, মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬, ১৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ঈদুল আযহা উপলক্ষে বান্দরবানে এনসিপির ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত বান্দরবান পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডে প্রশাসনের নাকের ডগায় চুরি, মাদক ও কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য, আতঙ্কে এলাকাবাসী বান্দরবানে চাঁদাবাজি ও হুমকির অভিযোগে ছাত্রলীগ নেতা হাসান গণপিটুনির পর পুলিশে সোপর্দ নারী ও শিশু উন্নয়নে কাজের অঙ্গীকার সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি মাধবী মার্মার বান্দরবান সার্বজনীন কেন্দ্রীয় বৌদ্ধ বিহারের দ্বিবার্ষিকী নবগঠিত কমিটি গঠন ওয়ালটন ফ্রিজ কিনে ১০ লাখ টাকা পেলেন বান্দরবানের সুপ্রকাশ চাকমা বান্দরবানের দুর্গম পাহাড়ে সকল অসহায় পরিবারের ভাগ্য বদলাতে কাজ করবেন এমপি সাচিং প্রু জেরী। বান্দরবানে চেকপোস্টে ২১ রোহিঙ্গা আটক কাজুবাদাম ও কফি চাষে আধুনিক প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে রোয়াংছড়িতে প্রশিক্ষণ ও মাঠ দিবস আয়োজন বান্দরবানে মহান আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

ইউপিডিএফের গুলিতে নিহত তিনজন পাহাড়ি হত্যার বিচারের দাবিতে বান্দরবানে পিসিসিপির বিক্ষোভ

  • প্রকাশের সময় : ০৬:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৫
  • ১৩১ পড়া হয়েছে

মঈন উদ্দীন,বান্দরবান প্রতিনিধি।

ইউপিডিএফের সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত তিনজন সাধারণ পাহাড়ি যুবক হত্যার সুবিচারের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়

আজ (২৯ অক্টোবর) বুধবার বিকালে শহরের শহীদ আবু সাঈদ মুক্ত মঞ্চের সামনে পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র পরিষদ (পিসিসিপি) বান্দরবান জেলা শাখার পক্ষ থেকে এই বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

উক্ত বিক্ষোভ সমাবেশে পিসিসিপি বান্দরবান জেলা সভাপতি আসিফ ইকবাল এর সভাপতিত্বে ও দপ্তর সম্পাদক মিছবাহ উদ্দিন এর সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন পিসিএনপি’র বান্দরবান জেলা যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. শাহজালাল রানা , পিসিএনপি পৌর কমিটির সভাপতি শামসুল হক শামু, পিসিসিপি বান্দরবান জেলা সাধারণ সম্পাদক হাবিব আল মাহমুদ, সাংগঠনিক সম্পাদক তানভীর হোসেন ইমন, পিসিসিপি ঢাকা মহানগর সাধারণ সম্পাদক রিয়াজুল হাসান, জমির উদ্দীন, জানে আলম সহ প্রমুখ।

বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা বলেন, মিথ্যা ধর্ষণ ইস্যুতে খাগড়াছড়িতে উত্তেজনা সৃষ্টির চেষ্টা ব্যর্থ হলে পরদিন ২৮ সেপ্টেম্বর ইউপিডিএফ রামসু বাজার এলাকায় ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে সড়ক অবরোধ ও উস্কানিমূলক কার্যক্রম চালায়। এ সময় সেনাবাহিনী ও বিজিবির উপর হামলায় তাদের সদস্যরা আহত হন।

বক্তারা অভিযোগ করেন, সংঘর্ষের সময় পাহাড়ের চূড়া থেকে ইউপিডিএফ সশস্ত্র ক্যাডাররা অটোমেটিক অস্ত্র দিয়ে গুলি চালায়, এতে তিন পাহাড়ি যুবক—আখ্র মারমা, আথুইপ্রু মারমা ও থৈইচিং মারমা নিহত হন। সেনাবাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে গেলে সশস্ত্র দলটি পালিয়ে যায়।

বক্তারা বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামকে অস্থিতিশীল করে স্বায়ত্তশাসনের দাবি আদায়ের উদ্দেশ্যে ইউপিডিএফ এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। তারা পাহাড়ি-বাঙালি সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থেকে ইউপিডিএফের অপপ্রচার ও সন্ত্রাসী কার্যক্রম বর্জনের আহ্বান জানান।

সামাবেশে বক্তারা আরো বলেন, বিগত ১৯ থেকে ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত খাগড়াছড়ি এবং গুইমারা এলাকায় বিভিন্ন ঘটনাকে পুঁজি করে আইনের আশ্রয় না নিয়ে পার্বত্য অঞ্চলকে ইউপিডিএফ কর্তৃক অস্থিতিশীল এবং সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা সৃষ্টির বিষয়টি ছিলো একটি বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের অংশ। গুইমারা রামসু বাজারে আখ্র মারমা, আথুইপ্রু মারমা ও থৈইচিং মারমা হত্যায় জড়িত সকল ইউপিডিএফ সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় আনতে হবে, অন্যথায় পিসিসিপি আরো কঠোর কর্মসূচি পালন করবে।

ঈদুল আযহা উপলক্ষে বান্দরবানে এনসিপির ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত

error: Content is protected !!

ইউপিডিএফের গুলিতে নিহত তিনজন পাহাড়ি হত্যার বিচারের দাবিতে বান্দরবানে পিসিসিপির বিক্ষোভ

প্রকাশের সময় : ০৬:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৫

মঈন উদ্দীন,বান্দরবান প্রতিনিধি।

ইউপিডিএফের সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত তিনজন সাধারণ পাহাড়ি যুবক হত্যার সুবিচারের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়

আজ (২৯ অক্টোবর) বুধবার বিকালে শহরের শহীদ আবু সাঈদ মুক্ত মঞ্চের সামনে পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র পরিষদ (পিসিসিপি) বান্দরবান জেলা শাখার পক্ষ থেকে এই বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

উক্ত বিক্ষোভ সমাবেশে পিসিসিপি বান্দরবান জেলা সভাপতি আসিফ ইকবাল এর সভাপতিত্বে ও দপ্তর সম্পাদক মিছবাহ উদ্দিন এর সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন পিসিএনপি’র বান্দরবান জেলা যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. শাহজালাল রানা , পিসিএনপি পৌর কমিটির সভাপতি শামসুল হক শামু, পিসিসিপি বান্দরবান জেলা সাধারণ সম্পাদক হাবিব আল মাহমুদ, সাংগঠনিক সম্পাদক তানভীর হোসেন ইমন, পিসিসিপি ঢাকা মহানগর সাধারণ সম্পাদক রিয়াজুল হাসান, জমির উদ্দীন, জানে আলম সহ প্রমুখ।

বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা বলেন, মিথ্যা ধর্ষণ ইস্যুতে খাগড়াছড়িতে উত্তেজনা সৃষ্টির চেষ্টা ব্যর্থ হলে পরদিন ২৮ সেপ্টেম্বর ইউপিডিএফ রামসু বাজার এলাকায় ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে সড়ক অবরোধ ও উস্কানিমূলক কার্যক্রম চালায়। এ সময় সেনাবাহিনী ও বিজিবির উপর হামলায় তাদের সদস্যরা আহত হন।

বক্তারা অভিযোগ করেন, সংঘর্ষের সময় পাহাড়ের চূড়া থেকে ইউপিডিএফ সশস্ত্র ক্যাডাররা অটোমেটিক অস্ত্র দিয়ে গুলি চালায়, এতে তিন পাহাড়ি যুবক—আখ্র মারমা, আথুইপ্রু মারমা ও থৈইচিং মারমা নিহত হন। সেনাবাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে গেলে সশস্ত্র দলটি পালিয়ে যায়।

বক্তারা বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামকে অস্থিতিশীল করে স্বায়ত্তশাসনের দাবি আদায়ের উদ্দেশ্যে ইউপিডিএফ এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। তারা পাহাড়ি-বাঙালি সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থেকে ইউপিডিএফের অপপ্রচার ও সন্ত্রাসী কার্যক্রম বর্জনের আহ্বান জানান।

সামাবেশে বক্তারা আরো বলেন, বিগত ১৯ থেকে ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত খাগড়াছড়ি এবং গুইমারা এলাকায় বিভিন্ন ঘটনাকে পুঁজি করে আইনের আশ্রয় না নিয়ে পার্বত্য অঞ্চলকে ইউপিডিএফ কর্তৃক অস্থিতিশীল এবং সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা সৃষ্টির বিষয়টি ছিলো একটি বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের অংশ। গুইমারা রামসু বাজারে আখ্র মারমা, আথুইপ্রু মারমা ও থৈইচিং মারমা হত্যায় জড়িত সকল ইউপিডিএফ সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় আনতে হবে, অন্যথায় পিসিসিপি আরো কঠোর কর্মসূচি পালন করবে।