, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে বান্দরবান জেলা কাঠ ব্যবসায়ী সমিতি, ৩০০ জনকে ২ লাখ টাকা আর্থিক সহায়তা বান্দরবানে গাউছিয়া কমিটির উদ্যোগে বন্যার্ত ৩০০ পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ বান্দরবানে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ২০০ পরিবারের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ বিশেষ অভিযানে উদ্ধার ১০ হারানো মোবাইল, প্রকৃত মালিকদের হাতে ফিরিয়ে দিল বান্দরবান সদর থানা বান্দরবানে বন্যাদুর্গত ৭৫ পরিবারের মাঝে বিজিবির ত্রাণ বিতরণ বন্যাদুর্গতদের পাশে বান্দরবান বিজিবি, ১০০ পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ বান্দরবানে সেনাবাহিনীর অভিযানে প্রায় ১৫ লাখ টাকার অবৈধ কাঠ জব্দ তিন পার্বত্য জেলায় ৫৪ শতাংশ বাঙালির আয়কর মওকুফ ও বাজারফান্ড এলাকায় ব্যাংক ঋণ পুনরায় চালুর দাবি বান্দরবানে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিলের ঈদ উপহার বিতরণ সংরক্ষিত মহিলা আসনের এমপি এডভোকেট মাধবী মার্মা বান্দরবানের দুর্গম পাহাড়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে সেনাবাহিনীর শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ

বান্দরবানে সেনাবাহিনীর অভিযানে প্রায় ১৫ লাখ টাকার অবৈধ কাঠ জব্দ

  • প্রকাশের সময় : ০৪:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬
  • ৩ পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিনিধি, বান্দরবান:
বান্দরবানে চলমান বৈরী আবহাওয়া ও বন্যা পরিস্থিতির মধ্যেও অবৈধ কাঠ পাচার রোধে অভিযান অব্যাহত রেখেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। এরই ধারাবাহিকতায় বান্দরবান সদর উপজেলার বাঁকিছড়ামুখ এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রায় ১৫ লাখ টাকা মূল্যের বিপুল পরিমাণ অবৈধ কাঠ জব্দ করা হয়েছে। পরে জব্দকৃত কাঠ বন বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হয় এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রচলিত বন আইনে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বান্দরবান সদর জোন থেকে রবিবার (১৩ জুলাই) পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ১০ জুলাই বান্দরবান সদর উপজেলার বাঁকিছড়ামুখ এলাকায় নিয়মিত সেনা টহল পরিচালনার সময় রাস্তার পাশে অবৈধভাবে পরিবহনের উদ্দেশ্যে মজুদ করে রাখা কাঠ বোঝাই একটি টয়োটা পিক-আপ (লট নং-৩৮) সেনা সদস্যদের নজরে আসে। বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হওয়ায় সেনা সদস্যরা গাড়িটি তল্লাশি করেন।
এ সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত কাঠের মালিক হিসেবে নিজেকে পরিচয় দেওয়া মিলন বড়ুয়া, বাড়ি বালাঘাটা, তার কাছে কাঠ পরিবহনের বৈধ কাগজপত্র দেখতে চাওয়া হলে তিনি প্রয়োজনীয় কোনো অনুমতিপত্র বা বৈধ নথি দেখাতে পারেননি।
পরে সেনাবাহিনী তাৎক্ষণিকভাবে বন বিভাগকে বিষয়টি অবহিত করলে দায়িত্বপ্রাপ্ত বন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে কাঠের বৈধতা যাচাই করেন। যাচাই-বাছাই শেষে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না থাকায় বন বিভাগ জব্দকৃত কাঠ নিজেদের হেফাজতে নেয় এবং প্রচলিত বন আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে।
অভিযানে মোট ৭৭৯ টুকরা কাঠ জব্দ করা হয়। জব্দকৃত কাঠের মোট আয়তন ৪৯৩.৩৪ ঘনফুট, যার আনুমানিক বাজারমূল্য ১৪ লাখ ৮০ হাজার ২০ টাকা বলে জানানো হয়েছে।
সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়, পার্বত্য অঞ্চলের বনজ সম্পদ সংরক্ষণ, অবৈধ কাঠ পাচার প্রতিরোধ এবং প্রাকৃতিক পরিবেশ রক্ষায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে। ভবিষ্যতেও বনজ সম্পদ রক্ষা ও অবৈধ কাঠ পাচার বন্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছে, পার্বত্য অঞ্চলে অবৈধভাবে কাঠ কাটা ও পাচার দীর্ঘদিনের একটি সমস্যা। এ ধরনের অভিযান নিয়মিত পরিচালিত হলে বন উজাড় রোধের পাশাপাশি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকি কমাতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

জনপ্রিয়

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে বান্দরবান জেলা কাঠ ব্যবসায়ী সমিতি, ৩০০ জনকে ২ লাখ টাকা আর্থিক সহায়তা

error: Content is protected !!

বান্দরবানে সেনাবাহিনীর অভিযানে প্রায় ১৫ লাখ টাকার অবৈধ কাঠ জব্দ

প্রকাশের সময় : ০৪:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬

নিজস্ব প্রতিনিধি, বান্দরবান:
বান্দরবানে চলমান বৈরী আবহাওয়া ও বন্যা পরিস্থিতির মধ্যেও অবৈধ কাঠ পাচার রোধে অভিযান অব্যাহত রেখেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। এরই ধারাবাহিকতায় বান্দরবান সদর উপজেলার বাঁকিছড়ামুখ এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রায় ১৫ লাখ টাকা মূল্যের বিপুল পরিমাণ অবৈধ কাঠ জব্দ করা হয়েছে। পরে জব্দকৃত কাঠ বন বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হয় এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রচলিত বন আইনে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বান্দরবান সদর জোন থেকে রবিবার (১৩ জুলাই) পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ১০ জুলাই বান্দরবান সদর উপজেলার বাঁকিছড়ামুখ এলাকায় নিয়মিত সেনা টহল পরিচালনার সময় রাস্তার পাশে অবৈধভাবে পরিবহনের উদ্দেশ্যে মজুদ করে রাখা কাঠ বোঝাই একটি টয়োটা পিক-আপ (লট নং-৩৮) সেনা সদস্যদের নজরে আসে। বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হওয়ায় সেনা সদস্যরা গাড়িটি তল্লাশি করেন।
এ সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত কাঠের মালিক হিসেবে নিজেকে পরিচয় দেওয়া মিলন বড়ুয়া, বাড়ি বালাঘাটা, তার কাছে কাঠ পরিবহনের বৈধ কাগজপত্র দেখতে চাওয়া হলে তিনি প্রয়োজনীয় কোনো অনুমতিপত্র বা বৈধ নথি দেখাতে পারেননি।
পরে সেনাবাহিনী তাৎক্ষণিকভাবে বন বিভাগকে বিষয়টি অবহিত করলে দায়িত্বপ্রাপ্ত বন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে কাঠের বৈধতা যাচাই করেন। যাচাই-বাছাই শেষে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না থাকায় বন বিভাগ জব্দকৃত কাঠ নিজেদের হেফাজতে নেয় এবং প্রচলিত বন আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে।
অভিযানে মোট ৭৭৯ টুকরা কাঠ জব্দ করা হয়। জব্দকৃত কাঠের মোট আয়তন ৪৯৩.৩৪ ঘনফুট, যার আনুমানিক বাজারমূল্য ১৪ লাখ ৮০ হাজার ২০ টাকা বলে জানানো হয়েছে।
সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়, পার্বত্য অঞ্চলের বনজ সম্পদ সংরক্ষণ, অবৈধ কাঠ পাচার প্রতিরোধ এবং প্রাকৃতিক পরিবেশ রক্ষায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে। ভবিষ্যতেও বনজ সম্পদ রক্ষা ও অবৈধ কাঠ পাচার বন্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছে, পার্বত্য অঞ্চলে অবৈধভাবে কাঠ কাটা ও পাচার দীর্ঘদিনের একটি সমস্যা। এ ধরনের অভিযান নিয়মিত পরিচালিত হলে বন উজাড় রোধের পাশাপাশি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকি কমাতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।