, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে বান্দরবান জেলা কাঠ ব্যবসায়ী সমিতি, ৩০০ জনকে ২ লাখ টাকা আর্থিক সহায়তা বান্দরবানে গাউছিয়া কমিটির উদ্যোগে বন্যার্ত ৩০০ পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ বান্দরবানে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ২০০ পরিবারের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ বিশেষ অভিযানে উদ্ধার ১০ হারানো মোবাইল, প্রকৃত মালিকদের হাতে ফিরিয়ে দিল বান্দরবান সদর থানা বান্দরবানে বন্যাদুর্গত ৭৫ পরিবারের মাঝে বিজিবির ত্রাণ বিতরণ বন্যাদুর্গতদের পাশে বান্দরবান বিজিবি, ১০০ পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ বান্দরবানে সেনাবাহিনীর অভিযানে প্রায় ১৫ লাখ টাকার অবৈধ কাঠ জব্দ তিন পার্বত্য জেলায় ৫৪ শতাংশ বাঙালির আয়কর মওকুফ ও বাজারফান্ড এলাকায় ব্যাংক ঋণ পুনরায় চালুর দাবি বান্দরবানে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিলের ঈদ উপহার বিতরণ সংরক্ষিত মহিলা আসনের এমপি এডভোকেট মাধবী মার্মা বান্দরবানের দুর্গম পাহাড়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে সেনাবাহিনীর শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ

রাতের আঁধারে কাঠ পাচারকালে টংকাবতী রেঞ্জে ট্রাক আটক, জব্দ ৫৫০ ঘনফুট জ্বালানি কাঠ

  • প্রকাশের সময় : ০৬:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৬২ পড়া হয়েছে

বান্দরবান প্রতিনিধি:
বান্দরবান সদর উপজেলার টংকাবতী রেঞ্জে রাতের আঁধারে কাঠ পাচারের সময় একটি ট্রাক আটক করেছে বন বিভাগ। এ সময় ট্রাক থেকে বিপুল পরিমাণ অবৈধ জ্বালানি কাঠ জব্দ করা হয়।
বন বিভাগ সূত্রে জানা যায়, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ খ্রি. রাত আনুমানিক ১০টার দিকে সদর বন রেঞ্জাধীন সুয়ালক ইউনিয়নের কদুখোলা এলাকা থেকে আসা একটি জ্বালানিবাহী ট্রাকের গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হলে তাৎক্ষণিক অভিযান পরিচালনা করা হয়। টংকাবতী রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. রাফি-উদ-দৌলা সরদার সঙ্গীয় স্টাফদের সহায়তায় ট্রাকটি আটক ও জব্দ করেন।
তল্লাশি করে ট্রাকটিতে অবৈধভাবে পরিবহনকৃত প্রায় ৫৫০ ঘনফুট বিভিন্ন প্রজাতির জ্বালানি কাঠ পাওয়া যায়। বন বিভাগের দাবি, কাঠগুলো বৈধ কাগজপত্র ছাড়াই পাচারের উদ্দেশ্যে আনা হচ্ছিল। জব্দকৃত কাঠ ও ট্রাক রেঞ্জ কার্যালয়ের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
এ ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বন আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে নিশ্চিত করেছেন কর্মকর্তারা। জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে।
টংকাবতী রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. রাফি-উদ-দৌলা সরদার বলেন, বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. তৌফিকুল ইসলামের কঠোর নির্দেশনায় বন অপরাধ দমনে নিয়মিত টহল ও বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। পাহাড়ি এলাকায় অবৈধভাবে গাছ কাটা ও কাঠ পাচার রোধে বন বিভাগ সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
তিনি আরও জানান, বনজ সম্পদ দেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক সম্পদ। এসব সম্পদ রক্ষা করা শুধু বন বিভাগের দায়িত্ব নয়, বরং স্থানীয় জনগণকেও এ বিষয়ে সচেতন হতে হবে। বন উজাড় ও অবৈধ কাঠ পরিবহনের বিরুদ্ধে অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
স্থানীয়রা জানান, সম্প্রতি এলাকায় বন বিভাগের নজরদারি বৃদ্ধি পেয়েছে, ফলে কাঠ পাচারকারীরা নানা কৌশল অবলম্বন করছে। তবে নিয়মিত অভিযান ও কঠোর অবস্থানের কারণে পাচারচক্রের কার্যক্রম অনেকটাই ব্যাহত হচ্ছে বলে তারা মনে করছেন।

জনপ্রিয়

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে বান্দরবান জেলা কাঠ ব্যবসায়ী সমিতি, ৩০০ জনকে ২ লাখ টাকা আর্থিক সহায়তা

error: Content is protected !!

রাতের আঁধারে কাঠ পাচারকালে টংকাবতী রেঞ্জে ট্রাক আটক, জব্দ ৫৫০ ঘনফুট জ্বালানি কাঠ

প্রকাশের সময় : ০৬:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বান্দরবান প্রতিনিধি:
বান্দরবান সদর উপজেলার টংকাবতী রেঞ্জে রাতের আঁধারে কাঠ পাচারের সময় একটি ট্রাক আটক করেছে বন বিভাগ। এ সময় ট্রাক থেকে বিপুল পরিমাণ অবৈধ জ্বালানি কাঠ জব্দ করা হয়।
বন বিভাগ সূত্রে জানা যায়, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ খ্রি. রাত আনুমানিক ১০টার দিকে সদর বন রেঞ্জাধীন সুয়ালক ইউনিয়নের কদুখোলা এলাকা থেকে আসা একটি জ্বালানিবাহী ট্রাকের গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হলে তাৎক্ষণিক অভিযান পরিচালনা করা হয়। টংকাবতী রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. রাফি-উদ-দৌলা সরদার সঙ্গীয় স্টাফদের সহায়তায় ট্রাকটি আটক ও জব্দ করেন।
তল্লাশি করে ট্রাকটিতে অবৈধভাবে পরিবহনকৃত প্রায় ৫৫০ ঘনফুট বিভিন্ন প্রজাতির জ্বালানি কাঠ পাওয়া যায়। বন বিভাগের দাবি, কাঠগুলো বৈধ কাগজপত্র ছাড়াই পাচারের উদ্দেশ্যে আনা হচ্ছিল। জব্দকৃত কাঠ ও ট্রাক রেঞ্জ কার্যালয়ের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
এ ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বন আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে নিশ্চিত করেছেন কর্মকর্তারা। জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে।
টংকাবতী রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. রাফি-উদ-দৌলা সরদার বলেন, বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. তৌফিকুল ইসলামের কঠোর নির্দেশনায় বন অপরাধ দমনে নিয়মিত টহল ও বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। পাহাড়ি এলাকায় অবৈধভাবে গাছ কাটা ও কাঠ পাচার রোধে বন বিভাগ সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
তিনি আরও জানান, বনজ সম্পদ দেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক সম্পদ। এসব সম্পদ রক্ষা করা শুধু বন বিভাগের দায়িত্ব নয়, বরং স্থানীয় জনগণকেও এ বিষয়ে সচেতন হতে হবে। বন উজাড় ও অবৈধ কাঠ পরিবহনের বিরুদ্ধে অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
স্থানীয়রা জানান, সম্প্রতি এলাকায় বন বিভাগের নজরদারি বৃদ্ধি পেয়েছে, ফলে কাঠ পাচারকারীরা নানা কৌশল অবলম্বন করছে। তবে নিয়মিত অভিযান ও কঠোর অবস্থানের কারণে পাচারচক্রের কার্যক্রম অনেকটাই ব্যাহত হচ্ছে বলে তারা মনে করছেন।