, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পূজায় নিরাপত্তা নিশ্চিতে বান্দরবানে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন, আনসার-ভিডিপি জেলা কমান্ড্যান্ট শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে বান্দরবান সেনা জোনের আর্থিক অনুদান বিতরণ বান্দরবানে সাকসেস একাডেমিক অ্যান্ড অ্যাডমিশন কেয়ারের অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত ক্যান্সার আক্রান্ত আসমার পাশে মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী, চিকিৎসায় নগদ অর্থ সহায়তা সূর্যমুখী শিশু কিশোর ফাউন্ডেশন এর ২৯ তম প্রতিষ্ঠা, শিক্ষা উপকরণ ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত। বান্দরবানে আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবস পালিত জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে ৭ মাসের শিশু আহাদ, বাঁচাতে প্রয়োজন মানবিক সহযোগিতা। বান্দরবানের বালাঘাটার শিশু আব্দুল্লাহ আল আহাদ চট্টগ্রামের ইম্পেরিয়াল হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে; চিকিৎসার ব্যয় নিয়ে দুশ্চিন্তায় পরিবার  লামায় নদীর ঘাটে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালালো পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র পরিষদ বান্দরবানে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে বিএনপির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত, অংশ নিলেন মাধবী মার্মা এমপি

বান্দরবানে চাঞ্চল্যকর চুরির ঘটনার রহস্য উদঘাটন, চোরাই স্বর্ণালংকার উদ্ধার ও আসামি গ্রেফতার

  • প্রকাশের সময় : ০৮:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ নভেম্বর ২০২৫
  • ১৬৯ পড়া হয়েছে

Oplus_131072

নিউজ ডেস্ক :

বান্দরবান সদর থানাধীন বালাঘাটা এলাকায় চাঞ্চল্যকর চুরির ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ। ঘটনায় জড়িত মূল আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং উদ্ধার করা হয়েছে চোরাই স্বর্ণালংকারের একটি বড় অংশ।

আজ সোমবার (১০ নভেম্বর) দুপুরে বান্দরবান পুলিশ সুপার কার্যালয়ে সভা কক্ষে সাংবাদিকদের এসব কথা জানান পুলিশ সুপার মো.শহিদুল্লাহ কাওছার।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ০৪ নভেম্বর থেকে ০৭ নভেম্বর পর্যন্ত সময়ের মধ্যে বান্দরবান পৌরসভার ০২নং ওয়ার্ডের বালাঘাটা মাছ বাজারের পেছনে আবু সায়েম মুরাদের বাড়িতে এ চুরির ঘটনা ঘটে।

অভিযোগকারী মিনহাজুল আবরার ফয়সাল (২৯), পিতা মৃত মাহবুব আলম বান্দরবান টিএনটি এলাকার বাসিন্দা, তিনি থানায় অভিযোগ দায়ের করেন যে, তাদের অনুপস্থিতির সুযোগে অজ্ঞাত চোরেরা ঘরে ঢুকে আলমারি ভেঙে প্রায় ২৭ ভরি ৮ আনা স্বর্ণালংকার চুরি করে নিয়ে যায়।

ঘটনার পর ০৭ নভেম্বর বান্দরবান সদর থানায় মামলা করেন, মামলা নং-৫,ধারা ৪৫৭/৩৮০/৪৬১ পেনাল কোডে মামলা দায়ের করা হয়।

এরপর পুলিশ সুপার মো. শহিদুল্লাহ কাওছার পিপিএম (বার)-এর সার্বিক নির্দেশনায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল), অফিসার ইনচার্জ ও সদর থানা পুলিশের একাধিক আভিযানিক দল মাঠে নামে। পুলিশের টিমের তৎপরতায় মাত্র ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই ঘটনার সাথে জড়িত মূল আসামি মো. ইদ্রিছ (৪২), পিতা মৃত মকবুল আহাম্মদ কে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত আসামির কাছ থেকে মোট ১১ ভরি ১ আনা ৫ রতি ১ পয়েন্ট স্বর্ণালংকার উদ্ধার করা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে —

স্বর্ণের চুড়ি, চেইন, আংটি, হার, দুল, লকেটসহ মোট ১১ প্রকার অলংকার।

জিজ্ঞাসাবাদে ইদ্রিছ স্বীকার করেছে যে, গত ০৪ নভেম্বর গভীর রাতে বাড়ির লোকজন অনুপস্থিত থাকাকালে সে ঘরে প্রবেশ করে স্বর্ণালংকারগুলো চুরি করে।

এই সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবদুল করিম,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ( ক্রাইম এন্ড অপ্স) জিনিয়া চাকমা,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (জেলা বিশেষ শাখা) মো.ফরহাদ সরদার,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ( সদর সার্কেল) মান্না দে,অফিসার ইনচার্জ বান্দরবান সদর থানা মো.মাসুদ পারভেজ,প্রেসক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক এন এ জাকিরসহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকেরা উপস্থিত ছিলেন।

জনপ্রিয়

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পূজায় নিরাপত্তা নিশ্চিতে বান্দরবানে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন, আনসার-ভিডিপি জেলা কমান্ড্যান্ট

error: Content is protected !!

বান্দরবানে চাঞ্চল্যকর চুরির ঘটনার রহস্য উদঘাটন, চোরাই স্বর্ণালংকার উদ্ধার ও আসামি গ্রেফতার

প্রকাশের সময় : ০৮:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ নভেম্বর ২০২৫

নিউজ ডেস্ক :

বান্দরবান সদর থানাধীন বালাঘাটা এলাকায় চাঞ্চল্যকর চুরির ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ। ঘটনায় জড়িত মূল আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং উদ্ধার করা হয়েছে চোরাই স্বর্ণালংকারের একটি বড় অংশ।

আজ সোমবার (১০ নভেম্বর) দুপুরে বান্দরবান পুলিশ সুপার কার্যালয়ে সভা কক্ষে সাংবাদিকদের এসব কথা জানান পুলিশ সুপার মো.শহিদুল্লাহ কাওছার।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ০৪ নভেম্বর থেকে ০৭ নভেম্বর পর্যন্ত সময়ের মধ্যে বান্দরবান পৌরসভার ০২নং ওয়ার্ডের বালাঘাটা মাছ বাজারের পেছনে আবু সায়েম মুরাদের বাড়িতে এ চুরির ঘটনা ঘটে।

অভিযোগকারী মিনহাজুল আবরার ফয়সাল (২৯), পিতা মৃত মাহবুব আলম বান্দরবান টিএনটি এলাকার বাসিন্দা, তিনি থানায় অভিযোগ দায়ের করেন যে, তাদের অনুপস্থিতির সুযোগে অজ্ঞাত চোরেরা ঘরে ঢুকে আলমারি ভেঙে প্রায় ২৭ ভরি ৮ আনা স্বর্ণালংকার চুরি করে নিয়ে যায়।

ঘটনার পর ০৭ নভেম্বর বান্দরবান সদর থানায় মামলা করেন, মামলা নং-৫,ধারা ৪৫৭/৩৮০/৪৬১ পেনাল কোডে মামলা দায়ের করা হয়।

এরপর পুলিশ সুপার মো. শহিদুল্লাহ কাওছার পিপিএম (বার)-এর সার্বিক নির্দেশনায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল), অফিসার ইনচার্জ ও সদর থানা পুলিশের একাধিক আভিযানিক দল মাঠে নামে। পুলিশের টিমের তৎপরতায় মাত্র ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই ঘটনার সাথে জড়িত মূল আসামি মো. ইদ্রিছ (৪২), পিতা মৃত মকবুল আহাম্মদ কে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত আসামির কাছ থেকে মোট ১১ ভরি ১ আনা ৫ রতি ১ পয়েন্ট স্বর্ণালংকার উদ্ধার করা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে —

স্বর্ণের চুড়ি, চেইন, আংটি, হার, দুল, লকেটসহ মোট ১১ প্রকার অলংকার।

জিজ্ঞাসাবাদে ইদ্রিছ স্বীকার করেছে যে, গত ০৪ নভেম্বর গভীর রাতে বাড়ির লোকজন অনুপস্থিত থাকাকালে সে ঘরে প্রবেশ করে স্বর্ণালংকারগুলো চুরি করে।

এই সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবদুল করিম,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ( ক্রাইম এন্ড অপ্স) জিনিয়া চাকমা,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (জেলা বিশেষ শাখা) মো.ফরহাদ সরদার,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ( সদর সার্কেল) মান্না দে,অফিসার ইনচার্জ বান্দরবান সদর থানা মো.মাসুদ পারভেজ,প্রেসক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক এন এ জাকিরসহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকেরা উপস্থিত ছিলেন।