, মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬, ১৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ঈদুল আযহা উপলক্ষে বান্দরবানে এনসিপির ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত বান্দরবান পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডে প্রশাসনের নাকের ডগায় চুরি, মাদক ও কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য, আতঙ্কে এলাকাবাসী বান্দরবানে চাঁদাবাজি ও হুমকির অভিযোগে ছাত্রলীগ নেতা হাসান গণপিটুনির পর পুলিশে সোপর্দ নারী ও শিশু উন্নয়নে কাজের অঙ্গীকার সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি মাধবী মার্মার বান্দরবান সার্বজনীন কেন্দ্রীয় বৌদ্ধ বিহারের দ্বিবার্ষিকী নবগঠিত কমিটি গঠন ওয়ালটন ফ্রিজ কিনে ১০ লাখ টাকা পেলেন বান্দরবানের সুপ্রকাশ চাকমা বান্দরবানের দুর্গম পাহাড়ে সকল অসহায় পরিবারের ভাগ্য বদলাতে কাজ করবেন এমপি সাচিং প্রু জেরী। বান্দরবানে চেকপোস্টে ২১ রোহিঙ্গা আটক কাজুবাদাম ও কফি চাষে আধুনিক প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে রোয়াংছড়িতে প্রশিক্ষণ ও মাঠ দিবস আয়োজন বান্দরবানে মহান আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

বান্দরবানে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে ছাই ৬ বসতঘর ও একটি রেস্তোরাঁ

  • প্রকাশের সময় : ০১:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ মার্চ ২০২৬
  • ৪২ পড়া হয়েছে

বান্দরবান প্রতিনিধি।

বান্দরবান সদরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ছয়টি বসতঘর ও একটি রেস্তোরাঁ সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে।

আজ সোমবার (২ মার্চ) ভোর পৌনে ৬টার দিকে বান্দরবান পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের উজানী পাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। এতে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং কয়েকটি পরিবার নিঃস্ব হয়ে পড়ে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ভোরে স্থানীয় একটি রেস্তোরাঁর রান্নাঘর থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। প্রথমে ধোঁয়া ও আগুনের শিখা দেখা যায়। অল্প সময়ের মধ্যেই আগুন বেড়া ও দাহ্য বস্তু দিয়ে দ্রুত পাশের বসতঘরগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। ঘুমন্ত বাসিন্দারা চিৎকার শুনে দ্রুত বেরিয়ে আসেন। অনেকেই ঘর থেকে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র বের করার সুযোগ পাননি।
খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। তবে ততক্ষণে ছয়টি বসতঘর ও একটি রেস্তোরাঁ সম্পূর্ণ পুড়ে যায়। পাশের একটি ভবনের একটি ফ্লোর আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক আব্দুল মান্নান আনসারী জানান, সকাল পৌনে ৬টার দিকে তারা আগুন লাগার খবর পান। দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। তবে প্রকৃত কারণ এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণে তদন্ত চলছে।

ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মারুফা খান সুলতানা হীরামনি। তিনি বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে এবং তাদের তাৎক্ষণিকভাবে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে। পাশাপাশি প্রয়োজনীয় ত্রাণ সহায়তার ব্যবস্থাও নেওয়া হচ্ছে।
এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। তবে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর দাবি, আগুনে তাদের সর্বস্ব পুড়ে গেছে। দ্রুত সরকারি ও বেসরকারি সহায়তা না পেলে নতুন করে ঘুরে দাঁড়ানো কঠিন হবে বলে জানান তারা।
স্থানীয়রা বৈদ্যুতিক লাইনের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থার জোরদার করার দাবি জানিয়েছেন, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো যায়।

 

 

ঈদুল আযহা উপলক্ষে বান্দরবানে এনসিপির ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত

error: Content is protected !!

বান্দরবানে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে ছাই ৬ বসতঘর ও একটি রেস্তোরাঁ

প্রকাশের সময় : ০১:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ মার্চ ২০২৬

বান্দরবান প্রতিনিধি।

বান্দরবান সদরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ছয়টি বসতঘর ও একটি রেস্তোরাঁ সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে।

আজ সোমবার (২ মার্চ) ভোর পৌনে ৬টার দিকে বান্দরবান পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের উজানী পাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। এতে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং কয়েকটি পরিবার নিঃস্ব হয়ে পড়ে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ভোরে স্থানীয় একটি রেস্তোরাঁর রান্নাঘর থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। প্রথমে ধোঁয়া ও আগুনের শিখা দেখা যায়। অল্প সময়ের মধ্যেই আগুন বেড়া ও দাহ্য বস্তু দিয়ে দ্রুত পাশের বসতঘরগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। ঘুমন্ত বাসিন্দারা চিৎকার শুনে দ্রুত বেরিয়ে আসেন। অনেকেই ঘর থেকে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র বের করার সুযোগ পাননি।
খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। তবে ততক্ষণে ছয়টি বসতঘর ও একটি রেস্তোরাঁ সম্পূর্ণ পুড়ে যায়। পাশের একটি ভবনের একটি ফ্লোর আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক আব্দুল মান্নান আনসারী জানান, সকাল পৌনে ৬টার দিকে তারা আগুন লাগার খবর পান। দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। তবে প্রকৃত কারণ এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণে তদন্ত চলছে।

ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মারুফা খান সুলতানা হীরামনি। তিনি বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে এবং তাদের তাৎক্ষণিকভাবে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে। পাশাপাশি প্রয়োজনীয় ত্রাণ সহায়তার ব্যবস্থাও নেওয়া হচ্ছে।
এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। তবে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর দাবি, আগুনে তাদের সর্বস্ব পুড়ে গেছে। দ্রুত সরকারি ও বেসরকারি সহায়তা না পেলে নতুন করে ঘুরে দাঁড়ানো কঠিন হবে বলে জানান তারা।
স্থানীয়রা বৈদ্যুতিক লাইনের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থার জোরদার করার দাবি জানিয়েছেন, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো যায়।