, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে মাটির নিচে লুকানো ১ লাখ ইয়াবা উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১ বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের নতুন অন্তর্বর্তীকালীন পরিষদের দায়িত্ব গ্রহণ মাম্যাচিংকে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান করায় উচ্ছ্বসিত বিএনপি, বান্দরবানে আনন্দ মিছিল অতি শীঘ্রই উপজেলা-পৌরসভা-ইউনিয়ন পর্যায়ে প্রার্থী ঘোষণা করবে এনসিপি: সারজিস আলম বান্দরবান নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার সীমান্তে ৪৯ হাজার ৯৮২ পিস ইয়াবা উদ্ধার বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ পুনর্গঠন, চেয়ারম্যান মাম্যাচিং বান্দরবানে ১ সেপ্টেম্বর যাত্রা শুরু করছে ‘সাথী’ পার্সেল ডেলিভারি থেকে বাজার-ওষুধ পৌঁছে দেওয়া—এক প্ল্যাটফর্মেই মিলবে নানা অন-ডিমান্ড সেবা ‘৬ রবিউল আউয়াল সকল ঈদের সেরা ঈদ’—বটতলীতে ঈদে মিলাদুন্নবী উদযাপন পার্বত্য চট্টগ্রামে সশস্ত্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর বেপরোয়া চাঁদাবাজি বন্ধের দাবিতে বান্দরবানে মানববন্ধন মোল্লার বাজারে জুয়া ও মাদকের ভয়াল বিস্তার, আতঙ্কে এলাকাবাসী

বান্দরবানে গণসংহতি আন্দোলনের গণসমাবেশ, ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নের দাবি

  • প্রকাশের সময় : ০৭:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ আগস্ট ২০২৬
  • ২৪ পড়া হয়েছে

রনি সিকদার,বান্দরবান প্রতিনিধি:

গণতান্ত্রিক, বৈষম্যহীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার দাবিতে বান্দরবানে গণসংহতি আন্দোলন (জিএসএ) পার্বত্য জেলা শাখার উদ্যোগে গণসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (৩ আগস্ট) বিকেল ৩টায় বান্দরবান মুক্তমঞ্চে আয়োজিত এ সমাবেশে নতুন রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক বন্দোবস্ত প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানানো হয়। একই সঙ্গে অবিলম্বে ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়ন, সকল জাতিগোষ্ঠীর সাংবিধানিক স্বীকৃতি নিশ্চিতকরণ এবং সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের জন্য জরুরি কৃষি সহায়তা প্রদানের দাবি তুলে ধরেন বক্তারা।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন গণসংহতি আন্দোলন বান্দরবান জেলা শাখার সভাপতি নিজাম উদ্দিন মিজান। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন দলের রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য সৈয়দ হাসান মারুফ রুমী। বিশেষ অতিথি ছিলেন গণসংহতি আন্দোলনের জাতি বৈচিত্র্য বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট উবাথোয়াই মারমা।

এছাড়া বক্তব্য রাখেন প্রভাষক রিপন চক্রবর্তী, অ্যাডভোকেট উথোয়াই ওয়াং মিন্টু, অ্যাডভোকেট উচাই মং মারমা, ছাত্র ফেডারেশনের নেতা মাম্যাচিং মারমা, সদর উপজেলা নেতা অজিত তংচংগ্যা, রোয়াংছড়ি উপজেলা আহ্বায়ক অংহ্লাচিং মারমা, জেলা কমিটির সদস্য মংসাই মারমাসহ জেলা, উপজেলা ও পৌরসভার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।

বক্তারা বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত বিভিন্ন ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী দীর্ঘদিন ধরে নানা ধরনের বৈষম্য ও বঞ্চনার মুখোমুখি হচ্ছে। তাদের সাংবিধানিক স্বীকৃতি, ন্যায্য অধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিত করা সময়ের দাবি। এ ক্ষেত্রে ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়ন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে তারা মত প্রকাশ করেন।

তারা আরও বলেন, সাম্প্রতিক বন্যায় বান্দরবানের বহু কৃষক ফসল ও কৃষিজমির ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পুনর্বাসন এবং কৃষি উপকরণসহ প্রয়োজনীয় সহায়তা দ্রুত নিশ্চিত করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তারা।

সমাবেশে বক্তারা বান্দরবানে টেকসই উন্নয়ন ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে সরকার ও প্রশাসনের আরও কার্যকর ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে পার্বত্য অঞ্চলের মানুষের জীবনমান উন্নয়ন এবং সকল জাতিগোষ্ঠীর সাংবিধানিক অধিকার নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানান।

সমাবেশ শেষে একটি প্রতিবাদ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে বিভিন্ন স্লোগানের মাধ্যমে কর্মসূচি শেষ করে। এতে গণসংহতি আন্দোলনের নেতা-কর্মী, সমর্থক এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন

জনপ্রিয়

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে মাটির নিচে লুকানো ১ লাখ ইয়াবা উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১

error: Content is protected !!

বান্দরবানে গণসংহতি আন্দোলনের গণসমাবেশ, ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নের দাবি

প্রকাশের সময় : ০৭:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ আগস্ট ২০২৬

রনি সিকদার,বান্দরবান প্রতিনিধি:

গণতান্ত্রিক, বৈষম্যহীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার দাবিতে বান্দরবানে গণসংহতি আন্দোলন (জিএসএ) পার্বত্য জেলা শাখার উদ্যোগে গণসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (৩ আগস্ট) বিকেল ৩টায় বান্দরবান মুক্তমঞ্চে আয়োজিত এ সমাবেশে নতুন রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক বন্দোবস্ত প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানানো হয়। একই সঙ্গে অবিলম্বে ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়ন, সকল জাতিগোষ্ঠীর সাংবিধানিক স্বীকৃতি নিশ্চিতকরণ এবং সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের জন্য জরুরি কৃষি সহায়তা প্রদানের দাবি তুলে ধরেন বক্তারা।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন গণসংহতি আন্দোলন বান্দরবান জেলা শাখার সভাপতি নিজাম উদ্দিন মিজান। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন দলের রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য সৈয়দ হাসান মারুফ রুমী। বিশেষ অতিথি ছিলেন গণসংহতি আন্দোলনের জাতি বৈচিত্র্য বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট উবাথোয়াই মারমা।

এছাড়া বক্তব্য রাখেন প্রভাষক রিপন চক্রবর্তী, অ্যাডভোকেট উথোয়াই ওয়াং মিন্টু, অ্যাডভোকেট উচাই মং মারমা, ছাত্র ফেডারেশনের নেতা মাম্যাচিং মারমা, সদর উপজেলা নেতা অজিত তংচংগ্যা, রোয়াংছড়ি উপজেলা আহ্বায়ক অংহ্লাচিং মারমা, জেলা কমিটির সদস্য মংসাই মারমাসহ জেলা, উপজেলা ও পৌরসভার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।

বক্তারা বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত বিভিন্ন ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী দীর্ঘদিন ধরে নানা ধরনের বৈষম্য ও বঞ্চনার মুখোমুখি হচ্ছে। তাদের সাংবিধানিক স্বীকৃতি, ন্যায্য অধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিত করা সময়ের দাবি। এ ক্ষেত্রে ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়ন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে তারা মত প্রকাশ করেন।

তারা আরও বলেন, সাম্প্রতিক বন্যায় বান্দরবানের বহু কৃষক ফসল ও কৃষিজমির ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পুনর্বাসন এবং কৃষি উপকরণসহ প্রয়োজনীয় সহায়তা দ্রুত নিশ্চিত করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তারা।

সমাবেশে বক্তারা বান্দরবানে টেকসই উন্নয়ন ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে সরকার ও প্রশাসনের আরও কার্যকর ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে পার্বত্য অঞ্চলের মানুষের জীবনমান উন্নয়ন এবং সকল জাতিগোষ্ঠীর সাংবিধানিক অধিকার নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানান।

সমাবেশ শেষে একটি প্রতিবাদ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে বিভিন্ন স্লোগানের মাধ্যমে কর্মসূচি শেষ করে। এতে গণসংহতি আন্দোলনের নেতা-কর্মী, সমর্থক এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন