, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে বান্দরবান জেলা কাঠ ব্যবসায়ী সমিতি, ৩০০ জনকে ২ লাখ টাকা আর্থিক সহায়তা বান্দরবানে গাউছিয়া কমিটির উদ্যোগে বন্যার্ত ৩০০ পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ বান্দরবানে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ২০০ পরিবারের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ বিশেষ অভিযানে উদ্ধার ১০ হারানো মোবাইল, প্রকৃত মালিকদের হাতে ফিরিয়ে দিল বান্দরবান সদর থানা বান্দরবানে বন্যাদুর্গত ৭৫ পরিবারের মাঝে বিজিবির ত্রাণ বিতরণ বন্যাদুর্গতদের পাশে বান্দরবান বিজিবি, ১০০ পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ বান্দরবানে সেনাবাহিনীর অভিযানে প্রায় ১৫ লাখ টাকার অবৈধ কাঠ জব্দ তিন পার্বত্য জেলায় ৫৪ শতাংশ বাঙালির আয়কর মওকুফ ও বাজারফান্ড এলাকায় ব্যাংক ঋণ পুনরায় চালুর দাবি বান্দরবানে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিলের ঈদ উপহার বিতরণ সংরক্ষিত মহিলা আসনের এমপি এডভোকেট মাধবী মার্মা বান্দরবানের দুর্গম পাহাড়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে সেনাবাহিনীর শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ

বান্দরবানের দুর্গম পাহাড়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে সেনাবাহিনীর শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ

  • প্রকাশের সময় : ১১:২৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৫ জুলাই ২০২৬
  • ১৭ পড়া হয়েছে

মো. লোকমান হাকিম রুমা (বান্দরবান) প্রতিনিধি

বান্দরবানের রুমা উপজেলার দুর্গম রাইনখিয়াং এলাকার বিভিন্ন পাড়ায় অবস্থিত স্কুলের শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা সামগ্রী ও স্কুল ড্রেস বিতরণ করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।

গত শনিবার (৪ জুলাই) সকাল ১০টায় রুমা জোনের উদ্যোগে এবং জোন কমান্ডারের নির্দেশনায় মেজর মো নেওয়াজ মোর্শেদের নেতৃত্বে এ মানবিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

রাইনখিয়াং পাড়া আর্মি ক্যাম্পের তত্ত্বাবধানে স্থানীয় পুকুর পাড়া, প্রংজং পাড়া, সুরাহা পাড়া ও চার্জিং পাড়ার স্কুলসমূহের মোট ১১২ জন শিক্ষার্থীর মাঝে স্কুল ড্রেস, ছাতা ও অন্যান্য শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করা হয়।

শিক্ষা উপকরণ পেয়ে আনন্দ প্রকাশ করে তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী শ্রেয়া ত্রিপুরা বলেন,আমরা শিক্ষা উপকরণ পেয়ে অনেক খুশি হয়েছি। স্কুল ড্রেস, ছাতা, খাতা সব পেয়েছি।

এ সময় মেজর মো নেওয়াজ মোর্শেদ বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সবসময়ই পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর পাশে থেকে মানুষের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রমে উৎসাহিত করতে এই শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

স্থানীয় অভিভাবকরা জানান, দুর্গম এলাকার অনেক পরিবারের পক্ষে সন্তানদের প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণ সংগ্রহ করা কঠিন হয়ে পড়ে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর এমন উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ বাড়াবে এবং অভিভাবকদেরও অনেকটা স্বস্তি দিয়েছে বলে মনে করছি।

স্থানীয়রা আরাও জানান, দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের শিক্ষার প্রতি মনোযোগ বাড়াতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর এ ধরনের উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়। তারা আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতেও শিক্ষা ও মানবিক সহায়তামূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

জনপ্রিয়

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে বান্দরবান জেলা কাঠ ব্যবসায়ী সমিতি, ৩০০ জনকে ২ লাখ টাকা আর্থিক সহায়তা

error: Content is protected !!

বান্দরবানের দুর্গম পাহাড়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে সেনাবাহিনীর শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ

প্রকাশের সময় : ১১:২৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৫ জুলাই ২০২৬

মো. লোকমান হাকিম রুমা (বান্দরবান) প্রতিনিধি

বান্দরবানের রুমা উপজেলার দুর্গম রাইনখিয়াং এলাকার বিভিন্ন পাড়ায় অবস্থিত স্কুলের শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা সামগ্রী ও স্কুল ড্রেস বিতরণ করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।

গত শনিবার (৪ জুলাই) সকাল ১০টায় রুমা জোনের উদ্যোগে এবং জোন কমান্ডারের নির্দেশনায় মেজর মো নেওয়াজ মোর্শেদের নেতৃত্বে এ মানবিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

রাইনখিয়াং পাড়া আর্মি ক্যাম্পের তত্ত্বাবধানে স্থানীয় পুকুর পাড়া, প্রংজং পাড়া, সুরাহা পাড়া ও চার্জিং পাড়ার স্কুলসমূহের মোট ১১২ জন শিক্ষার্থীর মাঝে স্কুল ড্রেস, ছাতা ও অন্যান্য শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করা হয়।

শিক্ষা উপকরণ পেয়ে আনন্দ প্রকাশ করে তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী শ্রেয়া ত্রিপুরা বলেন,আমরা শিক্ষা উপকরণ পেয়ে অনেক খুশি হয়েছি। স্কুল ড্রেস, ছাতা, খাতা সব পেয়েছি।

এ সময় মেজর মো নেওয়াজ মোর্শেদ বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সবসময়ই পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর পাশে থেকে মানুষের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রমে উৎসাহিত করতে এই শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

স্থানীয় অভিভাবকরা জানান, দুর্গম এলাকার অনেক পরিবারের পক্ষে সন্তানদের প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণ সংগ্রহ করা কঠিন হয়ে পড়ে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর এমন উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ বাড়াবে এবং অভিভাবকদেরও অনেকটা স্বস্তি দিয়েছে বলে মনে করছি।

স্থানীয়রা আরাও জানান, দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের শিক্ষার প্রতি মনোযোগ বাড়াতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর এ ধরনের উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়। তারা আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতেও শিক্ষা ও মানবিক সহায়তামূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।