, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে মাটির নিচে লুকানো ১ লাখ ইয়াবা উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১ বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের নতুন অন্তর্বর্তীকালীন পরিষদের দায়িত্ব গ্রহণ মাম্যাচিংকে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান করায় উচ্ছ্বসিত বিএনপি, বান্দরবানে আনন্দ মিছিল অতি শীঘ্রই উপজেলা-পৌরসভা-ইউনিয়ন পর্যায়ে প্রার্থী ঘোষণা করবে এনসিপি: সারজিস আলম বান্দরবান নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার সীমান্তে ৪৯ হাজার ৯৮২ পিস ইয়াবা উদ্ধার বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ পুনর্গঠন, চেয়ারম্যান মাম্যাচিং বান্দরবানে ১ সেপ্টেম্বর যাত্রা শুরু করছে ‘সাথী’ পার্সেল ডেলিভারি থেকে বাজার-ওষুধ পৌঁছে দেওয়া—এক প্ল্যাটফর্মেই মিলবে নানা অন-ডিমান্ড সেবা ‘৬ রবিউল আউয়াল সকল ঈদের সেরা ঈদ’—বটতলীতে ঈদে মিলাদুন্নবী উদযাপন পার্বত্য চট্টগ্রামে সশস্ত্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর বেপরোয়া চাঁদাবাজি বন্ধের দাবিতে বান্দরবানে মানববন্ধন মোল্লার বাজারে জুয়া ও মাদকের ভয়াল বিস্তার, আতঙ্কে এলাকাবাসী

মহা সাংগ্রাই পোয়ে:  উপলক্ষে ঐতিহ্যবাহী মারমা সম্প্রদায়ের খেলাধুলা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

  • প্রকাশের সময় : ০৮:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬
  • ৫২ পড়া হয়েছে

বান্দরবান প্রতিনিধি।

সাংগ্রাই উদযাপন পরিষদ বান্দরবান এর আয়োজন মহা সাংগ্রাই পোয়ে উপলক্ষে ঐতিহ্যবাহী মারমা খেলাধুলা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার(১১ এপ্রিল ২০২৬) বিকালে বান্দরবান ঐতিহ্যবাহী রাজার মাঠে এই মারমা সম্প্রদায়ের খেলাধুলা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। এসময় মারমা নারীরা ও পুরুষেরা দাড়িয়া বান্ধা, ঘিলা খেলা, বাশ আরহ, শামুক খেলা, লাটিম,খেলায় অংশগ্রহণ করেন।

উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজপুত্র চহ্লাপ্রু (জিমি),
এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক সা শৈ প্রু, সাংগ্রাই উদযাপন পরিষদ এর সভাপতি চথুইপ্রু, সাধারণ সম্পাদক থুইমং প্রু,সহ ক্রিড়া প্রেমিরা।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাজপুত্র চহ্লাপ্রু (জিমি) বলেন, মারমা সাম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী এই খেলাগুলো আমাদের সংস্কৃতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। কিন্তু দুঃখজনকভাবে নিয়মিত চর্চার অভাবে এসব খেলা আজ বিলুপ্তির পথে চলে যাচ্ছে। তিনি আরও বলেন, নতুন প্রজন্মের কাছে এই ঐতিহ্য পৌঁছে দিতে এবং আমাদের সংস্কৃতিকে টিকিয়ে রাখতে এসব খেলাধুলার পুনরুজ্জীবন অত্যন্ত জরুরি। তাই সবাইকে এগিয়ে এসে এই ঐতিহ্যবাহী খেলাগুলোকে আবারও জনপ্রিয় করে তোলার আহ্বান জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, এই খেলাধুলার মধ্যে ‘ঘিলা’ খেলার জন্য অনেক ঘিলার প্রয়োজন হয়। কিন্তু ঘিলা গাছও আজ বিলুপ্তির পথে। এ প্রেক্ষাপটে বান্দরবান ৩০০ নং আসনের সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী এমপি বিভিন্ন স্থান থেকে সংগ্রহ করে প্রায় দুই মন ঘিলা সংগ্রহ করেছেন এবং তা বান্দরবানের বিভিন্ন পাড়ায় পাড়ায় বিতরণ করেছেন, যাতে এই ঐতিহ্যবাহী খেলাগুলো টিকিয়ে রাখা যায়।

জনপ্রিয়

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে মাটির নিচে লুকানো ১ লাখ ইয়াবা উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১

error: Content is protected !!

মহা সাংগ্রাই পোয়ে:  উপলক্ষে ঐতিহ্যবাহী মারমা সম্প্রদায়ের খেলাধুলা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

প্রকাশের সময় : ০৮:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬

বান্দরবান প্রতিনিধি।

সাংগ্রাই উদযাপন পরিষদ বান্দরবান এর আয়োজন মহা সাংগ্রাই পোয়ে উপলক্ষে ঐতিহ্যবাহী মারমা খেলাধুলা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার(১১ এপ্রিল ২০২৬) বিকালে বান্দরবান ঐতিহ্যবাহী রাজার মাঠে এই মারমা সম্প্রদায়ের খেলাধুলা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। এসময় মারমা নারীরা ও পুরুষেরা দাড়িয়া বান্ধা, ঘিলা খেলা, বাশ আরহ, শামুক খেলা, লাটিম,খেলায় অংশগ্রহণ করেন।

উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজপুত্র চহ্লাপ্রু (জিমি),
এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক সা শৈ প্রু, সাংগ্রাই উদযাপন পরিষদ এর সভাপতি চথুইপ্রু, সাধারণ সম্পাদক থুইমং প্রু,সহ ক্রিড়া প্রেমিরা।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাজপুত্র চহ্লাপ্রু (জিমি) বলেন, মারমা সাম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী এই খেলাগুলো আমাদের সংস্কৃতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। কিন্তু দুঃখজনকভাবে নিয়মিত চর্চার অভাবে এসব খেলা আজ বিলুপ্তির পথে চলে যাচ্ছে। তিনি আরও বলেন, নতুন প্রজন্মের কাছে এই ঐতিহ্য পৌঁছে দিতে এবং আমাদের সংস্কৃতিকে টিকিয়ে রাখতে এসব খেলাধুলার পুনরুজ্জীবন অত্যন্ত জরুরি। তাই সবাইকে এগিয়ে এসে এই ঐতিহ্যবাহী খেলাগুলোকে আবারও জনপ্রিয় করে তোলার আহ্বান জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, এই খেলাধুলার মধ্যে ‘ঘিলা’ খেলার জন্য অনেক ঘিলার প্রয়োজন হয়। কিন্তু ঘিলা গাছও আজ বিলুপ্তির পথে। এ প্রেক্ষাপটে বান্দরবান ৩০০ নং আসনের সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী এমপি বিভিন্ন স্থান থেকে সংগ্রহ করে প্রায় দুই মন ঘিলা সংগ্রহ করেছেন এবং তা বান্দরবানের বিভিন্ন পাড়ায় পাড়ায় বিতরণ করেছেন, যাতে এই ঐতিহ্যবাহী খেলাগুলো টিকিয়ে রাখা যায়।