, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
নববর্ষকে স্বাগত জানিয়ে বান্দরবানে বর্ণাঢ্য বৈশাখী শোভাযাত্রা বান্দরবানে মারমার সম্প্রদায়ের সাংগ্রাই উৎসবে মুখর বান্দরবানে প্রবাসীর স্ত্রীর বাড়িতে হামলার অভিযোগ: আমগাছ কাটা, ভাঙচুর ও প্রাণনাশের হুমকি বান্দরবানে ফুল বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর অন্যতম প্রধান উৎসব বৈসাবি নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে বিজিবির সাঁড়াশি অভিযান পাচারের আগেই বিপুল অকটেন-সার জব্দ প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় বান্দরবানে ঝাড়ু হাতে এমপি, পরিচ্ছন্নতা অভিযানে জনস্রোত মহা সাংগ্রাই পোয়ে:  উপলক্ষে ঐতিহ্যবাহী মারমা সম্প্রদায়ের খেলাধুলা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত বান্দরবানে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিসংখ্যানবিদ অপহরণ, পুলিশের অভিযানে উদ্ধার বান্দরবানে বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন বৃত্তি ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত পাহাড়ে তীব্র পানি সংকট, ভরসা ঝিরির কুয়া

বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান পদে সাশৈপ্রুকে মনোনয়নের দাবি

  • প্রকাশের সময় : ১২:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬
  • ৩১ পড়া হয়েছে

বান্দরবান প্রতিনিধি।

বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও প্রবীণ নেতা সাশৈপ্রুকে মনোনয়ন দেওয়ার দাবিতে সরব হয়েছেন দলের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা। এ দাবিতে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর বরাবর লিখিত আবেদন জমা দেওয়া হয়েছে।
আবেদনে জেলা বিএনপির সিনিয়র নেতৃবৃন্দসহ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা স্বাক্ষর করেন। এতে উল্লেখ করা হয়, সাশৈপ্রু বান্দরবান বিএনপির প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য এবং জাগদলের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবে রাজনীতিতে যুক্ত হন। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হাত ধরে তার রাজনৈতিক পথচলা শুরু হয়।
লিখিত আবেদনে বলা হয়, ১৯৮০ সালে জিয়াউর রহমান বান্দরবানের সুয়ালক এলাকায় সফরকালে সাশৈপ্রু তার আপ্যায়নের দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে ১৯৯৩ সালে বান্দরবান টাউন হলে অনুষ্ঠিত জেলা বিএনপির কাউন্সিলের মাধ্যমে গঠিত কমিটির প্রচার সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
নেতৃবৃন্দ আরও উল্লেখ করেন, ১/১১ পূর্ববর্তী সময় থেকে বিএনপির সব ধরনের কর্মসূচিতে তিনি সক্রিয় ছিলেন। গত ১৭ বছর আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে নানা নির্যাতন ও হয়রানির শিকার হয়েছেন। অবরোধ ও হরতালসহ বিভিন্ন আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন এবং পুলিশের তৎপরতার কারণে বহুদিন ঘরছাড়া থাকতে হয়েছে।
বর্তমানে তিনি জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এবং দলীয় কর্মসূচি বাস্তবায়নে অগ্রণী ভূমিকা রাখছেন। কর্মীবান্ধব ও গ্রহণযোগ্য নেতা হিসেবে তার পরিচিতি রয়েছে বলে নেতারা জানান। পাশাপাশি তিনি বোমাং সার্কেলের রাজপ্রথার ৩৬৩ নম্বর আলেক্ষ্যং মৌজার হেডম্যান (মৌজা প্রধান) হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।
আবেদনে তার পারিবারিক পরিচয় তুলে ধরে বলা হয়, তিনি বোমাং রাজপরিবারের ঘনিষ্ঠ সদস্য এবং বর্তমান বোমাং রাজার চাচাত ভাই। জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলের কাছে গ্রহণযোগ্য ব্যক্তি হিসেবে তিনি বান্দরবান পার্বত্য জেলার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে সক্ষম বলেও দাবি করেন নেতাকর্মীরা।
এ বিষয়ে সাশৈপ্রু বলেন, “১৯৮০ সালে জিয়াউর রহমান আমার কাঁধে হাত রেখে পার্বত্য এলাকার উন্নয়নে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছিলেন। সেই অনুপ্রেরণা থেকেই আমি এখনো জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছি।”
জেলা বিএনপির নেতারা বলেন, দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, ত্যাগ ও সাংগঠনিক দক্ষতার ভিত্তিতে সাশৈপ্রুই বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে সবচেয়ে যোগ্য ও গ্রহণযোগ্য প্রার্থী। তাই তাকে মনোনয়ন দেওয়ার জন্য তারা জোর দাবি জানিয়েছেন।

জনপ্রিয়

নববর্ষকে স্বাগত জানিয়ে বান্দরবানে বর্ণাঢ্য বৈশাখী শোভাযাত্রা

error: Content is protected !!

বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান পদে সাশৈপ্রুকে মনোনয়নের দাবি

প্রকাশের সময় : ১২:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬

বান্দরবান প্রতিনিধি।

বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও প্রবীণ নেতা সাশৈপ্রুকে মনোনয়ন দেওয়ার দাবিতে সরব হয়েছেন দলের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা। এ দাবিতে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর বরাবর লিখিত আবেদন জমা দেওয়া হয়েছে।
আবেদনে জেলা বিএনপির সিনিয়র নেতৃবৃন্দসহ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা স্বাক্ষর করেন। এতে উল্লেখ করা হয়, সাশৈপ্রু বান্দরবান বিএনপির প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য এবং জাগদলের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবে রাজনীতিতে যুক্ত হন। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হাত ধরে তার রাজনৈতিক পথচলা শুরু হয়।
লিখিত আবেদনে বলা হয়, ১৯৮০ সালে জিয়াউর রহমান বান্দরবানের সুয়ালক এলাকায় সফরকালে সাশৈপ্রু তার আপ্যায়নের দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে ১৯৯৩ সালে বান্দরবান টাউন হলে অনুষ্ঠিত জেলা বিএনপির কাউন্সিলের মাধ্যমে গঠিত কমিটির প্রচার সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
নেতৃবৃন্দ আরও উল্লেখ করেন, ১/১১ পূর্ববর্তী সময় থেকে বিএনপির সব ধরনের কর্মসূচিতে তিনি সক্রিয় ছিলেন। গত ১৭ বছর আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে নানা নির্যাতন ও হয়রানির শিকার হয়েছেন। অবরোধ ও হরতালসহ বিভিন্ন আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন এবং পুলিশের তৎপরতার কারণে বহুদিন ঘরছাড়া থাকতে হয়েছে।
বর্তমানে তিনি জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এবং দলীয় কর্মসূচি বাস্তবায়নে অগ্রণী ভূমিকা রাখছেন। কর্মীবান্ধব ও গ্রহণযোগ্য নেতা হিসেবে তার পরিচিতি রয়েছে বলে নেতারা জানান। পাশাপাশি তিনি বোমাং সার্কেলের রাজপ্রথার ৩৬৩ নম্বর আলেক্ষ্যং মৌজার হেডম্যান (মৌজা প্রধান) হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।
আবেদনে তার পারিবারিক পরিচয় তুলে ধরে বলা হয়, তিনি বোমাং রাজপরিবারের ঘনিষ্ঠ সদস্য এবং বর্তমান বোমাং রাজার চাচাত ভাই। জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলের কাছে গ্রহণযোগ্য ব্যক্তি হিসেবে তিনি বান্দরবান পার্বত্য জেলার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে সক্ষম বলেও দাবি করেন নেতাকর্মীরা।
এ বিষয়ে সাশৈপ্রু বলেন, “১৯৮০ সালে জিয়াউর রহমান আমার কাঁধে হাত রেখে পার্বত্য এলাকার উন্নয়নে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছিলেন। সেই অনুপ্রেরণা থেকেই আমি এখনো জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছি।”
জেলা বিএনপির নেতারা বলেন, দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, ত্যাগ ও সাংগঠনিক দক্ষতার ভিত্তিতে সাশৈপ্রুই বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে সবচেয়ে যোগ্য ও গ্রহণযোগ্য প্রার্থী। তাই তাকে মনোনয়ন দেওয়ার জন্য তারা জোর দাবি জানিয়েছেন।