, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে বান্দরবান জেলা কাঠ ব্যবসায়ী সমিতি, ৩০০ জনকে ২ লাখ টাকা আর্থিক সহায়তা বান্দরবানে গাউছিয়া কমিটির উদ্যোগে বন্যার্ত ৩০০ পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ বান্দরবানে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ২০০ পরিবারের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ বিশেষ অভিযানে উদ্ধার ১০ হারানো মোবাইল, প্রকৃত মালিকদের হাতে ফিরিয়ে দিল বান্দরবান সদর থানা বান্দরবানে বন্যাদুর্গত ৭৫ পরিবারের মাঝে বিজিবির ত্রাণ বিতরণ বন্যাদুর্গতদের পাশে বান্দরবান বিজিবি, ১০০ পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ বান্দরবানে সেনাবাহিনীর অভিযানে প্রায় ১৫ লাখ টাকার অবৈধ কাঠ জব্দ তিন পার্বত্য জেলায় ৫৪ শতাংশ বাঙালির আয়কর মওকুফ ও বাজারফান্ড এলাকায় ব্যাংক ঋণ পুনরায় চালুর দাবি বান্দরবানে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিলের ঈদ উপহার বিতরণ সংরক্ষিত মহিলা আসনের এমপি এডভোকেট মাধবী মার্মা বান্দরবানের দুর্গম পাহাড়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে সেনাবাহিনীর শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ

বান্দরবানে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে ছাই ৬ বসতঘর ও একটি রেস্তোরাঁ

  • প্রকাশের সময় : ০১:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ মার্চ ২০২৬
  • ৫২ পড়া হয়েছে

বান্দরবান প্রতিনিধি।

বান্দরবান সদরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ছয়টি বসতঘর ও একটি রেস্তোরাঁ সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে।

আজ সোমবার (২ মার্চ) ভোর পৌনে ৬টার দিকে বান্দরবান পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের উজানী পাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। এতে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং কয়েকটি পরিবার নিঃস্ব হয়ে পড়ে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ভোরে স্থানীয় একটি রেস্তোরাঁর রান্নাঘর থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। প্রথমে ধোঁয়া ও আগুনের শিখা দেখা যায়। অল্প সময়ের মধ্যেই আগুন বেড়া ও দাহ্য বস্তু দিয়ে দ্রুত পাশের বসতঘরগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। ঘুমন্ত বাসিন্দারা চিৎকার শুনে দ্রুত বেরিয়ে আসেন। অনেকেই ঘর থেকে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র বের করার সুযোগ পাননি।
খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। তবে ততক্ষণে ছয়টি বসতঘর ও একটি রেস্তোরাঁ সম্পূর্ণ পুড়ে যায়। পাশের একটি ভবনের একটি ফ্লোর আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক আব্দুল মান্নান আনসারী জানান, সকাল পৌনে ৬টার দিকে তারা আগুন লাগার খবর পান। দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। তবে প্রকৃত কারণ এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণে তদন্ত চলছে।

ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মারুফা খান সুলতানা হীরামনি। তিনি বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে এবং তাদের তাৎক্ষণিকভাবে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে। পাশাপাশি প্রয়োজনীয় ত্রাণ সহায়তার ব্যবস্থাও নেওয়া হচ্ছে।
এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। তবে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর দাবি, আগুনে তাদের সর্বস্ব পুড়ে গেছে। দ্রুত সরকারি ও বেসরকারি সহায়তা না পেলে নতুন করে ঘুরে দাঁড়ানো কঠিন হবে বলে জানান তারা।
স্থানীয়রা বৈদ্যুতিক লাইনের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থার জোরদার করার দাবি জানিয়েছেন, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো যায়।

 

 

জনপ্রিয়

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে বান্দরবান জেলা কাঠ ব্যবসায়ী সমিতি, ৩০০ জনকে ২ লাখ টাকা আর্থিক সহায়তা

error: Content is protected !!

বান্দরবানে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে ছাই ৬ বসতঘর ও একটি রেস্তোরাঁ

প্রকাশের সময় : ০১:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ মার্চ ২০২৬

বান্দরবান প্রতিনিধি।

বান্দরবান সদরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ছয়টি বসতঘর ও একটি রেস্তোরাঁ সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে।

আজ সোমবার (২ মার্চ) ভোর পৌনে ৬টার দিকে বান্দরবান পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের উজানী পাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। এতে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং কয়েকটি পরিবার নিঃস্ব হয়ে পড়ে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ভোরে স্থানীয় একটি রেস্তোরাঁর রান্নাঘর থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। প্রথমে ধোঁয়া ও আগুনের শিখা দেখা যায়। অল্প সময়ের মধ্যেই আগুন বেড়া ও দাহ্য বস্তু দিয়ে দ্রুত পাশের বসতঘরগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। ঘুমন্ত বাসিন্দারা চিৎকার শুনে দ্রুত বেরিয়ে আসেন। অনেকেই ঘর থেকে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র বের করার সুযোগ পাননি।
খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। তবে ততক্ষণে ছয়টি বসতঘর ও একটি রেস্তোরাঁ সম্পূর্ণ পুড়ে যায়। পাশের একটি ভবনের একটি ফ্লোর আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক আব্দুল মান্নান আনসারী জানান, সকাল পৌনে ৬টার দিকে তারা আগুন লাগার খবর পান। দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। তবে প্রকৃত কারণ এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণে তদন্ত চলছে।

ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মারুফা খান সুলতানা হীরামনি। তিনি বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে এবং তাদের তাৎক্ষণিকভাবে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে। পাশাপাশি প্রয়োজনীয় ত্রাণ সহায়তার ব্যবস্থাও নেওয়া হচ্ছে।
এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। তবে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর দাবি, আগুনে তাদের সর্বস্ব পুড়ে গেছে। দ্রুত সরকারি ও বেসরকারি সহায়তা না পেলে নতুন করে ঘুরে দাঁড়ানো কঠিন হবে বলে জানান তারা।
স্থানীয়রা বৈদ্যুতিক লাইনের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থার জোরদার করার দাবি জানিয়েছেন, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো যায়।