, সোমবার, ৩১ আগস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে মাটির নিচে লুকানো ১ লাখ ইয়াবা উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১ বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের নতুন অন্তর্বর্তীকালীন পরিষদের দায়িত্ব গ্রহণ মাম্যাচিংকে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান করায় উচ্ছ্বসিত বিএনপি, বান্দরবানে আনন্দ মিছিল অতি শীঘ্রই উপজেলা-পৌরসভা-ইউনিয়ন পর্যায়ে প্রার্থী ঘোষণা করবে এনসিপি: সারজিস আলম বান্দরবান নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার সীমান্তে ৪৯ হাজার ৯৮২ পিস ইয়াবা উদ্ধার বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ পুনর্গঠন, চেয়ারম্যান মাম্যাচিং বান্দরবানে ১ সেপ্টেম্বর যাত্রা শুরু করছে ‘সাথী’ পার্সেল ডেলিভারি থেকে বাজার-ওষুধ পৌঁছে দেওয়া—এক প্ল্যাটফর্মেই মিলবে নানা অন-ডিমান্ড সেবা ‘৬ রবিউল আউয়াল সকল ঈদের সেরা ঈদ’—বটতলীতে ঈদে মিলাদুন্নবী উদযাপন পার্বত্য চট্টগ্রামে সশস্ত্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর বেপরোয়া চাঁদাবাজি বন্ধের দাবিতে বান্দরবানে মানববন্ধন মোল্লার বাজারে জুয়া ও মাদকের ভয়াল বিস্তার, আতঙ্কে এলাকাবাসী

উচহ্লা পরিবারের পাশে সাবেক মেম্বার পলাশ চৌধুরী — মানবতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন

  • প্রকাশের সময় : ০৬:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর ২০২৫
  • ১৬৩ পড়া হয়েছে

উবাসিং মারমা,রুমা প্রতিনিধি।

বান্দরবানের রুমা সদর ইউনিয়নের ক্যাম্পওয়া পাড়ায় অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত উচহ্লা মার্মা পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে মানবতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন রুমা সদর ইউনিয়নের সাবেক মেম্বার পলাশ চৌধুরী।

সোমবার সকালে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে উচহ্লা মার্মা পরিবারের ঘর সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে যায়। এ ঘটনায় নগদ ১৩ লাখ টাকা, তিন ভরি স্বর্ণসহ প্রায় ২৫ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে। পরিবারটি সর্বস্ব হারিয়ে চরম দুরবস্থার মধ্যে পড়ে।

ঘটনার খবর পেয়ে পলাশ চৌধুরী নিজ উদ্যোগে উবাসিং মারমা আশ্রমপাড়া কারবারি সাথে বাজার করে কারবারি হাতে ঘটনাস্থলে পৌঁছিয়ে দেয়া জন্য এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের হাতে নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী তুলে দেন। তিনি পরিবারটিকে সহায়তা হিসেবে দেন—একটি কলসি, একটি ডেকসি, তরকারির হাঁড়ি, একটি জগ, চামচ, প্লেট পাঁচটি, বাটি পাঁচটি, পানি গ্লাস পাঁচটি, সয়াবিন তেল, মসুর ডাল, টেস্টিং সল্ট, নাপ্পি, লবণসহ দৈনন্দিন জীবনের প্রয়োজনীয় বেশ কিছু সামগ্রী।

সহায়তা প্রদান শেষে পলাশ চৌধুরী বলেন,উচহ্লা মার্মা পরিবার এখন ভয়াবহ সংকটে রয়েছে। তাদের এই বিপদের সময় পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। মানুষ মানুষের জন্য—এই মানবিক দায়বদ্ধতা থেকেই আমি সহায়তার হাত বাড়িয়েছি। আশা করি সমাজের অন্যান্যরাও এমন বিপদে সহযোগিতার জন্য এগিয়ে আসবেন।”

স্থানীয়রা জানান, পলাশ চৌধুরীর এ মানবিক উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয় ও অনুপ্রেরণাদায়ক। তার মতো উদার ব্যক্তিদের কারণে এখনো মানবতা টিকে আছে। তারা আরও বলেন, “তিনি যে দ্রুত সময়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন, তা আমাদের সকলের জন্য উদাহরণ।”

উল্লেখ্য, রুমা সদর ইউনিয়নের ক্যাম্পওয়া পাড়ায় সোমবার সকাল সাতটার দিকে ঘটে যাওয়া অগ্নিকাণ্ডে উচহ্লা মার্মা পরিবারের ঘর সম্পূর্ণ পুড়ে যায়। পরিবারটি বর্তমানে চরম অসহায় অবস্থায় রয়েছে এবং সরকারি–বেসরকারি সহায়তার প্রত্যাশায় দিন কাটাচ্ছে।

পলাশ চৌধুরীর এমন মানবিক ভূমিকা রুমা জুড়ে প্রশংসার জোয়ার তুলেছে।

জনপ্রিয়

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে মাটির নিচে লুকানো ১ লাখ ইয়াবা উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১

error: Content is protected !!

উচহ্লা পরিবারের পাশে সাবেক মেম্বার পলাশ চৌধুরী — মানবতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন

প্রকাশের সময় : ০৬:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর ২০২৫

উবাসিং মারমা,রুমা প্রতিনিধি।

বান্দরবানের রুমা সদর ইউনিয়নের ক্যাম্পওয়া পাড়ায় অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত উচহ্লা মার্মা পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে মানবতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন রুমা সদর ইউনিয়নের সাবেক মেম্বার পলাশ চৌধুরী।

সোমবার সকালে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে উচহ্লা মার্মা পরিবারের ঘর সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে যায়। এ ঘটনায় নগদ ১৩ লাখ টাকা, তিন ভরি স্বর্ণসহ প্রায় ২৫ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে। পরিবারটি সর্বস্ব হারিয়ে চরম দুরবস্থার মধ্যে পড়ে।

ঘটনার খবর পেয়ে পলাশ চৌধুরী নিজ উদ্যোগে উবাসিং মারমা আশ্রমপাড়া কারবারি সাথে বাজার করে কারবারি হাতে ঘটনাস্থলে পৌঁছিয়ে দেয়া জন্য এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের হাতে নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী তুলে দেন। তিনি পরিবারটিকে সহায়তা হিসেবে দেন—একটি কলসি, একটি ডেকসি, তরকারির হাঁড়ি, একটি জগ, চামচ, প্লেট পাঁচটি, বাটি পাঁচটি, পানি গ্লাস পাঁচটি, সয়াবিন তেল, মসুর ডাল, টেস্টিং সল্ট, নাপ্পি, লবণসহ দৈনন্দিন জীবনের প্রয়োজনীয় বেশ কিছু সামগ্রী।

সহায়তা প্রদান শেষে পলাশ চৌধুরী বলেন,উচহ্লা মার্মা পরিবার এখন ভয়াবহ সংকটে রয়েছে। তাদের এই বিপদের সময় পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। মানুষ মানুষের জন্য—এই মানবিক দায়বদ্ধতা থেকেই আমি সহায়তার হাত বাড়িয়েছি। আশা করি সমাজের অন্যান্যরাও এমন বিপদে সহযোগিতার জন্য এগিয়ে আসবেন।”

স্থানীয়রা জানান, পলাশ চৌধুরীর এ মানবিক উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয় ও অনুপ্রেরণাদায়ক। তার মতো উদার ব্যক্তিদের কারণে এখনো মানবতা টিকে আছে। তারা আরও বলেন, “তিনি যে দ্রুত সময়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন, তা আমাদের সকলের জন্য উদাহরণ।”

উল্লেখ্য, রুমা সদর ইউনিয়নের ক্যাম্পওয়া পাড়ায় সোমবার সকাল সাতটার দিকে ঘটে যাওয়া অগ্নিকাণ্ডে উচহ্লা মার্মা পরিবারের ঘর সম্পূর্ণ পুড়ে যায়। পরিবারটি বর্তমানে চরম অসহায় অবস্থায় রয়েছে এবং সরকারি–বেসরকারি সহায়তার প্রত্যাশায় দিন কাটাচ্ছে।

পলাশ চৌধুরীর এমন মানবিক ভূমিকা রুমা জুড়ে প্রশংসার জোয়ার তুলেছে।