, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ৩০ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
আলীকদম সেনা জোনের সফল অভিযানে মালিকবিহীন বিপুল পরিমাণ সেগুন কাঠ উদ্ধার রামুতে সেনা পুলিশের যৌথ অভিযানে বিপুল পরিমান অস্ত্র ও গূলিসহ এক নারী আটক নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে বিজিবির অভিযানে মিয়ানমারের নাগরিক আটক বান্দরবানে রান্নার গ্যাসের সংকট: অতিরিক্ত দামে বিক্রির অভিযোগে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান বান্দরবান চিম্বুক রেঞ্জ, গরীব অসহায় শীতার্থ ম্রো জনগোষ্ঠীর মাঝে শীতবস্ত্র কম্বল বিতরণ বাইশারীতে সিএইচটি সম্প্রীতি জোটের উদ্যোগে বই, শিক্ষা সামগ্রী ও শীতবস্ত্র বিতরণ বান্দরবানে রান্নার গ্যাস সিলিন্ডারের তীব্র সংকট, বাড়তি দামে বিক্রির অভিযোগ বান্দরবান সংসদীয় ৩০০নং আসনে ৫ প্রার্থীর মনোনয়ন দাখিল লামায় অবৈধ যানবাহনের বিরুদ্ধে ট্রাফিক পুলিশের অভিযান বান্দরবানে ১১ লাখ টাকার জাল নোটসহ ৩ জন গ্রেফতার, একজন পলাতক

বান্দরবানে শান্তিচুক্তির ২৮ তম বর্ষপূতি উদযাপন

  • প্রকাশের সময় : ০১:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ২২ পড়া হয়েছে

রনি সিকদার,বান্দরবান প্রতিনিধি।

বান্দরবানে নানা কর্মসূচীর মধ্য দিয়ে উদযাপিত হয়েছে পার্বত্য শান্তি চুক্তির ২৮ তম বর্ষপূতি অনুষ্ঠান।

আজ মঙ্গলবার (০২ ডিসেম্বর) সকালে বান্দরবান সেনা রিজিয়নের সহযোগিতায় ও পার্বত্য জেলা পরিষদের আয়োজনে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সাংস্কৃতিক ইন্সটিটিউটের প্রাঙ্গনে বেলুন ও শান্তি পায়রা উড়িয়ে এই অনুষ্ঠান উদ্বোধন করা হয়।

পরে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সাংস্কৃতিক ইন্সটিটিউট হলরুমে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক এস এম হাসান এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অধ্যাপক থানজামা লুসাই।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,সদর জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ হুমায়ুন রশীদ,পিএসসি।

আরও উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জিনিয়া চাকমা,জেলা পরিষদের মূখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম,(ভারপ্রাপ্ত) ট্যুরিস্ট পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হাসান ইকবাল চৌধুরী,জেলা পরিষদ সদস্য খামলাই ম্রোসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা কর্মচারী।

এর আগে বান্দরবান সদর হাসপাতালে স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসুচীর আয়োজন করে পার্বত্য জেলা পরিষদ।

এদিকে সকালে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির আয়োজনে শহরের জেলার রাজার মাঠে গণসমাবেশ ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। পরে রাজার মাঠ থেকে একটি র‌্যালি বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক
প্রদক্ষিণ করা হয়।

এ সময় বক্তারা বলেন, ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার এবং জনসংহতি সমিতির মধ্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এই চুক্তির মাধ্যমে পার্বত্য চট্টগ্রামকে একটি বিশেষায়িত অঞ্চল হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। এর পর থেকে পার্বত্য অঞ্চলের মানুষ দীর্ঘদিনের বঞ্চনা ও বেড়াজাল থেকে বেরিয়ে উন্নয়ন ও অগ্রগতির প্রত্যাশা পূরণের পথে এগিয়ে যায়। তিনি আরও বলেন, একসময় পার্বত্য অঞ্চল ছিল অবহেলিত; কিন্তু শান্তি চুক্তির ফলে বান্দরবানের অনগ্রসর ও দুর্গম এলাকায় ফিরে এসেছে শান্তি ও উন্নয়নের ধারা। পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে পার্বত্য স্থানীয় পরিষদ পরিবর্তন হয়ে জেলা পরিষদ গঠিত হয় এবং সরকারের বহু বিভাগ এই পরিষদের কাছে হস্তান্তরিত হয়।পার্বত্য শান্তি চুক্তির যেসব বিষয় এখনো বাস্তবায়িত হয়নি, সেগুলো দ্রুত বাস্তবায়িত হবে বলে তিনি সরকারের ওপর পূর্ণ আস্থা প্রকাশ করেন।

আলীকদম সেনা জোনের সফল অভিযানে মালিকবিহীন বিপুল পরিমাণ সেগুন কাঠ উদ্ধার

error: Content is protected !!

বান্দরবানে শান্তিচুক্তির ২৮ তম বর্ষপূতি উদযাপন

প্রকাশের সময় : ০১:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ ডিসেম্বর ২০২৫

রনি সিকদার,বান্দরবান প্রতিনিধি।

বান্দরবানে নানা কর্মসূচীর মধ্য দিয়ে উদযাপিত হয়েছে পার্বত্য শান্তি চুক্তির ২৮ তম বর্ষপূতি অনুষ্ঠান।

আজ মঙ্গলবার (০২ ডিসেম্বর) সকালে বান্দরবান সেনা রিজিয়নের সহযোগিতায় ও পার্বত্য জেলা পরিষদের আয়োজনে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সাংস্কৃতিক ইন্সটিটিউটের প্রাঙ্গনে বেলুন ও শান্তি পায়রা উড়িয়ে এই অনুষ্ঠান উদ্বোধন করা হয়।

পরে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সাংস্কৃতিক ইন্সটিটিউট হলরুমে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক এস এম হাসান এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অধ্যাপক থানজামা লুসাই।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,সদর জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ হুমায়ুন রশীদ,পিএসসি।

আরও উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জিনিয়া চাকমা,জেলা পরিষদের মূখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম,(ভারপ্রাপ্ত) ট্যুরিস্ট পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হাসান ইকবাল চৌধুরী,জেলা পরিষদ সদস্য খামলাই ম্রোসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা কর্মচারী।

এর আগে বান্দরবান সদর হাসপাতালে স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসুচীর আয়োজন করে পার্বত্য জেলা পরিষদ।

এদিকে সকালে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির আয়োজনে শহরের জেলার রাজার মাঠে গণসমাবেশ ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। পরে রাজার মাঠ থেকে একটি র‌্যালি বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক
প্রদক্ষিণ করা হয়।

এ সময় বক্তারা বলেন, ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার এবং জনসংহতি সমিতির মধ্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এই চুক্তির মাধ্যমে পার্বত্য চট্টগ্রামকে একটি বিশেষায়িত অঞ্চল হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। এর পর থেকে পার্বত্য অঞ্চলের মানুষ দীর্ঘদিনের বঞ্চনা ও বেড়াজাল থেকে বেরিয়ে উন্নয়ন ও অগ্রগতির প্রত্যাশা পূরণের পথে এগিয়ে যায়। তিনি আরও বলেন, একসময় পার্বত্য অঞ্চল ছিল অবহেলিত; কিন্তু শান্তি চুক্তির ফলে বান্দরবানের অনগ্রসর ও দুর্গম এলাকায় ফিরে এসেছে শান্তি ও উন্নয়নের ধারা। পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে পার্বত্য স্থানীয় পরিষদ পরিবর্তন হয়ে জেলা পরিষদ গঠিত হয় এবং সরকারের বহু বিভাগ এই পরিষদের কাছে হস্তান্তরিত হয়।পার্বত্য শান্তি চুক্তির যেসব বিষয় এখনো বাস্তবায়িত হয়নি, সেগুলো দ্রুত বাস্তবায়িত হবে বলে তিনি সরকারের ওপর পূর্ণ আস্থা প্রকাশ করেন।