, মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬, ১৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ঈদুল আযহা উপলক্ষে বান্দরবানে এনসিপির ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত বান্দরবান পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডে প্রশাসনের নাকের ডগায় চুরি, মাদক ও কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য, আতঙ্কে এলাকাবাসী বান্দরবানে চাঁদাবাজি ও হুমকির অভিযোগে ছাত্রলীগ নেতা হাসান গণপিটুনির পর পুলিশে সোপর্দ নারী ও শিশু উন্নয়নে কাজের অঙ্গীকার সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি মাধবী মার্মার বান্দরবান সার্বজনীন কেন্দ্রীয় বৌদ্ধ বিহারের দ্বিবার্ষিকী নবগঠিত কমিটি গঠন ওয়ালটন ফ্রিজ কিনে ১০ লাখ টাকা পেলেন বান্দরবানের সুপ্রকাশ চাকমা বান্দরবানের দুর্গম পাহাড়ে সকল অসহায় পরিবারের ভাগ্য বদলাতে কাজ করবেন এমপি সাচিং প্রু জেরী। বান্দরবানে চেকপোস্টে ২১ রোহিঙ্গা আটক কাজুবাদাম ও কফি চাষে আধুনিক প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে রোয়াংছড়িতে প্রশিক্ষণ ও মাঠ দিবস আয়োজন বান্দরবানে মহান আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

উচহ্লা পরিবারের পাশে সাবেক মেম্বার পলাশ চৌধুরী — মানবতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন

  • প্রকাশের সময় : ০৬:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর ২০২৫
  • ১৩৯ পড়া হয়েছে

উবাসিং মারমা,রুমা প্রতিনিধি।

বান্দরবানের রুমা সদর ইউনিয়নের ক্যাম্পওয়া পাড়ায় অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত উচহ্লা মার্মা পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে মানবতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন রুমা সদর ইউনিয়নের সাবেক মেম্বার পলাশ চৌধুরী।

সোমবার সকালে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে উচহ্লা মার্মা পরিবারের ঘর সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে যায়। এ ঘটনায় নগদ ১৩ লাখ টাকা, তিন ভরি স্বর্ণসহ প্রায় ২৫ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে। পরিবারটি সর্বস্ব হারিয়ে চরম দুরবস্থার মধ্যে পড়ে।

ঘটনার খবর পেয়ে পলাশ চৌধুরী নিজ উদ্যোগে উবাসিং মারমা আশ্রমপাড়া কারবারি সাথে বাজার করে কারবারি হাতে ঘটনাস্থলে পৌঁছিয়ে দেয়া জন্য এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের হাতে নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী তুলে দেন। তিনি পরিবারটিকে সহায়তা হিসেবে দেন—একটি কলসি, একটি ডেকসি, তরকারির হাঁড়ি, একটি জগ, চামচ, প্লেট পাঁচটি, বাটি পাঁচটি, পানি গ্লাস পাঁচটি, সয়াবিন তেল, মসুর ডাল, টেস্টিং সল্ট, নাপ্পি, লবণসহ দৈনন্দিন জীবনের প্রয়োজনীয় বেশ কিছু সামগ্রী।

সহায়তা প্রদান শেষে পলাশ চৌধুরী বলেন,উচহ্লা মার্মা পরিবার এখন ভয়াবহ সংকটে রয়েছে। তাদের এই বিপদের সময় পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। মানুষ মানুষের জন্য—এই মানবিক দায়বদ্ধতা থেকেই আমি সহায়তার হাত বাড়িয়েছি। আশা করি সমাজের অন্যান্যরাও এমন বিপদে সহযোগিতার জন্য এগিয়ে আসবেন।”

স্থানীয়রা জানান, পলাশ চৌধুরীর এ মানবিক উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয় ও অনুপ্রেরণাদায়ক। তার মতো উদার ব্যক্তিদের কারণে এখনো মানবতা টিকে আছে। তারা আরও বলেন, “তিনি যে দ্রুত সময়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন, তা আমাদের সকলের জন্য উদাহরণ।”

উল্লেখ্য, রুমা সদর ইউনিয়নের ক্যাম্পওয়া পাড়ায় সোমবার সকাল সাতটার দিকে ঘটে যাওয়া অগ্নিকাণ্ডে উচহ্লা মার্মা পরিবারের ঘর সম্পূর্ণ পুড়ে যায়। পরিবারটি বর্তমানে চরম অসহায় অবস্থায় রয়েছে এবং সরকারি–বেসরকারি সহায়তার প্রত্যাশায় দিন কাটাচ্ছে।

পলাশ চৌধুরীর এমন মানবিক ভূমিকা রুমা জুড়ে প্রশংসার জোয়ার তুলেছে।

ঈদুল আযহা উপলক্ষে বান্দরবানে এনসিপির ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত

error: Content is protected !!

উচহ্লা পরিবারের পাশে সাবেক মেম্বার পলাশ চৌধুরী — মানবতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন

প্রকাশের সময় : ০৬:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর ২০২৫

উবাসিং মারমা,রুমা প্রতিনিধি।

বান্দরবানের রুমা সদর ইউনিয়নের ক্যাম্পওয়া পাড়ায় অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত উচহ্লা মার্মা পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে মানবতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন রুমা সদর ইউনিয়নের সাবেক মেম্বার পলাশ চৌধুরী।

সোমবার সকালে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে উচহ্লা মার্মা পরিবারের ঘর সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে যায়। এ ঘটনায় নগদ ১৩ লাখ টাকা, তিন ভরি স্বর্ণসহ প্রায় ২৫ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে। পরিবারটি সর্বস্ব হারিয়ে চরম দুরবস্থার মধ্যে পড়ে।

ঘটনার খবর পেয়ে পলাশ চৌধুরী নিজ উদ্যোগে উবাসিং মারমা আশ্রমপাড়া কারবারি সাথে বাজার করে কারবারি হাতে ঘটনাস্থলে পৌঁছিয়ে দেয়া জন্য এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের হাতে নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী তুলে দেন। তিনি পরিবারটিকে সহায়তা হিসেবে দেন—একটি কলসি, একটি ডেকসি, তরকারির হাঁড়ি, একটি জগ, চামচ, প্লেট পাঁচটি, বাটি পাঁচটি, পানি গ্লাস পাঁচটি, সয়াবিন তেল, মসুর ডাল, টেস্টিং সল্ট, নাপ্পি, লবণসহ দৈনন্দিন জীবনের প্রয়োজনীয় বেশ কিছু সামগ্রী।

সহায়তা প্রদান শেষে পলাশ চৌধুরী বলেন,উচহ্লা মার্মা পরিবার এখন ভয়াবহ সংকটে রয়েছে। তাদের এই বিপদের সময় পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। মানুষ মানুষের জন্য—এই মানবিক দায়বদ্ধতা থেকেই আমি সহায়তার হাত বাড়িয়েছি। আশা করি সমাজের অন্যান্যরাও এমন বিপদে সহযোগিতার জন্য এগিয়ে আসবেন।”

স্থানীয়রা জানান, পলাশ চৌধুরীর এ মানবিক উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয় ও অনুপ্রেরণাদায়ক। তার মতো উদার ব্যক্তিদের কারণে এখনো মানবতা টিকে আছে। তারা আরও বলেন, “তিনি যে দ্রুত সময়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন, তা আমাদের সকলের জন্য উদাহরণ।”

উল্লেখ্য, রুমা সদর ইউনিয়নের ক্যাম্পওয়া পাড়ায় সোমবার সকাল সাতটার দিকে ঘটে যাওয়া অগ্নিকাণ্ডে উচহ্লা মার্মা পরিবারের ঘর সম্পূর্ণ পুড়ে যায়। পরিবারটি বর্তমানে চরম অসহায় অবস্থায় রয়েছে এবং সরকারি–বেসরকারি সহায়তার প্রত্যাশায় দিন কাটাচ্ছে।

পলাশ চৌধুরীর এমন মানবিক ভূমিকা রুমা জুড়ে প্রশংসার জোয়ার তুলেছে।