, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
নববর্ষকে স্বাগত জানিয়ে বান্দরবানে বর্ণাঢ্য বৈশাখী শোভাযাত্রা বান্দরবানে মারমার সম্প্রদায়ের সাংগ্রাই উৎসবে মুখর বান্দরবানে প্রবাসীর স্ত্রীর বাড়িতে হামলার অভিযোগ: আমগাছ কাটা, ভাঙচুর ও প্রাণনাশের হুমকি বান্দরবানে ফুল বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর অন্যতম প্রধান উৎসব বৈসাবি নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে বিজিবির সাঁড়াশি অভিযান পাচারের আগেই বিপুল অকটেন-সার জব্দ প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় বান্দরবানে ঝাড়ু হাতে এমপি, পরিচ্ছন্নতা অভিযানে জনস্রোত মহা সাংগ্রাই পোয়ে:  উপলক্ষে ঐতিহ্যবাহী মারমা সম্প্রদায়ের খেলাধুলা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত বান্দরবানে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিসংখ্যানবিদ অপহরণ, পুলিশের অভিযানে উদ্ধার বান্দরবানে বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন বৃত্তি ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত পাহাড়ে তীব্র পানি সংকট, ভরসা ঝিরির কুয়া

ইউপিডিএফের গুলিতে নিহত তিনজন পাহাড়ি হত্যার বিচারের দাবিতে বান্দরবানে পিসিসিপির বিক্ষোভ

  • প্রকাশের সময় : ০৬:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৫
  • ১১৫ পড়া হয়েছে

মঈন উদ্দীন,বান্দরবান প্রতিনিধি।

ইউপিডিএফের সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত তিনজন সাধারণ পাহাড়ি যুবক হত্যার সুবিচারের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়

আজ (২৯ অক্টোবর) বুধবার বিকালে শহরের শহীদ আবু সাঈদ মুক্ত মঞ্চের সামনে পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র পরিষদ (পিসিসিপি) বান্দরবান জেলা শাখার পক্ষ থেকে এই বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

উক্ত বিক্ষোভ সমাবেশে পিসিসিপি বান্দরবান জেলা সভাপতি আসিফ ইকবাল এর সভাপতিত্বে ও দপ্তর সম্পাদক মিছবাহ উদ্দিন এর সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন পিসিএনপি’র বান্দরবান জেলা যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. শাহজালাল রানা , পিসিএনপি পৌর কমিটির সভাপতি শামসুল হক শামু, পিসিসিপি বান্দরবান জেলা সাধারণ সম্পাদক হাবিব আল মাহমুদ, সাংগঠনিক সম্পাদক তানভীর হোসেন ইমন, পিসিসিপি ঢাকা মহানগর সাধারণ সম্পাদক রিয়াজুল হাসান, জমির উদ্দীন, জানে আলম সহ প্রমুখ।

বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা বলেন, মিথ্যা ধর্ষণ ইস্যুতে খাগড়াছড়িতে উত্তেজনা সৃষ্টির চেষ্টা ব্যর্থ হলে পরদিন ২৮ সেপ্টেম্বর ইউপিডিএফ রামসু বাজার এলাকায় ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে সড়ক অবরোধ ও উস্কানিমূলক কার্যক্রম চালায়। এ সময় সেনাবাহিনী ও বিজিবির উপর হামলায় তাদের সদস্যরা আহত হন।

বক্তারা অভিযোগ করেন, সংঘর্ষের সময় পাহাড়ের চূড়া থেকে ইউপিডিএফ সশস্ত্র ক্যাডাররা অটোমেটিক অস্ত্র দিয়ে গুলি চালায়, এতে তিন পাহাড়ি যুবক—আখ্র মারমা, আথুইপ্রু মারমা ও থৈইচিং মারমা নিহত হন। সেনাবাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে গেলে সশস্ত্র দলটি পালিয়ে যায়।

বক্তারা বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামকে অস্থিতিশীল করে স্বায়ত্তশাসনের দাবি আদায়ের উদ্দেশ্যে ইউপিডিএফ এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। তারা পাহাড়ি-বাঙালি সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থেকে ইউপিডিএফের অপপ্রচার ও সন্ত্রাসী কার্যক্রম বর্জনের আহ্বান জানান।

সামাবেশে বক্তারা আরো বলেন, বিগত ১৯ থেকে ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত খাগড়াছড়ি এবং গুইমারা এলাকায় বিভিন্ন ঘটনাকে পুঁজি করে আইনের আশ্রয় না নিয়ে পার্বত্য অঞ্চলকে ইউপিডিএফ কর্তৃক অস্থিতিশীল এবং সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা সৃষ্টির বিষয়টি ছিলো একটি বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের অংশ। গুইমারা রামসু বাজারে আখ্র মারমা, আথুইপ্রু মারমা ও থৈইচিং মারমা হত্যায় জড়িত সকল ইউপিডিএফ সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় আনতে হবে, অন্যথায় পিসিসিপি আরো কঠোর কর্মসূচি পালন করবে।

জনপ্রিয়

নববর্ষকে স্বাগত জানিয়ে বান্দরবানে বর্ণাঢ্য বৈশাখী শোভাযাত্রা

error: Content is protected !!

ইউপিডিএফের গুলিতে নিহত তিনজন পাহাড়ি হত্যার বিচারের দাবিতে বান্দরবানে পিসিসিপির বিক্ষোভ

প্রকাশের সময় : ০৬:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৫

মঈন উদ্দীন,বান্দরবান প্রতিনিধি।

ইউপিডিএফের সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত তিনজন সাধারণ পাহাড়ি যুবক হত্যার সুবিচারের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়

আজ (২৯ অক্টোবর) বুধবার বিকালে শহরের শহীদ আবু সাঈদ মুক্ত মঞ্চের সামনে পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র পরিষদ (পিসিসিপি) বান্দরবান জেলা শাখার পক্ষ থেকে এই বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

উক্ত বিক্ষোভ সমাবেশে পিসিসিপি বান্দরবান জেলা সভাপতি আসিফ ইকবাল এর সভাপতিত্বে ও দপ্তর সম্পাদক মিছবাহ উদ্দিন এর সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন পিসিএনপি’র বান্দরবান জেলা যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. শাহজালাল রানা , পিসিএনপি পৌর কমিটির সভাপতি শামসুল হক শামু, পিসিসিপি বান্দরবান জেলা সাধারণ সম্পাদক হাবিব আল মাহমুদ, সাংগঠনিক সম্পাদক তানভীর হোসেন ইমন, পিসিসিপি ঢাকা মহানগর সাধারণ সম্পাদক রিয়াজুল হাসান, জমির উদ্দীন, জানে আলম সহ প্রমুখ।

বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা বলেন, মিথ্যা ধর্ষণ ইস্যুতে খাগড়াছড়িতে উত্তেজনা সৃষ্টির চেষ্টা ব্যর্থ হলে পরদিন ২৮ সেপ্টেম্বর ইউপিডিএফ রামসু বাজার এলাকায় ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে সড়ক অবরোধ ও উস্কানিমূলক কার্যক্রম চালায়। এ সময় সেনাবাহিনী ও বিজিবির উপর হামলায় তাদের সদস্যরা আহত হন।

বক্তারা অভিযোগ করেন, সংঘর্ষের সময় পাহাড়ের চূড়া থেকে ইউপিডিএফ সশস্ত্র ক্যাডাররা অটোমেটিক অস্ত্র দিয়ে গুলি চালায়, এতে তিন পাহাড়ি যুবক—আখ্র মারমা, আথুইপ্রু মারমা ও থৈইচিং মারমা নিহত হন। সেনাবাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে গেলে সশস্ত্র দলটি পালিয়ে যায়।

বক্তারা বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামকে অস্থিতিশীল করে স্বায়ত্তশাসনের দাবি আদায়ের উদ্দেশ্যে ইউপিডিএফ এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। তারা পাহাড়ি-বাঙালি সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থেকে ইউপিডিএফের অপপ্রচার ও সন্ত্রাসী কার্যক্রম বর্জনের আহ্বান জানান।

সামাবেশে বক্তারা আরো বলেন, বিগত ১৯ থেকে ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত খাগড়াছড়ি এবং গুইমারা এলাকায় বিভিন্ন ঘটনাকে পুঁজি করে আইনের আশ্রয় না নিয়ে পার্বত্য অঞ্চলকে ইউপিডিএফ কর্তৃক অস্থিতিশীল এবং সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা সৃষ্টির বিষয়টি ছিলো একটি বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের অংশ। গুইমারা রামসু বাজারে আখ্র মারমা, আথুইপ্রু মারমা ও থৈইচিং মারমা হত্যায় জড়িত সকল ইউপিডিএফ সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় আনতে হবে, অন্যথায় পিসিসিপি আরো কঠোর কর্মসূচি পালন করবে।