, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে মাটির নিচে লুকানো ১ লাখ ইয়াবা উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১ বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের নতুন অন্তর্বর্তীকালীন পরিষদের দায়িত্ব গ্রহণ মাম্যাচিংকে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান করায় উচ্ছ্বসিত বিএনপি, বান্দরবানে আনন্দ মিছিল অতি শীঘ্রই উপজেলা-পৌরসভা-ইউনিয়ন পর্যায়ে প্রার্থী ঘোষণা করবে এনসিপি: সারজিস আলম বান্দরবান নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার সীমান্তে ৪৯ হাজার ৯৮২ পিস ইয়াবা উদ্ধার বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ পুনর্গঠন, চেয়ারম্যান মাম্যাচিং বান্দরবানে ১ সেপ্টেম্বর যাত্রা শুরু করছে ‘সাথী’ পার্সেল ডেলিভারি থেকে বাজার-ওষুধ পৌঁছে দেওয়া—এক প্ল্যাটফর্মেই মিলবে নানা অন-ডিমান্ড সেবা ‘৬ রবিউল আউয়াল সকল ঈদের সেরা ঈদ’—বটতলীতে ঈদে মিলাদুন্নবী উদযাপন পার্বত্য চট্টগ্রামে সশস্ত্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর বেপরোয়া চাঁদাবাজি বন্ধের দাবিতে বান্দরবানে মানববন্ধন মোল্লার বাজারে জুয়া ও মাদকের ভয়াল বিস্তার, আতঙ্কে এলাকাবাসী

রাতের আঁধারে কাঠ পাচারকালে টংকাবতী রেঞ্জে ট্রাক আটক, জব্দ ৫৫০ ঘনফুট জ্বালানি কাঠ

  • প্রকাশের সময় : ০৬:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৭৬ পড়া হয়েছে

বান্দরবান প্রতিনিধি:
বান্দরবান সদর উপজেলার টংকাবতী রেঞ্জে রাতের আঁধারে কাঠ পাচারের সময় একটি ট্রাক আটক করেছে বন বিভাগ। এ সময় ট্রাক থেকে বিপুল পরিমাণ অবৈধ জ্বালানি কাঠ জব্দ করা হয়।
বন বিভাগ সূত্রে জানা যায়, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ খ্রি. রাত আনুমানিক ১০টার দিকে সদর বন রেঞ্জাধীন সুয়ালক ইউনিয়নের কদুখোলা এলাকা থেকে আসা একটি জ্বালানিবাহী ট্রাকের গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হলে তাৎক্ষণিক অভিযান পরিচালনা করা হয়। টংকাবতী রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. রাফি-উদ-দৌলা সরদার সঙ্গীয় স্টাফদের সহায়তায় ট্রাকটি আটক ও জব্দ করেন।
তল্লাশি করে ট্রাকটিতে অবৈধভাবে পরিবহনকৃত প্রায় ৫৫০ ঘনফুট বিভিন্ন প্রজাতির জ্বালানি কাঠ পাওয়া যায়। বন বিভাগের দাবি, কাঠগুলো বৈধ কাগজপত্র ছাড়াই পাচারের উদ্দেশ্যে আনা হচ্ছিল। জব্দকৃত কাঠ ও ট্রাক রেঞ্জ কার্যালয়ের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
এ ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বন আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে নিশ্চিত করেছেন কর্মকর্তারা। জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে।
টংকাবতী রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. রাফি-উদ-দৌলা সরদার বলেন, বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. তৌফিকুল ইসলামের কঠোর নির্দেশনায় বন অপরাধ দমনে নিয়মিত টহল ও বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। পাহাড়ি এলাকায় অবৈধভাবে গাছ কাটা ও কাঠ পাচার রোধে বন বিভাগ সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
তিনি আরও জানান, বনজ সম্পদ দেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক সম্পদ। এসব সম্পদ রক্ষা করা শুধু বন বিভাগের দায়িত্ব নয়, বরং স্থানীয় জনগণকেও এ বিষয়ে সচেতন হতে হবে। বন উজাড় ও অবৈধ কাঠ পরিবহনের বিরুদ্ধে অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
স্থানীয়রা জানান, সম্প্রতি এলাকায় বন বিভাগের নজরদারি বৃদ্ধি পেয়েছে, ফলে কাঠ পাচারকারীরা নানা কৌশল অবলম্বন করছে। তবে নিয়মিত অভিযান ও কঠোর অবস্থানের কারণে পাচারচক্রের কার্যক্রম অনেকটাই ব্যাহত হচ্ছে বলে তারা মনে করছেন।

জনপ্রিয়

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে মাটির নিচে লুকানো ১ লাখ ইয়াবা উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১

error: Content is protected !!

রাতের আঁধারে কাঠ পাচারকালে টংকাবতী রেঞ্জে ট্রাক আটক, জব্দ ৫৫০ ঘনফুট জ্বালানি কাঠ

প্রকাশের সময় : ০৬:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বান্দরবান প্রতিনিধি:
বান্দরবান সদর উপজেলার টংকাবতী রেঞ্জে রাতের আঁধারে কাঠ পাচারের সময় একটি ট্রাক আটক করেছে বন বিভাগ। এ সময় ট্রাক থেকে বিপুল পরিমাণ অবৈধ জ্বালানি কাঠ জব্দ করা হয়।
বন বিভাগ সূত্রে জানা যায়, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ খ্রি. রাত আনুমানিক ১০টার দিকে সদর বন রেঞ্জাধীন সুয়ালক ইউনিয়নের কদুখোলা এলাকা থেকে আসা একটি জ্বালানিবাহী ট্রাকের গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হলে তাৎক্ষণিক অভিযান পরিচালনা করা হয়। টংকাবতী রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. রাফি-উদ-দৌলা সরদার সঙ্গীয় স্টাফদের সহায়তায় ট্রাকটি আটক ও জব্দ করেন।
তল্লাশি করে ট্রাকটিতে অবৈধভাবে পরিবহনকৃত প্রায় ৫৫০ ঘনফুট বিভিন্ন প্রজাতির জ্বালানি কাঠ পাওয়া যায়। বন বিভাগের দাবি, কাঠগুলো বৈধ কাগজপত্র ছাড়াই পাচারের উদ্দেশ্যে আনা হচ্ছিল। জব্দকৃত কাঠ ও ট্রাক রেঞ্জ কার্যালয়ের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
এ ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বন আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে নিশ্চিত করেছেন কর্মকর্তারা। জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে।
টংকাবতী রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. রাফি-উদ-দৌলা সরদার বলেন, বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. তৌফিকুল ইসলামের কঠোর নির্দেশনায় বন অপরাধ দমনে নিয়মিত টহল ও বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। পাহাড়ি এলাকায় অবৈধভাবে গাছ কাটা ও কাঠ পাচার রোধে বন বিভাগ সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
তিনি আরও জানান, বনজ সম্পদ দেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক সম্পদ। এসব সম্পদ রক্ষা করা শুধু বন বিভাগের দায়িত্ব নয়, বরং স্থানীয় জনগণকেও এ বিষয়ে সচেতন হতে হবে। বন উজাড় ও অবৈধ কাঠ পরিবহনের বিরুদ্ধে অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
স্থানীয়রা জানান, সম্প্রতি এলাকায় বন বিভাগের নজরদারি বৃদ্ধি পেয়েছে, ফলে কাঠ পাচারকারীরা নানা কৌশল অবলম্বন করছে। তবে নিয়মিত অভিযান ও কঠোর অবস্থানের কারণে পাচারচক্রের কার্যক্রম অনেকটাই ব্যাহত হচ্ছে বলে তারা মনে করছেন।