, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে বান্দরবান জেলা কাঠ ব্যবসায়ী সমিতি, ৩০০ জনকে ২ লাখ টাকা আর্থিক সহায়তা বান্দরবানে গাউছিয়া কমিটির উদ্যোগে বন্যার্ত ৩০০ পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ বান্দরবানে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ২০০ পরিবারের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ বিশেষ অভিযানে উদ্ধার ১০ হারানো মোবাইল, প্রকৃত মালিকদের হাতে ফিরিয়ে দিল বান্দরবান সদর থানা বান্দরবানে বন্যাদুর্গত ৭৫ পরিবারের মাঝে বিজিবির ত্রাণ বিতরণ বন্যাদুর্গতদের পাশে বান্দরবান বিজিবি, ১০০ পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ বান্দরবানে সেনাবাহিনীর অভিযানে প্রায় ১৫ লাখ টাকার অবৈধ কাঠ জব্দ তিন পার্বত্য জেলায় ৫৪ শতাংশ বাঙালির আয়কর মওকুফ ও বাজারফান্ড এলাকায় ব্যাংক ঋণ পুনরায় চালুর দাবি বান্দরবানে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিলের ঈদ উপহার বিতরণ সংরক্ষিত মহিলা আসনের এমপি এডভোকেট মাধবী মার্মা বান্দরবানের দুর্গম পাহাড়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে সেনাবাহিনীর শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ

বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান পদে সাশৈপ্রুকে মনোনয়নের দাবি

  • প্রকাশের সময় : ১২:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬
  • ৫৬ পড়া হয়েছে

বান্দরবান প্রতিনিধি।

বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও প্রবীণ নেতা সাশৈপ্রুকে মনোনয়ন দেওয়ার দাবিতে সরব হয়েছেন দলের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা। এ দাবিতে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর বরাবর লিখিত আবেদন জমা দেওয়া হয়েছে।
আবেদনে জেলা বিএনপির সিনিয়র নেতৃবৃন্দসহ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা স্বাক্ষর করেন। এতে উল্লেখ করা হয়, সাশৈপ্রু বান্দরবান বিএনপির প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য এবং জাগদলের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবে রাজনীতিতে যুক্ত হন। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হাত ধরে তার রাজনৈতিক পথচলা শুরু হয়।
লিখিত আবেদনে বলা হয়, ১৯৮০ সালে জিয়াউর রহমান বান্দরবানের সুয়ালক এলাকায় সফরকালে সাশৈপ্রু তার আপ্যায়নের দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে ১৯৯৩ সালে বান্দরবান টাউন হলে অনুষ্ঠিত জেলা বিএনপির কাউন্সিলের মাধ্যমে গঠিত কমিটির প্রচার সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
নেতৃবৃন্দ আরও উল্লেখ করেন, ১/১১ পূর্ববর্তী সময় থেকে বিএনপির সব ধরনের কর্মসূচিতে তিনি সক্রিয় ছিলেন। গত ১৭ বছর আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে নানা নির্যাতন ও হয়রানির শিকার হয়েছেন। অবরোধ ও হরতালসহ বিভিন্ন আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন এবং পুলিশের তৎপরতার কারণে বহুদিন ঘরছাড়া থাকতে হয়েছে।
বর্তমানে তিনি জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এবং দলীয় কর্মসূচি বাস্তবায়নে অগ্রণী ভূমিকা রাখছেন। কর্মীবান্ধব ও গ্রহণযোগ্য নেতা হিসেবে তার পরিচিতি রয়েছে বলে নেতারা জানান। পাশাপাশি তিনি বোমাং সার্কেলের রাজপ্রথার ৩৬৩ নম্বর আলেক্ষ্যং মৌজার হেডম্যান (মৌজা প্রধান) হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।
আবেদনে তার পারিবারিক পরিচয় তুলে ধরে বলা হয়, তিনি বোমাং রাজপরিবারের ঘনিষ্ঠ সদস্য এবং বর্তমান বোমাং রাজার চাচাত ভাই। জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলের কাছে গ্রহণযোগ্য ব্যক্তি হিসেবে তিনি বান্দরবান পার্বত্য জেলার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে সক্ষম বলেও দাবি করেন নেতাকর্মীরা।
এ বিষয়ে সাশৈপ্রু বলেন, “১৯৮০ সালে জিয়াউর রহমান আমার কাঁধে হাত রেখে পার্বত্য এলাকার উন্নয়নে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছিলেন। সেই অনুপ্রেরণা থেকেই আমি এখনো জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছি।”
জেলা বিএনপির নেতারা বলেন, দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, ত্যাগ ও সাংগঠনিক দক্ষতার ভিত্তিতে সাশৈপ্রুই বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে সবচেয়ে যোগ্য ও গ্রহণযোগ্য প্রার্থী। তাই তাকে মনোনয়ন দেওয়ার জন্য তারা জোর দাবি জানিয়েছেন।

জনপ্রিয়

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে বান্দরবান জেলা কাঠ ব্যবসায়ী সমিতি, ৩০০ জনকে ২ লাখ টাকা আর্থিক সহায়তা

error: Content is protected !!

বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান পদে সাশৈপ্রুকে মনোনয়নের দাবি

প্রকাশের সময় : ১২:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬

বান্দরবান প্রতিনিধি।

বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও প্রবীণ নেতা সাশৈপ্রুকে মনোনয়ন দেওয়ার দাবিতে সরব হয়েছেন দলের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা। এ দাবিতে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর বরাবর লিখিত আবেদন জমা দেওয়া হয়েছে।
আবেদনে জেলা বিএনপির সিনিয়র নেতৃবৃন্দসহ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা স্বাক্ষর করেন। এতে উল্লেখ করা হয়, সাশৈপ্রু বান্দরবান বিএনপির প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য এবং জাগদলের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবে রাজনীতিতে যুক্ত হন। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হাত ধরে তার রাজনৈতিক পথচলা শুরু হয়।
লিখিত আবেদনে বলা হয়, ১৯৮০ সালে জিয়াউর রহমান বান্দরবানের সুয়ালক এলাকায় সফরকালে সাশৈপ্রু তার আপ্যায়নের দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে ১৯৯৩ সালে বান্দরবান টাউন হলে অনুষ্ঠিত জেলা বিএনপির কাউন্সিলের মাধ্যমে গঠিত কমিটির প্রচার সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
নেতৃবৃন্দ আরও উল্লেখ করেন, ১/১১ পূর্ববর্তী সময় থেকে বিএনপির সব ধরনের কর্মসূচিতে তিনি সক্রিয় ছিলেন। গত ১৭ বছর আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে নানা নির্যাতন ও হয়রানির শিকার হয়েছেন। অবরোধ ও হরতালসহ বিভিন্ন আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন এবং পুলিশের তৎপরতার কারণে বহুদিন ঘরছাড়া থাকতে হয়েছে।
বর্তমানে তিনি জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এবং দলীয় কর্মসূচি বাস্তবায়নে অগ্রণী ভূমিকা রাখছেন। কর্মীবান্ধব ও গ্রহণযোগ্য নেতা হিসেবে তার পরিচিতি রয়েছে বলে নেতারা জানান। পাশাপাশি তিনি বোমাং সার্কেলের রাজপ্রথার ৩৬৩ নম্বর আলেক্ষ্যং মৌজার হেডম্যান (মৌজা প্রধান) হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।
আবেদনে তার পারিবারিক পরিচয় তুলে ধরে বলা হয়, তিনি বোমাং রাজপরিবারের ঘনিষ্ঠ সদস্য এবং বর্তমান বোমাং রাজার চাচাত ভাই। জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলের কাছে গ্রহণযোগ্য ব্যক্তি হিসেবে তিনি বান্দরবান পার্বত্য জেলার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে সক্ষম বলেও দাবি করেন নেতাকর্মীরা।
এ বিষয়ে সাশৈপ্রু বলেন, “১৯৮০ সালে জিয়াউর রহমান আমার কাঁধে হাত রেখে পার্বত্য এলাকার উন্নয়নে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছিলেন। সেই অনুপ্রেরণা থেকেই আমি এখনো জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছি।”
জেলা বিএনপির নেতারা বলেন, দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, ত্যাগ ও সাংগঠনিক দক্ষতার ভিত্তিতে সাশৈপ্রুই বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে সবচেয়ে যোগ্য ও গ্রহণযোগ্য প্রার্থী। তাই তাকে মনোনয়ন দেওয়ার জন্য তারা জোর দাবি জানিয়েছেন।