, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পূজায় নিরাপত্তা নিশ্চিতে বান্দরবানে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন, আনসার-ভিডিপি জেলা কমান্ড্যান্ট শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে বান্দরবান সেনা জোনের আর্থিক অনুদান বিতরণ বান্দরবানে সাকসেস একাডেমিক অ্যান্ড অ্যাডমিশন কেয়ারের অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত ক্যান্সার আক্রান্ত আসমার পাশে মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী, চিকিৎসায় নগদ অর্থ সহায়তা সূর্যমুখী শিশু কিশোর ফাউন্ডেশন এর ২৯ তম প্রতিষ্ঠা, শিক্ষা উপকরণ ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত। বান্দরবানে আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবস পালিত জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে ৭ মাসের শিশু আহাদ, বাঁচাতে প্রয়োজন মানবিক সহযোগিতা। বান্দরবানের বালাঘাটার শিশু আব্দুল্লাহ আল আহাদ চট্টগ্রামের ইম্পেরিয়াল হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে; চিকিৎসার ব্যয় নিয়ে দুশ্চিন্তায় পরিবার  লামায় নদীর ঘাটে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালালো পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র পরিষদ বান্দরবানে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে বিএনপির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত, অংশ নিলেন মাধবী মার্মা এমপি

বান্দরবানে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে ছাই ৬ বসতঘর ও একটি রেস্তোরাঁ

  • প্রকাশের সময় : ০১:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ মার্চ ২০২৬
  • ৭৬ পড়া হয়েছে

বান্দরবান প্রতিনিধি।

বান্দরবান সদরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ছয়টি বসতঘর ও একটি রেস্তোরাঁ সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে।

আজ সোমবার (২ মার্চ) ভোর পৌনে ৬টার দিকে বান্দরবান পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের উজানী পাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। এতে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং কয়েকটি পরিবার নিঃস্ব হয়ে পড়ে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ভোরে স্থানীয় একটি রেস্তোরাঁর রান্নাঘর থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। প্রথমে ধোঁয়া ও আগুনের শিখা দেখা যায়। অল্প সময়ের মধ্যেই আগুন বেড়া ও দাহ্য বস্তু দিয়ে দ্রুত পাশের বসতঘরগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। ঘুমন্ত বাসিন্দারা চিৎকার শুনে দ্রুত বেরিয়ে আসেন। অনেকেই ঘর থেকে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র বের করার সুযোগ পাননি।
খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। তবে ততক্ষণে ছয়টি বসতঘর ও একটি রেস্তোরাঁ সম্পূর্ণ পুড়ে যায়। পাশের একটি ভবনের একটি ফ্লোর আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক আব্দুল মান্নান আনসারী জানান, সকাল পৌনে ৬টার দিকে তারা আগুন লাগার খবর পান। দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। তবে প্রকৃত কারণ এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণে তদন্ত চলছে।

ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মারুফা খান সুলতানা হীরামনি। তিনি বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে এবং তাদের তাৎক্ষণিকভাবে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে। পাশাপাশি প্রয়োজনীয় ত্রাণ সহায়তার ব্যবস্থাও নেওয়া হচ্ছে।
এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। তবে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর দাবি, আগুনে তাদের সর্বস্ব পুড়ে গেছে। দ্রুত সরকারি ও বেসরকারি সহায়তা না পেলে নতুন করে ঘুরে দাঁড়ানো কঠিন হবে বলে জানান তারা।
স্থানীয়রা বৈদ্যুতিক লাইনের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থার জোরদার করার দাবি জানিয়েছেন, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো যায়।

 

 

জনপ্রিয়

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পূজায় নিরাপত্তা নিশ্চিতে বান্দরবানে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন, আনসার-ভিডিপি জেলা কমান্ড্যান্ট

error: Content is protected !!

বান্দরবানে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে ছাই ৬ বসতঘর ও একটি রেস্তোরাঁ

প্রকাশের সময় : ০১:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ মার্চ ২০২৬

বান্দরবান প্রতিনিধি।

বান্দরবান সদরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ছয়টি বসতঘর ও একটি রেস্তোরাঁ সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে।

আজ সোমবার (২ মার্চ) ভোর পৌনে ৬টার দিকে বান্দরবান পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের উজানী পাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। এতে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং কয়েকটি পরিবার নিঃস্ব হয়ে পড়ে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ভোরে স্থানীয় একটি রেস্তোরাঁর রান্নাঘর থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। প্রথমে ধোঁয়া ও আগুনের শিখা দেখা যায়। অল্প সময়ের মধ্যেই আগুন বেড়া ও দাহ্য বস্তু দিয়ে দ্রুত পাশের বসতঘরগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। ঘুমন্ত বাসিন্দারা চিৎকার শুনে দ্রুত বেরিয়ে আসেন। অনেকেই ঘর থেকে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র বের করার সুযোগ পাননি।
খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। তবে ততক্ষণে ছয়টি বসতঘর ও একটি রেস্তোরাঁ সম্পূর্ণ পুড়ে যায়। পাশের একটি ভবনের একটি ফ্লোর আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক আব্দুল মান্নান আনসারী জানান, সকাল পৌনে ৬টার দিকে তারা আগুন লাগার খবর পান। দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। তবে প্রকৃত কারণ এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণে তদন্ত চলছে।

ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মারুফা খান সুলতানা হীরামনি। তিনি বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে এবং তাদের তাৎক্ষণিকভাবে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে। পাশাপাশি প্রয়োজনীয় ত্রাণ সহায়তার ব্যবস্থাও নেওয়া হচ্ছে।
এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। তবে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর দাবি, আগুনে তাদের সর্বস্ব পুড়ে গেছে। দ্রুত সরকারি ও বেসরকারি সহায়তা না পেলে নতুন করে ঘুরে দাঁড়ানো কঠিন হবে বলে জানান তারা।
স্থানীয়রা বৈদ্যুতিক লাইনের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থার জোরদার করার দাবি জানিয়েছেন, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো যায়।