, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পূজায় নিরাপত্তা নিশ্চিতে বান্দরবানে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন, আনসার-ভিডিপি জেলা কমান্ড্যান্ট শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে বান্দরবান সেনা জোনের আর্থিক অনুদান বিতরণ বান্দরবানে সাকসেস একাডেমিক অ্যান্ড অ্যাডমিশন কেয়ারের অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত ক্যান্সার আক্রান্ত আসমার পাশে মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী, চিকিৎসায় নগদ অর্থ সহায়তা সূর্যমুখী শিশু কিশোর ফাউন্ডেশন এর ২৯ তম প্রতিষ্ঠা, শিক্ষা উপকরণ ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত। বান্দরবানে আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবস পালিত জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে ৭ মাসের শিশু আহাদ, বাঁচাতে প্রয়োজন মানবিক সহযোগিতা। বান্দরবানের বালাঘাটার শিশু আব্দুল্লাহ আল আহাদ চট্টগ্রামের ইম্পেরিয়াল হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে; চিকিৎসার ব্যয় নিয়ে দুশ্চিন্তায় পরিবার  লামায় নদীর ঘাটে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালালো পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র পরিষদ বান্দরবানে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে বিএনপির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত, অংশ নিলেন মাধবী মার্মা এমপি

বান্দরবানের ওয়াব্দা ব্রিজে প্রতিদিন যানজট ও দখলবাজি

  • প্রকাশের সময় : ০৬:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৫
  • ১৪৯ পড়া হয়েছে

রনি সিকদার,বান্দরবান প্রতিনিধি।

বান্দরবানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সড়ক সংযোগস্থল ওয়াবদা ব্রিজ এখন স্থানীয়দের ভোগান্তির আরেক নাম। এই ব্রিজের ওপর দিয়ে প্রতিদিন শত শত গাড়ি চলাচল করে, কারণ এটি জেলার প্রধান হাইওয়ে রোডের মূল সংযোগপথ। কিন্তু ব্রিজটির আকার ছোট হওয়ায় নিয়মিতই এখানে দেখা দেয় তীব্র যানজট। ফলে অফিসগামী মানুষ, শিক্ষার্থী এবং সাধারণ যাত্রীরা পড়ছেন চরম দুর্ভোগে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, সামান্য ট্রাক বা বাস উঠলেই ব্রিজের দুই পাশে লম্বা যানজট লেগে যায়। ছোট ব্রিজে এমন চাপ সহ্য করতে না পারায় যানবাহনের গতি কমে আসে, কখনো কখনো ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকে থাকতে হয় চালক ও যাত্রীদের।

এদিকে ব্রিজের আশপাশের সরকারি জায়গা দখল করে রাতারাতি গড়ে উঠছে দোকানপাট ও ঘরবাড়ি। এসব অবৈধ স্থাপনা শুধু রাস্তা সংকুচিতই করছে না, বরং ব্রিজের আশপাশে দুর্ঘটনার আশঙ্কাও বাড়িয়ে তুলেছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, “ওয়াবদা ব্রিজ বান্দরবানের যোগাযোগের একটি প্রধান রক্তনালী। অথচ দখল আর অব্যবস্থাপনায় এটি এখন বিপর্যয়ের মুখে।” তারা দ্রুত দখলমুক্ত অভিযান ও ব্রিজটি সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
আরো বলেন, এখানকার এই ম্যাকছি ঝিরি দখলবাজদের কারণে এখন এত ছোট হয়ে গেছে যে এটি দিয়ে পানি নিষ্কাশিত হয় না। ফলে বর্ষা মৌসুমে ঝিরিতে পানি আটকে জলাবদ্ধতার মুখোমুখি হতে হয়। তাই প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এই দখল অভিযান পরিচালনা করে বর্ষার পানি থেকে আমাদেরকে রক্ষা করে।

সচেতন মহলের মতে, ব্রিজটি দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের অপেক্ষায় রয়েছে। প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ না নিলে অচিরেই এই গুরুত্বপূর্ণ সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা বড় বিপর্যয়ের দিকে যেতে পারে এবং যারা রাস্তার পাশে সরকারি জায়গা দখল করে দোকান করছে তাদেরকে যত তারাতাড়ি দখল মুক্ত করতে হবে তাতে অনেক বড় দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পাবে সাধারণ মানুষ।

জনপ্রিয়

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পূজায় নিরাপত্তা নিশ্চিতে বান্দরবানে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন, আনসার-ভিডিপি জেলা কমান্ড্যান্ট

error: Content is protected !!

বান্দরবানের ওয়াব্দা ব্রিজে প্রতিদিন যানজট ও দখলবাজি

প্রকাশের সময় : ০৬:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৫

রনি সিকদার,বান্দরবান প্রতিনিধি।

বান্দরবানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সড়ক সংযোগস্থল ওয়াবদা ব্রিজ এখন স্থানীয়দের ভোগান্তির আরেক নাম। এই ব্রিজের ওপর দিয়ে প্রতিদিন শত শত গাড়ি চলাচল করে, কারণ এটি জেলার প্রধান হাইওয়ে রোডের মূল সংযোগপথ। কিন্তু ব্রিজটির আকার ছোট হওয়ায় নিয়মিতই এখানে দেখা দেয় তীব্র যানজট। ফলে অফিসগামী মানুষ, শিক্ষার্থী এবং সাধারণ যাত্রীরা পড়ছেন চরম দুর্ভোগে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, সামান্য ট্রাক বা বাস উঠলেই ব্রিজের দুই পাশে লম্বা যানজট লেগে যায়। ছোট ব্রিজে এমন চাপ সহ্য করতে না পারায় যানবাহনের গতি কমে আসে, কখনো কখনো ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকে থাকতে হয় চালক ও যাত্রীদের।

এদিকে ব্রিজের আশপাশের সরকারি জায়গা দখল করে রাতারাতি গড়ে উঠছে দোকানপাট ও ঘরবাড়ি। এসব অবৈধ স্থাপনা শুধু রাস্তা সংকুচিতই করছে না, বরং ব্রিজের আশপাশে দুর্ঘটনার আশঙ্কাও বাড়িয়ে তুলেছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, “ওয়াবদা ব্রিজ বান্দরবানের যোগাযোগের একটি প্রধান রক্তনালী। অথচ দখল আর অব্যবস্থাপনায় এটি এখন বিপর্যয়ের মুখে।” তারা দ্রুত দখলমুক্ত অভিযান ও ব্রিজটি সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
আরো বলেন, এখানকার এই ম্যাকছি ঝিরি দখলবাজদের কারণে এখন এত ছোট হয়ে গেছে যে এটি দিয়ে পানি নিষ্কাশিত হয় না। ফলে বর্ষা মৌসুমে ঝিরিতে পানি আটকে জলাবদ্ধতার মুখোমুখি হতে হয়। তাই প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এই দখল অভিযান পরিচালনা করে বর্ষার পানি থেকে আমাদেরকে রক্ষা করে।

সচেতন মহলের মতে, ব্রিজটি দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের অপেক্ষায় রয়েছে। প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ না নিলে অচিরেই এই গুরুত্বপূর্ণ সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা বড় বিপর্যয়ের দিকে যেতে পারে এবং যারা রাস্তার পাশে সরকারি জায়গা দখল করে দোকান করছে তাদেরকে যত তারাতাড়ি দখল মুক্ত করতে হবে তাতে অনেক বড় দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পাবে সাধারণ মানুষ।