, রবিবার, ০১ মার্চ ২০২৬, ১৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
পার্বত্য চট্টগ্রামে পরিষদ নির্বাচন ও সেনাক্যাম্প পুনঃস্থাপনের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন বান্দরবান সেনা জোনের উদ্যোগে ৫০০ পরিবার ও এতিমখানায় সেহরি-ইফতার সামগ্রী বিতরণ রাতের আঁধারে কাঠ পাচারকালে টংকাবতী রেঞ্জে ট্রাক আটক, জব্দ ৫৫০ ঘনফুট জ্বালানি কাঠ বান্দরবানে সেনাবাহিনীর সঙ্গে গোলাগুলি, জেএসএস সদস্য নিহত বান্দরবান-৩০০ আসনের ধানের শীষ প্রার্থী সাচিং প্রু জেরীর গণসংবর্ধনা বান্দরবানে জিয়া মঞ্চের যুগ্ন আহবায়ক মো. আবু তৈয়ব এর উপর নৃশংস হামলার প্রতিবাদ ও হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধন বান্দরবান ইসলামী শিক্ষা কেন্দ্রের সহকারী পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব নিলেন মাওলানা ফরিদুল আলম বড়বিলে এক হাজার অসহায়-দুস্থ পরিবারের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ, ২৫ এতিমখানায় নগদ সহায়তা আসন্ন নির্বাচন ঘিরে বান্দরবানে সেনা জোনের মতবিনিময় সভা ও যৌথ বাহিনীর মহড়া রোয়াংছড়ি তারাছা ইউনিয়নের ভোটারদের সঙ্গে মতবিনিময় করলেন বিএনপি’র প্রার্থী সাচিং প্রু জেরী

বান্দরবানে চাঞ্চল্যকর চুরির ঘটনার রহস্য উদঘাটন, চোরাই স্বর্ণালংকার উদ্ধার ও আসামি গ্রেফতার

  • প্রকাশের সময় : ০৮:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ নভেম্বর ২০২৫
  • ৭৯ পড়া হয়েছে

Oplus_131072

নিউজ ডেস্ক :

বান্দরবান সদর থানাধীন বালাঘাটা এলাকায় চাঞ্চল্যকর চুরির ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ। ঘটনায় জড়িত মূল আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং উদ্ধার করা হয়েছে চোরাই স্বর্ণালংকারের একটি বড় অংশ।

আজ সোমবার (১০ নভেম্বর) দুপুরে বান্দরবান পুলিশ সুপার কার্যালয়ে সভা কক্ষে সাংবাদিকদের এসব কথা জানান পুলিশ সুপার মো.শহিদুল্লাহ কাওছার।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ০৪ নভেম্বর থেকে ০৭ নভেম্বর পর্যন্ত সময়ের মধ্যে বান্দরবান পৌরসভার ০২নং ওয়ার্ডের বালাঘাটা মাছ বাজারের পেছনে আবু সায়েম মুরাদের বাড়িতে এ চুরির ঘটনা ঘটে।

অভিযোগকারী মিনহাজুল আবরার ফয়সাল (২৯), পিতা মৃত মাহবুব আলম বান্দরবান টিএনটি এলাকার বাসিন্দা, তিনি থানায় অভিযোগ দায়ের করেন যে, তাদের অনুপস্থিতির সুযোগে অজ্ঞাত চোরেরা ঘরে ঢুকে আলমারি ভেঙে প্রায় ২৭ ভরি ৮ আনা স্বর্ণালংকার চুরি করে নিয়ে যায়।

ঘটনার পর ০৭ নভেম্বর বান্দরবান সদর থানায় মামলা করেন, মামলা নং-৫,ধারা ৪৫৭/৩৮০/৪৬১ পেনাল কোডে মামলা দায়ের করা হয়।

এরপর পুলিশ সুপার মো. শহিদুল্লাহ কাওছার পিপিএম (বার)-এর সার্বিক নির্দেশনায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল), অফিসার ইনচার্জ ও সদর থানা পুলিশের একাধিক আভিযানিক দল মাঠে নামে। পুলিশের টিমের তৎপরতায় মাত্র ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই ঘটনার সাথে জড়িত মূল আসামি মো. ইদ্রিছ (৪২), পিতা মৃত মকবুল আহাম্মদ কে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত আসামির কাছ থেকে মোট ১১ ভরি ১ আনা ৫ রতি ১ পয়েন্ট স্বর্ণালংকার উদ্ধার করা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে —

স্বর্ণের চুড়ি, চেইন, আংটি, হার, দুল, লকেটসহ মোট ১১ প্রকার অলংকার।

জিজ্ঞাসাবাদে ইদ্রিছ স্বীকার করেছে যে, গত ০৪ নভেম্বর গভীর রাতে বাড়ির লোকজন অনুপস্থিত থাকাকালে সে ঘরে প্রবেশ করে স্বর্ণালংকারগুলো চুরি করে।

এই সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবদুল করিম,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ( ক্রাইম এন্ড অপ্স) জিনিয়া চাকমা,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (জেলা বিশেষ শাখা) মো.ফরহাদ সরদার,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ( সদর সার্কেল) মান্না দে,অফিসার ইনচার্জ বান্দরবান সদর থানা মো.মাসুদ পারভেজ,প্রেসক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক এন এ জাকিরসহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকেরা উপস্থিত ছিলেন।

জনপ্রিয়

পার্বত্য চট্টগ্রামে পরিষদ নির্বাচন ও সেনাক্যাম্প পুনঃস্থাপনের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

error: Content is protected !!

বান্দরবানে চাঞ্চল্যকর চুরির ঘটনার রহস্য উদঘাটন, চোরাই স্বর্ণালংকার উদ্ধার ও আসামি গ্রেফতার

প্রকাশের সময় : ০৮:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ নভেম্বর ২০২৫

নিউজ ডেস্ক :

বান্দরবান সদর থানাধীন বালাঘাটা এলাকায় চাঞ্চল্যকর চুরির ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ। ঘটনায় জড়িত মূল আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং উদ্ধার করা হয়েছে চোরাই স্বর্ণালংকারের একটি বড় অংশ।

আজ সোমবার (১০ নভেম্বর) দুপুরে বান্দরবান পুলিশ সুপার কার্যালয়ে সভা কক্ষে সাংবাদিকদের এসব কথা জানান পুলিশ সুপার মো.শহিদুল্লাহ কাওছার।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ০৪ নভেম্বর থেকে ০৭ নভেম্বর পর্যন্ত সময়ের মধ্যে বান্দরবান পৌরসভার ০২নং ওয়ার্ডের বালাঘাটা মাছ বাজারের পেছনে আবু সায়েম মুরাদের বাড়িতে এ চুরির ঘটনা ঘটে।

অভিযোগকারী মিনহাজুল আবরার ফয়সাল (২৯), পিতা মৃত মাহবুব আলম বান্দরবান টিএনটি এলাকার বাসিন্দা, তিনি থানায় অভিযোগ দায়ের করেন যে, তাদের অনুপস্থিতির সুযোগে অজ্ঞাত চোরেরা ঘরে ঢুকে আলমারি ভেঙে প্রায় ২৭ ভরি ৮ আনা স্বর্ণালংকার চুরি করে নিয়ে যায়।

ঘটনার পর ০৭ নভেম্বর বান্দরবান সদর থানায় মামলা করেন, মামলা নং-৫,ধারা ৪৫৭/৩৮০/৪৬১ পেনাল কোডে মামলা দায়ের করা হয়।

এরপর পুলিশ সুপার মো. শহিদুল্লাহ কাওছার পিপিএম (বার)-এর সার্বিক নির্দেশনায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল), অফিসার ইনচার্জ ও সদর থানা পুলিশের একাধিক আভিযানিক দল মাঠে নামে। পুলিশের টিমের তৎপরতায় মাত্র ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই ঘটনার সাথে জড়িত মূল আসামি মো. ইদ্রিছ (৪২), পিতা মৃত মকবুল আহাম্মদ কে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত আসামির কাছ থেকে মোট ১১ ভরি ১ আনা ৫ রতি ১ পয়েন্ট স্বর্ণালংকার উদ্ধার করা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে —

স্বর্ণের চুড়ি, চেইন, আংটি, হার, দুল, লকেটসহ মোট ১১ প্রকার অলংকার।

জিজ্ঞাসাবাদে ইদ্রিছ স্বীকার করেছে যে, গত ০৪ নভেম্বর গভীর রাতে বাড়ির লোকজন অনুপস্থিত থাকাকালে সে ঘরে প্রবেশ করে স্বর্ণালংকারগুলো চুরি করে।

এই সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবদুল করিম,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ( ক্রাইম এন্ড অপ্স) জিনিয়া চাকমা,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (জেলা বিশেষ শাখা) মো.ফরহাদ সরদার,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ( সদর সার্কেল) মান্না দে,অফিসার ইনচার্জ বান্দরবান সদর থানা মো.মাসুদ পারভেজ,প্রেসক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক এন এ জাকিরসহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকেরা উপস্থিত ছিলেন।