, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
নববর্ষকে স্বাগত জানিয়ে বান্দরবানে বর্ণাঢ্য বৈশাখী শোভাযাত্রা বান্দরবানে মারমার সম্প্রদায়ের সাংগ্রাই উৎসবে মুখর বান্দরবানে প্রবাসীর স্ত্রীর বাড়িতে হামলার অভিযোগ: আমগাছ কাটা, ভাঙচুর ও প্রাণনাশের হুমকি বান্দরবানে ফুল বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর অন্যতম প্রধান উৎসব বৈসাবি নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে বিজিবির সাঁড়াশি অভিযান পাচারের আগেই বিপুল অকটেন-সার জব্দ প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় বান্দরবানে ঝাড়ু হাতে এমপি, পরিচ্ছন্নতা অভিযানে জনস্রোত মহা সাংগ্রাই পোয়ে:  উপলক্ষে ঐতিহ্যবাহী মারমা সম্প্রদায়ের খেলাধুলা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত বান্দরবানে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিসংখ্যানবিদ অপহরণ, পুলিশের অভিযানে উদ্ধার বান্দরবানে বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন বৃত্তি ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত পাহাড়ে তীব্র পানি সংকট, ভরসা ঝিরির কুয়া

বান্দরবানে মারমার সম্প্রদায়ের সাংগ্রাই উৎসবে মুখর

  • প্রকাশের সময় : ১১:৪৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬
  • ৪ পড়া হয়েছে

বান্দরবান প্রতিনিধি:

পার্বত্য জেলা বান্দরবানজুড়ে উৎসবের আমেজ। মারমা জনগোষ্ঠীর সবচেয়ে বড় ঐতিহ্যবাহী উৎসব ‘মাহাঃ সাংগ্রাই পোয়েঃ’ উপলক্ষে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে সাংগ্রাই উদযাপন। এতে অংশ নিয়েছে জেলার বিভিন্ন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর হাজারও মানুষ।

আজ সোমবার (১৩ এপ্রিল) সকালে বান্দরবান শহরের ঐতিহ্যবাহী রাজার মাঠ থেকে শুরু হয় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা। রঙিন পোশাক, নাচ-গান আর মাতৃভাষায় নববর্ষের শুভেচ্ছায় মুখর হয়ে ওঠে পুরো শহর।মারমা, চাকমা, ত্রিপুরা, তঞ্চঙ্গ্যা, চাক, ম্রো, খিয়াং, খুমি, বমসহ বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর মানুষ ঐতিহ্যবাহী পোশাকে অংশ নেন আনন্দমুখর এই র‍্যালিতে।
শোভাযাত্রাটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট (কেএসআই) প্রাঙ্গণে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে অনুষ্ঠিত হয় বয়স্ক পূজা ও অন্যান্য ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান।

সকালে রাজার মাঠে বেলুন উড়িয়ে শোভাযাত্রার উদ্বোধন করেন স্থানীয় সংসদ সদস্য রাজপুত্র সাচিং প্রু জেরী।
এ সময় তিনি বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের এই উৎসব শুধু একটি সম্প্রদায়ের নয়, বরং সকল জাতিগোষ্ঠীর মিলনমেলায় পরিণত হয়েছে। এটি সম্প্রীতি, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির এক অনন্য উদাহরণ।

উল্লেখ্য, মারমা জনগোষ্ঠীর কাছে এই উৎসব ‘সাংগ্রাই’ নামে পরিচিত হলেও চাকমাদের কাছে ‘বিজু’, ত্রিপুরাদের কাছে ‘বৈসু’, তঞ্চঙ্গ্যাদের কাছে ‘বিষু’ এবং অন্যান্য জনগোষ্ঠীর কাছে ‘চাংক্রান’ নামে পরিচিত।
বর্ণিল এই উৎসবের মধ্য দিয়ে ফুটে উঠেছে পার্বত্য চট্টগ্রামের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য, ঐতিহ্য এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির অনন্য দৃষ্টান্ত।

জনপ্রিয়

নববর্ষকে স্বাগত জানিয়ে বান্দরবানে বর্ণাঢ্য বৈশাখী শোভাযাত্রা

error: Content is protected !!

বান্দরবানে মারমার সম্প্রদায়ের সাংগ্রাই উৎসবে মুখর

প্রকাশের সময় : ১১:৪৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

বান্দরবান প্রতিনিধি:

পার্বত্য জেলা বান্দরবানজুড়ে উৎসবের আমেজ। মারমা জনগোষ্ঠীর সবচেয়ে বড় ঐতিহ্যবাহী উৎসব ‘মাহাঃ সাংগ্রাই পোয়েঃ’ উপলক্ষে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে সাংগ্রাই উদযাপন। এতে অংশ নিয়েছে জেলার বিভিন্ন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর হাজারও মানুষ।

আজ সোমবার (১৩ এপ্রিল) সকালে বান্দরবান শহরের ঐতিহ্যবাহী রাজার মাঠ থেকে শুরু হয় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা। রঙিন পোশাক, নাচ-গান আর মাতৃভাষায় নববর্ষের শুভেচ্ছায় মুখর হয়ে ওঠে পুরো শহর।মারমা, চাকমা, ত্রিপুরা, তঞ্চঙ্গ্যা, চাক, ম্রো, খিয়াং, খুমি, বমসহ বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর মানুষ ঐতিহ্যবাহী পোশাকে অংশ নেন আনন্দমুখর এই র‍্যালিতে।
শোভাযাত্রাটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট (কেএসআই) প্রাঙ্গণে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে অনুষ্ঠিত হয় বয়স্ক পূজা ও অন্যান্য ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান।

সকালে রাজার মাঠে বেলুন উড়িয়ে শোভাযাত্রার উদ্বোধন করেন স্থানীয় সংসদ সদস্য রাজপুত্র সাচিং প্রু জেরী।
এ সময় তিনি বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের এই উৎসব শুধু একটি সম্প্রদায়ের নয়, বরং সকল জাতিগোষ্ঠীর মিলনমেলায় পরিণত হয়েছে। এটি সম্প্রীতি, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির এক অনন্য উদাহরণ।

উল্লেখ্য, মারমা জনগোষ্ঠীর কাছে এই উৎসব ‘সাংগ্রাই’ নামে পরিচিত হলেও চাকমাদের কাছে ‘বিজু’, ত্রিপুরাদের কাছে ‘বৈসু’, তঞ্চঙ্গ্যাদের কাছে ‘বিষু’ এবং অন্যান্য জনগোষ্ঠীর কাছে ‘চাংক্রান’ নামে পরিচিত।
বর্ণিল এই উৎসবের মধ্য দিয়ে ফুটে উঠেছে পার্বত্য চট্টগ্রামের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য, ঐতিহ্য এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির অনন্য দৃষ্টান্ত।