, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে মাটির নিচে লুকানো ১ লাখ ইয়াবা উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১ বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের নতুন অন্তর্বর্তীকালীন পরিষদের দায়িত্ব গ্রহণ মাম্যাচিংকে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান করায় উচ্ছ্বসিত বিএনপি, বান্দরবানে আনন্দ মিছিল অতি শীঘ্রই উপজেলা-পৌরসভা-ইউনিয়ন পর্যায়ে প্রার্থী ঘোষণা করবে এনসিপি: সারজিস আলম বান্দরবান নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার সীমান্তে ৪৯ হাজার ৯৮২ পিস ইয়াবা উদ্ধার বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ পুনর্গঠন, চেয়ারম্যান মাম্যাচিং বান্দরবানে ১ সেপ্টেম্বর যাত্রা শুরু করছে ‘সাথী’ পার্সেল ডেলিভারি থেকে বাজার-ওষুধ পৌঁছে দেওয়া—এক প্ল্যাটফর্মেই মিলবে নানা অন-ডিমান্ড সেবা ‘৬ রবিউল আউয়াল সকল ঈদের সেরা ঈদ’—বটতলীতে ঈদে মিলাদুন্নবী উদযাপন পার্বত্য চট্টগ্রামে সশস্ত্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর বেপরোয়া চাঁদাবাজি বন্ধের দাবিতে বান্দরবানে মানববন্ধন মোল্লার বাজারে জুয়া ও মাদকের ভয়াল বিস্তার, আতঙ্কে এলাকাবাসী

ঢাকায় পার্বত্য চট্টগ্রাম কমপ্লেক্সে শুরু হয়েছে পাহাড়ি ফল মেলা

  • প্রকাশের সময় : ০৪:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬
  • ৩০ পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্কঃ-

রাজধানী ঢাকার পার্বত্য চট্টগ্রাম কমপ্লেক্সে বর্ণাঢ্য আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে পাহাড়ি ফল মেলা। পার্বত্য অঞ্চলে উৎপাদিত বিভিন্ন মৌসুমি ও দেশীয় ফলের পরিচিতি বৃদ্ধি, বাজার সম্প্রসারণ, কৃষকদের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতকরণ এবং পার্বত্য অঞ্চলের কৃষিভিত্তিক অর্থনীতিকে আরও সমৃদ্ধ করার লক্ষ্যে এ মেলার আয়োজন করা হয়।

মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক পার্বত্যমন্ত্রী দীপেন দেওয়ান এমপি, সংসদ সদস্য আব্দুল ওয়াদুদ ভূঁঞা, সংসদ সদস্য রাজপুত্র সাচিং প্রু জেরী এমপি এবং সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মাধবীমার মার্মা।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন পার্বত্য চট্টগ্রামে উৎপাদিত আনারস, আম, কাঁঠাল, লিচু, মাল্টা, ড্রাগন ফল, অ্যাভোকাডোসহ নানা ধরনের পাহাড়ি ফল স্বাদ, গুণগত মান ও পুষ্টিগুণে অনন্য। আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, সংরক্ষণ ব্যবস্থা উন্নয়ন এবং কার্যকর বিপণনের মাধ্যমে এসব ফল দেশের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি বিদেশেও রপ্তানির সম্ভাবনা রয়েছে। কৃষকদের উৎপাদন বাড়াতে এবং তাদের অর্থনৈতিক উন্নয়নে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে বলেও বক্তারা উল্লেখ করেন।

মেলায় পার্বত্য অঞ্চলের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা কৃষক উদ্যোক্তা ও প্রতিষ্ঠান তাদের উৎপাদিত নানা জাতের ফল প্রদর্শন ও বিক্রয়ের জন্য স্টল স্থাপন করেন। দর্শনার্থীরা পাহাড়ি ফলের স্বাদ গ্রহণের পাশাপাশি এসব ফলের পুষ্টিগুণ চাষাবাদ ও বাণিজ্যিক সম্ভাবনা সম্পর্কে জানতে পারেন।

বর্ণাঢ্য এই পাহাড়ি ফল মেলায় বিপুল সংখ্যক দর্শনার্থীর উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের আয়োজন পার্বত্য অঞ্চলের কৃষিপণ্যকে দেশব্যাপী জনপ্রিয় করে তুলবে, কৃষকদের আয় বৃদ্ধি করবে এবং পাহাড়ি ফলের নতুন বাজার সৃষ্টি করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

জনপ্রিয়

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে মাটির নিচে লুকানো ১ লাখ ইয়াবা উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১

error: Content is protected !!

ঢাকায় পার্বত্য চট্টগ্রাম কমপ্লেক্সে শুরু হয়েছে পাহাড়ি ফল মেলা

প্রকাশের সময় : ০৪:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬

নিউজ ডেস্কঃ-

রাজধানী ঢাকার পার্বত্য চট্টগ্রাম কমপ্লেক্সে বর্ণাঢ্য আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে পাহাড়ি ফল মেলা। পার্বত্য অঞ্চলে উৎপাদিত বিভিন্ন মৌসুমি ও দেশীয় ফলের পরিচিতি বৃদ্ধি, বাজার সম্প্রসারণ, কৃষকদের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতকরণ এবং পার্বত্য অঞ্চলের কৃষিভিত্তিক অর্থনীতিকে আরও সমৃদ্ধ করার লক্ষ্যে এ মেলার আয়োজন করা হয়।

মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক পার্বত্যমন্ত্রী দীপেন দেওয়ান এমপি, সংসদ সদস্য আব্দুল ওয়াদুদ ভূঁঞা, সংসদ সদস্য রাজপুত্র সাচিং প্রু জেরী এমপি এবং সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মাধবীমার মার্মা।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন পার্বত্য চট্টগ্রামে উৎপাদিত আনারস, আম, কাঁঠাল, লিচু, মাল্টা, ড্রাগন ফল, অ্যাভোকাডোসহ নানা ধরনের পাহাড়ি ফল স্বাদ, গুণগত মান ও পুষ্টিগুণে অনন্য। আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, সংরক্ষণ ব্যবস্থা উন্নয়ন এবং কার্যকর বিপণনের মাধ্যমে এসব ফল দেশের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি বিদেশেও রপ্তানির সম্ভাবনা রয়েছে। কৃষকদের উৎপাদন বাড়াতে এবং তাদের অর্থনৈতিক উন্নয়নে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে বলেও বক্তারা উল্লেখ করেন।

মেলায় পার্বত্য অঞ্চলের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা কৃষক উদ্যোক্তা ও প্রতিষ্ঠান তাদের উৎপাদিত নানা জাতের ফল প্রদর্শন ও বিক্রয়ের জন্য স্টল স্থাপন করেন। দর্শনার্থীরা পাহাড়ি ফলের স্বাদ গ্রহণের পাশাপাশি এসব ফলের পুষ্টিগুণ চাষাবাদ ও বাণিজ্যিক সম্ভাবনা সম্পর্কে জানতে পারেন।

বর্ণাঢ্য এই পাহাড়ি ফল মেলায় বিপুল সংখ্যক দর্শনার্থীর উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের আয়োজন পার্বত্য অঞ্চলের কৃষিপণ্যকে দেশব্যাপী জনপ্রিয় করে তুলবে, কৃষকদের আয় বৃদ্ধি করবে এবং পাহাড়ি ফলের নতুন বাজার সৃষ্টি করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।