, শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬, ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে মাটির নিচে লুকানো ১ লাখ ইয়াবা উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১ বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের নতুন অন্তর্বর্তীকালীন পরিষদের দায়িত্ব গ্রহণ মাম্যাচিংকে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান করায় উচ্ছ্বসিত বিএনপি, বান্দরবানে আনন্দ মিছিল অতি শীঘ্রই উপজেলা-পৌরসভা-ইউনিয়ন পর্যায়ে প্রার্থী ঘোষণা করবে এনসিপি: সারজিস আলম বান্দরবান নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার সীমান্তে ৪৯ হাজার ৯৮২ পিস ইয়াবা উদ্ধার বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ পুনর্গঠন, চেয়ারম্যান মাম্যাচিং বান্দরবানে ১ সেপ্টেম্বর যাত্রা শুরু করছে ‘সাথী’ পার্সেল ডেলিভারি থেকে বাজার-ওষুধ পৌঁছে দেওয়া—এক প্ল্যাটফর্মেই মিলবে নানা অন-ডিমান্ড সেবা ‘৬ রবিউল আউয়াল সকল ঈদের সেরা ঈদ’—বটতলীতে ঈদে মিলাদুন্নবী উদযাপন পার্বত্য চট্টগ্রামে সশস্ত্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর বেপরোয়া চাঁদাবাজি বন্ধের দাবিতে বান্দরবানে মানববন্ধন মোল্লার বাজারে জুয়া ও মাদকের ভয়াল বিস্তার, আতঙ্কে এলাকাবাসী

বান্দরবানে চাঞ্চল্যকর চুরির ঘটনার রহস্য উদঘাটন, চোরাই স্বর্ণালংকার উদ্ধার ও আসামি গ্রেফতার

  • প্রকাশের সময় : ০৮:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ নভেম্বর ২০২৫
  • ১৫৩ পড়া হয়েছে

Oplus_131072

নিউজ ডেস্ক :

বান্দরবান সদর থানাধীন বালাঘাটা এলাকায় চাঞ্চল্যকর চুরির ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ। ঘটনায় জড়িত মূল আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং উদ্ধার করা হয়েছে চোরাই স্বর্ণালংকারের একটি বড় অংশ।

আজ সোমবার (১০ নভেম্বর) দুপুরে বান্দরবান পুলিশ সুপার কার্যালয়ে সভা কক্ষে সাংবাদিকদের এসব কথা জানান পুলিশ সুপার মো.শহিদুল্লাহ কাওছার।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ০৪ নভেম্বর থেকে ০৭ নভেম্বর পর্যন্ত সময়ের মধ্যে বান্দরবান পৌরসভার ০২নং ওয়ার্ডের বালাঘাটা মাছ বাজারের পেছনে আবু সায়েম মুরাদের বাড়িতে এ চুরির ঘটনা ঘটে।

অভিযোগকারী মিনহাজুল আবরার ফয়সাল (২৯), পিতা মৃত মাহবুব আলম বান্দরবান টিএনটি এলাকার বাসিন্দা, তিনি থানায় অভিযোগ দায়ের করেন যে, তাদের অনুপস্থিতির সুযোগে অজ্ঞাত চোরেরা ঘরে ঢুকে আলমারি ভেঙে প্রায় ২৭ ভরি ৮ আনা স্বর্ণালংকার চুরি করে নিয়ে যায়।

ঘটনার পর ০৭ নভেম্বর বান্দরবান সদর থানায় মামলা করেন, মামলা নং-৫,ধারা ৪৫৭/৩৮০/৪৬১ পেনাল কোডে মামলা দায়ের করা হয়।

এরপর পুলিশ সুপার মো. শহিদুল্লাহ কাওছার পিপিএম (বার)-এর সার্বিক নির্দেশনায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল), অফিসার ইনচার্জ ও সদর থানা পুলিশের একাধিক আভিযানিক দল মাঠে নামে। পুলিশের টিমের তৎপরতায় মাত্র ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই ঘটনার সাথে জড়িত মূল আসামি মো. ইদ্রিছ (৪২), পিতা মৃত মকবুল আহাম্মদ কে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত আসামির কাছ থেকে মোট ১১ ভরি ১ আনা ৫ রতি ১ পয়েন্ট স্বর্ণালংকার উদ্ধার করা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে —

স্বর্ণের চুড়ি, চেইন, আংটি, হার, দুল, লকেটসহ মোট ১১ প্রকার অলংকার।

জিজ্ঞাসাবাদে ইদ্রিছ স্বীকার করেছে যে, গত ০৪ নভেম্বর গভীর রাতে বাড়ির লোকজন অনুপস্থিত থাকাকালে সে ঘরে প্রবেশ করে স্বর্ণালংকারগুলো চুরি করে।

এই সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবদুল করিম,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ( ক্রাইম এন্ড অপ্স) জিনিয়া চাকমা,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (জেলা বিশেষ শাখা) মো.ফরহাদ সরদার,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ( সদর সার্কেল) মান্না দে,অফিসার ইনচার্জ বান্দরবান সদর থানা মো.মাসুদ পারভেজ,প্রেসক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক এন এ জাকিরসহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকেরা উপস্থিত ছিলেন।

জনপ্রিয়

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে মাটির নিচে লুকানো ১ লাখ ইয়াবা উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১

error: Content is protected !!

বান্দরবানে চাঞ্চল্যকর চুরির ঘটনার রহস্য উদঘাটন, চোরাই স্বর্ণালংকার উদ্ধার ও আসামি গ্রেফতার

প্রকাশের সময় : ০৮:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ নভেম্বর ২০২৫

নিউজ ডেস্ক :

বান্দরবান সদর থানাধীন বালাঘাটা এলাকায় চাঞ্চল্যকর চুরির ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ। ঘটনায় জড়িত মূল আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং উদ্ধার করা হয়েছে চোরাই স্বর্ণালংকারের একটি বড় অংশ।

আজ সোমবার (১০ নভেম্বর) দুপুরে বান্দরবান পুলিশ সুপার কার্যালয়ে সভা কক্ষে সাংবাদিকদের এসব কথা জানান পুলিশ সুপার মো.শহিদুল্লাহ কাওছার।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ০৪ নভেম্বর থেকে ০৭ নভেম্বর পর্যন্ত সময়ের মধ্যে বান্দরবান পৌরসভার ০২নং ওয়ার্ডের বালাঘাটা মাছ বাজারের পেছনে আবু সায়েম মুরাদের বাড়িতে এ চুরির ঘটনা ঘটে।

অভিযোগকারী মিনহাজুল আবরার ফয়সাল (২৯), পিতা মৃত মাহবুব আলম বান্দরবান টিএনটি এলাকার বাসিন্দা, তিনি থানায় অভিযোগ দায়ের করেন যে, তাদের অনুপস্থিতির সুযোগে অজ্ঞাত চোরেরা ঘরে ঢুকে আলমারি ভেঙে প্রায় ২৭ ভরি ৮ আনা স্বর্ণালংকার চুরি করে নিয়ে যায়।

ঘটনার পর ০৭ নভেম্বর বান্দরবান সদর থানায় মামলা করেন, মামলা নং-৫,ধারা ৪৫৭/৩৮০/৪৬১ পেনাল কোডে মামলা দায়ের করা হয়।

এরপর পুলিশ সুপার মো. শহিদুল্লাহ কাওছার পিপিএম (বার)-এর সার্বিক নির্দেশনায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল), অফিসার ইনচার্জ ও সদর থানা পুলিশের একাধিক আভিযানিক দল মাঠে নামে। পুলিশের টিমের তৎপরতায় মাত্র ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই ঘটনার সাথে জড়িত মূল আসামি মো. ইদ্রিছ (৪২), পিতা মৃত মকবুল আহাম্মদ কে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত আসামির কাছ থেকে মোট ১১ ভরি ১ আনা ৫ রতি ১ পয়েন্ট স্বর্ণালংকার উদ্ধার করা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে —

স্বর্ণের চুড়ি, চেইন, আংটি, হার, দুল, লকেটসহ মোট ১১ প্রকার অলংকার।

জিজ্ঞাসাবাদে ইদ্রিছ স্বীকার করেছে যে, গত ০৪ নভেম্বর গভীর রাতে বাড়ির লোকজন অনুপস্থিত থাকাকালে সে ঘরে প্রবেশ করে স্বর্ণালংকারগুলো চুরি করে।

এই সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবদুল করিম,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ( ক্রাইম এন্ড অপ্স) জিনিয়া চাকমা,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (জেলা বিশেষ শাখা) মো.ফরহাদ সরদার,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ( সদর সার্কেল) মান্না দে,অফিসার ইনচার্জ বান্দরবান সদর থানা মো.মাসুদ পারভেজ,প্রেসক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক এন এ জাকিরসহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকেরা উপস্থিত ছিলেন।