, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে বান্দরবান জেলা কাঠ ব্যবসায়ী সমিতি, ৩০০ জনকে ২ লাখ টাকা আর্থিক সহায়তা বান্দরবানে গাউছিয়া কমিটির উদ্যোগে বন্যার্ত ৩০০ পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ বান্দরবানে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ২০০ পরিবারের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ বিশেষ অভিযানে উদ্ধার ১০ হারানো মোবাইল, প্রকৃত মালিকদের হাতে ফিরিয়ে দিল বান্দরবান সদর থানা বান্দরবানে বন্যাদুর্গত ৭৫ পরিবারের মাঝে বিজিবির ত্রাণ বিতরণ বন্যাদুর্গতদের পাশে বান্দরবান বিজিবি, ১০০ পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ বান্দরবানে সেনাবাহিনীর অভিযানে প্রায় ১৫ লাখ টাকার অবৈধ কাঠ জব্দ তিন পার্বত্য জেলায় ৫৪ শতাংশ বাঙালির আয়কর মওকুফ ও বাজারফান্ড এলাকায় ব্যাংক ঋণ পুনরায় চালুর দাবি বান্দরবানে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিলের ঈদ উপহার বিতরণ সংরক্ষিত মহিলা আসনের এমপি এডভোকেট মাধবী মার্মা বান্দরবানের দুর্গম পাহাড়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে সেনাবাহিনীর শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ

বান্দরবানে মারমার সম্প্রদায়ের সাংগ্রাই উৎসবে মুখর

  • প্রকাশের সময় : ১১:৪৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬
  • ২৭ পড়া হয়েছে

বান্দরবান প্রতিনিধি:

পার্বত্য জেলা বান্দরবানজুড়ে উৎসবের আমেজ। মারমা জনগোষ্ঠীর সবচেয়ে বড় ঐতিহ্যবাহী উৎসব ‘মাহাঃ সাংগ্রাই পোয়েঃ’ উপলক্ষে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে সাংগ্রাই উদযাপন। এতে অংশ নিয়েছে জেলার বিভিন্ন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর হাজারও মানুষ।

আজ সোমবার (১৩ এপ্রিল) সকালে বান্দরবান শহরের ঐতিহ্যবাহী রাজার মাঠ থেকে শুরু হয় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা। রঙিন পোশাক, নাচ-গান আর মাতৃভাষায় নববর্ষের শুভেচ্ছায় মুখর হয়ে ওঠে পুরো শহর।মারমা, চাকমা, ত্রিপুরা, তঞ্চঙ্গ্যা, চাক, ম্রো, খিয়াং, খুমি, বমসহ বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর মানুষ ঐতিহ্যবাহী পোশাকে অংশ নেন আনন্দমুখর এই র‍্যালিতে।
শোভাযাত্রাটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট (কেএসআই) প্রাঙ্গণে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে অনুষ্ঠিত হয় বয়স্ক পূজা ও অন্যান্য ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান।

সকালে রাজার মাঠে বেলুন উড়িয়ে শোভাযাত্রার উদ্বোধন করেন স্থানীয় সংসদ সদস্য রাজপুত্র সাচিং প্রু জেরী।
এ সময় তিনি বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের এই উৎসব শুধু একটি সম্প্রদায়ের নয়, বরং সকল জাতিগোষ্ঠীর মিলনমেলায় পরিণত হয়েছে। এটি সম্প্রীতি, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির এক অনন্য উদাহরণ।

উল্লেখ্য, মারমা জনগোষ্ঠীর কাছে এই উৎসব ‘সাংগ্রাই’ নামে পরিচিত হলেও চাকমাদের কাছে ‘বিজু’, ত্রিপুরাদের কাছে ‘বৈসু’, তঞ্চঙ্গ্যাদের কাছে ‘বিষু’ এবং অন্যান্য জনগোষ্ঠীর কাছে ‘চাংক্রান’ নামে পরিচিত।
বর্ণিল এই উৎসবের মধ্য দিয়ে ফুটে উঠেছে পার্বত্য চট্টগ্রামের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য, ঐতিহ্য এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির অনন্য দৃষ্টান্ত।

জনপ্রিয়

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে বান্দরবান জেলা কাঠ ব্যবসায়ী সমিতি, ৩০০ জনকে ২ লাখ টাকা আর্থিক সহায়তা

error: Content is protected !!

বান্দরবানে মারমার সম্প্রদায়ের সাংগ্রাই উৎসবে মুখর

প্রকাশের সময় : ১১:৪৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

বান্দরবান প্রতিনিধি:

পার্বত্য জেলা বান্দরবানজুড়ে উৎসবের আমেজ। মারমা জনগোষ্ঠীর সবচেয়ে বড় ঐতিহ্যবাহী উৎসব ‘মাহাঃ সাংগ্রাই পোয়েঃ’ উপলক্ষে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে সাংগ্রাই উদযাপন। এতে অংশ নিয়েছে জেলার বিভিন্ন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর হাজারও মানুষ।

আজ সোমবার (১৩ এপ্রিল) সকালে বান্দরবান শহরের ঐতিহ্যবাহী রাজার মাঠ থেকে শুরু হয় বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা। রঙিন পোশাক, নাচ-গান আর মাতৃভাষায় নববর্ষের শুভেচ্ছায় মুখর হয়ে ওঠে পুরো শহর।মারমা, চাকমা, ত্রিপুরা, তঞ্চঙ্গ্যা, চাক, ম্রো, খিয়াং, খুমি, বমসহ বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর মানুষ ঐতিহ্যবাহী পোশাকে অংশ নেন আনন্দমুখর এই র‍্যালিতে।
শোভাযাত্রাটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট (কেএসআই) প্রাঙ্গণে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে অনুষ্ঠিত হয় বয়স্ক পূজা ও অন্যান্য ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান।

সকালে রাজার মাঠে বেলুন উড়িয়ে শোভাযাত্রার উদ্বোধন করেন স্থানীয় সংসদ সদস্য রাজপুত্র সাচিং প্রু জেরী।
এ সময় তিনি বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের এই উৎসব শুধু একটি সম্প্রদায়ের নয়, বরং সকল জাতিগোষ্ঠীর মিলনমেলায় পরিণত হয়েছে। এটি সম্প্রীতি, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির এক অনন্য উদাহরণ।

উল্লেখ্য, মারমা জনগোষ্ঠীর কাছে এই উৎসব ‘সাংগ্রাই’ নামে পরিচিত হলেও চাকমাদের কাছে ‘বিজু’, ত্রিপুরাদের কাছে ‘বৈসু’, তঞ্চঙ্গ্যাদের কাছে ‘বিষু’ এবং অন্যান্য জনগোষ্ঠীর কাছে ‘চাংক্রান’ নামে পরিচিত।
বর্ণিল এই উৎসবের মধ্য দিয়ে ফুটে উঠেছে পার্বত্য চট্টগ্রামের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য, ঐতিহ্য এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির অনন্য দৃষ্টান্ত।