, মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬, ১৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ঈদুল আযহা উপলক্ষে বান্দরবানে এনসিপির ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত বান্দরবান পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডে প্রশাসনের নাকের ডগায় চুরি, মাদক ও কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য, আতঙ্কে এলাকাবাসী বান্দরবানে চাঁদাবাজি ও হুমকির অভিযোগে ছাত্রলীগ নেতা হাসান গণপিটুনির পর পুলিশে সোপর্দ নারী ও শিশু উন্নয়নে কাজের অঙ্গীকার সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি মাধবী মার্মার বান্দরবান সার্বজনীন কেন্দ্রীয় বৌদ্ধ বিহারের দ্বিবার্ষিকী নবগঠিত কমিটি গঠন ওয়ালটন ফ্রিজ কিনে ১০ লাখ টাকা পেলেন বান্দরবানের সুপ্রকাশ চাকমা বান্দরবানের দুর্গম পাহাড়ে সকল অসহায় পরিবারের ভাগ্য বদলাতে কাজ করবেন এমপি সাচিং প্রু জেরী। বান্দরবানে চেকপোস্টে ২১ রোহিঙ্গা আটক কাজুবাদাম ও কফি চাষে আধুনিক প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে রোয়াংছড়িতে প্রশিক্ষণ ও মাঠ দিবস আয়োজন বান্দরবানে মহান আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

বান্দরবানে চাঞ্চল্যকর চুরির ঘটনার রহস্য উদঘাটন, চোরাই স্বর্ণালংকার উদ্ধার ও আসামি গ্রেফতার

  • প্রকাশের সময় : ০৮:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ নভেম্বর ২০২৫
  • ১১৯ পড়া হয়েছে

Oplus_131072

নিউজ ডেস্ক :

বান্দরবান সদর থানাধীন বালাঘাটা এলাকায় চাঞ্চল্যকর চুরির ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ। ঘটনায় জড়িত মূল আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং উদ্ধার করা হয়েছে চোরাই স্বর্ণালংকারের একটি বড় অংশ।

আজ সোমবার (১০ নভেম্বর) দুপুরে বান্দরবান পুলিশ সুপার কার্যালয়ে সভা কক্ষে সাংবাদিকদের এসব কথা জানান পুলিশ সুপার মো.শহিদুল্লাহ কাওছার।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ০৪ নভেম্বর থেকে ০৭ নভেম্বর পর্যন্ত সময়ের মধ্যে বান্দরবান পৌরসভার ০২নং ওয়ার্ডের বালাঘাটা মাছ বাজারের পেছনে আবু সায়েম মুরাদের বাড়িতে এ চুরির ঘটনা ঘটে।

অভিযোগকারী মিনহাজুল আবরার ফয়সাল (২৯), পিতা মৃত মাহবুব আলম বান্দরবান টিএনটি এলাকার বাসিন্দা, তিনি থানায় অভিযোগ দায়ের করেন যে, তাদের অনুপস্থিতির সুযোগে অজ্ঞাত চোরেরা ঘরে ঢুকে আলমারি ভেঙে প্রায় ২৭ ভরি ৮ আনা স্বর্ণালংকার চুরি করে নিয়ে যায়।

ঘটনার পর ০৭ নভেম্বর বান্দরবান সদর থানায় মামলা করেন, মামলা নং-৫,ধারা ৪৫৭/৩৮০/৪৬১ পেনাল কোডে মামলা দায়ের করা হয়।

এরপর পুলিশ সুপার মো. শহিদুল্লাহ কাওছার পিপিএম (বার)-এর সার্বিক নির্দেশনায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল), অফিসার ইনচার্জ ও সদর থানা পুলিশের একাধিক আভিযানিক দল মাঠে নামে। পুলিশের টিমের তৎপরতায় মাত্র ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই ঘটনার সাথে জড়িত মূল আসামি মো. ইদ্রিছ (৪২), পিতা মৃত মকবুল আহাম্মদ কে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত আসামির কাছ থেকে মোট ১১ ভরি ১ আনা ৫ রতি ১ পয়েন্ট স্বর্ণালংকার উদ্ধার করা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে —

স্বর্ণের চুড়ি, চেইন, আংটি, হার, দুল, লকেটসহ মোট ১১ প্রকার অলংকার।

জিজ্ঞাসাবাদে ইদ্রিছ স্বীকার করেছে যে, গত ০৪ নভেম্বর গভীর রাতে বাড়ির লোকজন অনুপস্থিত থাকাকালে সে ঘরে প্রবেশ করে স্বর্ণালংকারগুলো চুরি করে।

এই সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবদুল করিম,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ( ক্রাইম এন্ড অপ্স) জিনিয়া চাকমা,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (জেলা বিশেষ শাখা) মো.ফরহাদ সরদার,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ( সদর সার্কেল) মান্না দে,অফিসার ইনচার্জ বান্দরবান সদর থানা মো.মাসুদ পারভেজ,প্রেসক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক এন এ জাকিরসহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকেরা উপস্থিত ছিলেন।

ঈদুল আযহা উপলক্ষে বান্দরবানে এনসিপির ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত

error: Content is protected !!

বান্দরবানে চাঞ্চল্যকর চুরির ঘটনার রহস্য উদঘাটন, চোরাই স্বর্ণালংকার উদ্ধার ও আসামি গ্রেফতার

প্রকাশের সময় : ০৮:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ নভেম্বর ২০২৫

নিউজ ডেস্ক :

বান্দরবান সদর থানাধীন বালাঘাটা এলাকায় চাঞ্চল্যকর চুরির ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ। ঘটনায় জড়িত মূল আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং উদ্ধার করা হয়েছে চোরাই স্বর্ণালংকারের একটি বড় অংশ।

আজ সোমবার (১০ নভেম্বর) দুপুরে বান্দরবান পুলিশ সুপার কার্যালয়ে সভা কক্ষে সাংবাদিকদের এসব কথা জানান পুলিশ সুপার মো.শহিদুল্লাহ কাওছার।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ০৪ নভেম্বর থেকে ০৭ নভেম্বর পর্যন্ত সময়ের মধ্যে বান্দরবান পৌরসভার ০২নং ওয়ার্ডের বালাঘাটা মাছ বাজারের পেছনে আবু সায়েম মুরাদের বাড়িতে এ চুরির ঘটনা ঘটে।

অভিযোগকারী মিনহাজুল আবরার ফয়সাল (২৯), পিতা মৃত মাহবুব আলম বান্দরবান টিএনটি এলাকার বাসিন্দা, তিনি থানায় অভিযোগ দায়ের করেন যে, তাদের অনুপস্থিতির সুযোগে অজ্ঞাত চোরেরা ঘরে ঢুকে আলমারি ভেঙে প্রায় ২৭ ভরি ৮ আনা স্বর্ণালংকার চুরি করে নিয়ে যায়।

ঘটনার পর ০৭ নভেম্বর বান্দরবান সদর থানায় মামলা করেন, মামলা নং-৫,ধারা ৪৫৭/৩৮০/৪৬১ পেনাল কোডে মামলা দায়ের করা হয়।

এরপর পুলিশ সুপার মো. শহিদুল্লাহ কাওছার পিপিএম (বার)-এর সার্বিক নির্দেশনায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল), অফিসার ইনচার্জ ও সদর থানা পুলিশের একাধিক আভিযানিক দল মাঠে নামে। পুলিশের টিমের তৎপরতায় মাত্র ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই ঘটনার সাথে জড়িত মূল আসামি মো. ইদ্রিছ (৪২), পিতা মৃত মকবুল আহাম্মদ কে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত আসামির কাছ থেকে মোট ১১ ভরি ১ আনা ৫ রতি ১ পয়েন্ট স্বর্ণালংকার উদ্ধার করা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে —

স্বর্ণের চুড়ি, চেইন, আংটি, হার, দুল, লকেটসহ মোট ১১ প্রকার অলংকার।

জিজ্ঞাসাবাদে ইদ্রিছ স্বীকার করেছে যে, গত ০৪ নভেম্বর গভীর রাতে বাড়ির লোকজন অনুপস্থিত থাকাকালে সে ঘরে প্রবেশ করে স্বর্ণালংকারগুলো চুরি করে।

এই সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবদুল করিম,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ( ক্রাইম এন্ড অপ্স) জিনিয়া চাকমা,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (জেলা বিশেষ শাখা) মো.ফরহাদ সরদার,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ( সদর সার্কেল) মান্না দে,অফিসার ইনচার্জ বান্দরবান সদর থানা মো.মাসুদ পারভেজ,প্রেসক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক এন এ জাকিরসহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকেরা উপস্থিত ছিলেন।