, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পূজায় নিরাপত্তা নিশ্চিতে বান্দরবানে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন, আনসার-ভিডিপি জেলা কমান্ড্যান্ট শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে বান্দরবান সেনা জোনের আর্থিক অনুদান বিতরণ বান্দরবানে সাকসেস একাডেমিক অ্যান্ড অ্যাডমিশন কেয়ারের অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত ক্যান্সার আক্রান্ত আসমার পাশে মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী, চিকিৎসায় নগদ অর্থ সহায়তা সূর্যমুখী শিশু কিশোর ফাউন্ডেশন এর ২৯ তম প্রতিষ্ঠা, শিক্ষা উপকরণ ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত। বান্দরবানে আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবস পালিত জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে ৭ মাসের শিশু আহাদ, বাঁচাতে প্রয়োজন মানবিক সহযোগিতা। বান্দরবানের বালাঘাটার শিশু আব্দুল্লাহ আল আহাদ চট্টগ্রামের ইম্পেরিয়াল হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে; চিকিৎসার ব্যয় নিয়ে দুশ্চিন্তায় পরিবার  লামায় নদীর ঘাটে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালালো পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র পরিষদ বান্দরবানে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে বিএনপির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত, অংশ নিলেন মাধবী মার্মা এমপি

বান্দরবানে ফুল বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর অন্যতম প্রধান উৎসব বৈসাবি

  • প্রকাশের সময় : ০১:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬
  • ৫৮ পড়া হয়েছে

বান্দরবান প্রতিনিধি।

বান্দরবানে নদীতে ফুল বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর অন্যতম প্রধান উৎসব বৈসাবি। এ সময় শত শত চাকমা ও তংঞ্চগ্যা তরুণ-তরুণী নদীর তীরে এসে গঙ্গা দেবীর উদ্দেশে প্রার্থনা করে এবং ফুল নিবেদন করে।

আজ রবিবার (১২ এপ্রিল) ভোরে বান্দরবানের সাঙ্গু নদীর তীরে ফুল বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শুরু হয় বিজু উৎসবের এই আনুষ্ঠানিকতা।

বর্ষবরণকে কেন্দ্র করে পাহাড়ের বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠী বিভিন্ন নামে এই উৎসব পালন করে থাকে। চাকমারা একে বলে ‘বিজু’, তংঞ্চগ্যারা ‘বিষু’। পুরোনো বছরকে বিদায় জানানোর প্রস্তুতি হিসেবে নদীতে ফুল বিসর্জনের মাধ্যমে পালিত হয় এই উৎসব, যা ‘ফুল বিজু’ বা ‘ফুল বিষু’ নামে পরিচিত।

তংঞ্চগ্যাদের রীতি অনুযায়ী এই বিসর্জনের নাম ‘ফুল বিজু’, আর চাকমারা একে বলে ‘ফুল বিষু’। ফুল বিসর্জনের মাধ্যমে মূল বিজুর প্রস্তুতি শুরু হয়। আগামীকাল অনুষ্ঠিত হবে ‘মূল বিজু’। ওই দিন চাকমা ও তংঞ্চগ্যা পরিবারে রান্না করা হয় বিশেষ খাবার ‘পাঁচন’। একে অপরের বাড়িতে বেড়াতে যাওয়া ও পাঁচন আহারের মধ্য দিয়ে চলে আনন্দঘন আয়োজন।

চাকমারা ‘মূল বিজু’ আর তংঞ্চগ্যারা ‘মূল বিষু’র মধ্য দিয়ে বিদায় জানায় পুরোনো বছরকে। আগামী ১৪ এপ্রিল তারা স্বাগত জানাবে নতুন বছরকে।

এছাড়া বর্ষবরণ ও পুরোনো বছরকে বিদায় ঘিরে তংঞ্চগ্যারা আরও নানা আয়োজন করে থাকে।

জনপ্রিয়

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পূজায় নিরাপত্তা নিশ্চিতে বান্দরবানে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন, আনসার-ভিডিপি জেলা কমান্ড্যান্ট

error: Content is protected !!

বান্দরবানে ফুল বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর অন্যতম প্রধান উৎসব বৈসাবি

প্রকাশের সময় : ০১:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

বান্দরবান প্রতিনিধি।

বান্দরবানে নদীতে ফুল বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর অন্যতম প্রধান উৎসব বৈসাবি। এ সময় শত শত চাকমা ও তংঞ্চগ্যা তরুণ-তরুণী নদীর তীরে এসে গঙ্গা দেবীর উদ্দেশে প্রার্থনা করে এবং ফুল নিবেদন করে।

আজ রবিবার (১২ এপ্রিল) ভোরে বান্দরবানের সাঙ্গু নদীর তীরে ফুল বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শুরু হয় বিজু উৎসবের এই আনুষ্ঠানিকতা।

বর্ষবরণকে কেন্দ্র করে পাহাড়ের বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠী বিভিন্ন নামে এই উৎসব পালন করে থাকে। চাকমারা একে বলে ‘বিজু’, তংঞ্চগ্যারা ‘বিষু’। পুরোনো বছরকে বিদায় জানানোর প্রস্তুতি হিসেবে নদীতে ফুল বিসর্জনের মাধ্যমে পালিত হয় এই উৎসব, যা ‘ফুল বিজু’ বা ‘ফুল বিষু’ নামে পরিচিত।

তংঞ্চগ্যাদের রীতি অনুযায়ী এই বিসর্জনের নাম ‘ফুল বিজু’, আর চাকমারা একে বলে ‘ফুল বিষু’। ফুল বিসর্জনের মাধ্যমে মূল বিজুর প্রস্তুতি শুরু হয়। আগামীকাল অনুষ্ঠিত হবে ‘মূল বিজু’। ওই দিন চাকমা ও তংঞ্চগ্যা পরিবারে রান্না করা হয় বিশেষ খাবার ‘পাঁচন’। একে অপরের বাড়িতে বেড়াতে যাওয়া ও পাঁচন আহারের মধ্য দিয়ে চলে আনন্দঘন আয়োজন।

চাকমারা ‘মূল বিজু’ আর তংঞ্চগ্যারা ‘মূল বিষু’র মধ্য দিয়ে বিদায় জানায় পুরোনো বছরকে। আগামী ১৪ এপ্রিল তারা স্বাগত জানাবে নতুন বছরকে।

এছাড়া বর্ষবরণ ও পুরোনো বছরকে বিদায় ঘিরে তংঞ্চগ্যারা আরও নানা আয়োজন করে থাকে।