনের ১৪টি সাঁজোয়া গাড়ি-সহ বিপুল পরিমাণ সামরিক সরঞ্জাম ধ্বংস হয়েছে বলেও রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সেনার দাবি। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জ়েলেনস্কির আবেদনে সাড়া দিয়ে শুক্রবার টোমাহক ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহের বার্তা দিয়েছিল পেন্টাগন, তার পরেই কিভের দিকে অগ্রসর হয়ে নতুন এলাকা দখলের দাবি করল মস্কো।

গত কয়েক মাস ধরেই ডনবাস (ডনেৎস্ক এবং লুহানস্ককে একত্রে এই নামে ডাকা হয়) অঞ্চলে সক্রিয় মস্কো-পন্থী মিলিশিয়া গোষ্ঠীগুলির সহায়তায় ইউক্রেন ফৌজের অবস্থানের উপর স্থলপথে ধারাবাহিক হামলা চালাচ্ছে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সেনা। পাশাপাশি, ধারাবাহিক ভাবে চলছে ড্রোন এবং ক্ষেপণাস্ত্র হামলা। এর পাশাপাশি খারকিভ, জ়াপোরিঝিয়া অঞ্চলের আক্রমণের অভিঘাত বাড়াচ্ছে রুশ ফৌজ। নতুন অঞ্চলগুলি দখলের ফলে ইউক্রেনের রাজধানী কিভ পুতিনের আরও ‘নাগালে’ চলে এল বলে প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের একাংশ মনে করছেন। মস্কোর দাবি, সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যে হামলা চালিয়েই এই সাফল্য এসেছে।

জনপ্রিয়

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পূজায় নিরাপত্তা নিশ্চিতে বান্দরবানে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন, আনসার-ভিডিপি জেলা কমান্ড্যান্ট

error: Content is protected !!

‘কিভের দিকে অগ্রসর হচ্ছে পুতিনের সেনা’, ইউক্রেনের আরও সাত জনপদ দখল! ধ্বংস বিপুল সামরিক সরঞ্জাম

প্রকাশের সময় : ০১:২৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২ নভেম্বর ২০২৫

নিউজ ডেস্ক:
এক সপ্তাহের ধারাবাহিক সামরিক অভিযানের পর ইউক্রেনের সাতটি জনপদ দখলের দাবি করল রাশিয়া। তার মধ্যে ডনেৎস্ক অঞ্চলের নোভোলেকসান্দ্রকা শহরও রয়েছে বলে সোমবার রুশ সংবাদ সংস্থা ‘তাস’ জানিয়েছে। অন্য দিকে শনিবার ইউক্রেন জানিয়েছে, পলতাভা অঞ্চলে তৈলক্ষেত্রে হামলা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে রুশ সেনা।

রুশ প্রতিরক্ষা দফতর শনিবার জানিয়েছে, গত ২৫-৩১ অক্টোবরের লড়াইয়ে খারকিভ, জ়াপোরিঝিয়া এবং নেপ্রোপেট্রোভস্ক অঞ্চলের ওই জনপদগুলি ‘মুক্ত’ করা হয়েছে। যুদ্ধে ইউক্রেনের ১৪টি সাঁজোয়া গাড়ি-সহ বিপুল পরিমাণ সামরিক সরঞ্জাম ধ্বংস হয়েছে বলেও রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সেনার দাবি। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জ়েলেনস্কির আবেদনে সাড়া দিয়ে শুক্রবার টোমাহক ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহের বার্তা দিয়েছিল পেন্টাগন, তার পরেই কিভের দিকে অগ্রসর হয়ে নতুন এলাকা দখলের দাবি করল মস্কো।

গত কয়েক মাস ধরেই ডনবাস (ডনেৎস্ক এবং লুহানস্ককে একত্রে এই নামে ডাকা হয়) অঞ্চলে সক্রিয় মস্কো-পন্থী মিলিশিয়া গোষ্ঠীগুলির সহায়তায় ইউক্রেন ফৌজের অবস্থানের উপর স্থলপথে ধারাবাহিক হামলা চালাচ্ছে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সেনা। পাশাপাশি, ধারাবাহিক ভাবে চলছে ড্রোন এবং ক্ষেপণাস্ত্র হামলা। এর পাশাপাশি খারকিভ, জ়াপোরিঝিয়া অঞ্চলের আক্রমণের অভিঘাত বাড়াচ্ছে রুশ ফৌজ। নতুন অঞ্চলগুলি দখলের ফলে ইউক্রেনের রাজধানী কিভ পুতিনের আরও ‘নাগালে’ চলে এল বলে প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের একাংশ মনে করছেন। মস্কোর দাবি, সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যে হামলা চালিয়েই এই সাফল্য এসেছে।