, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে বান্দরবান জেলা কাঠ ব্যবসায়ী সমিতি, ৩০০ জনকে ২ লাখ টাকা আর্থিক সহায়তা বান্দরবানে গাউছিয়া কমিটির উদ্যোগে বন্যার্ত ৩০০ পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ বান্দরবানে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ২০০ পরিবারের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ বিশেষ অভিযানে উদ্ধার ১০ হারানো মোবাইল, প্রকৃত মালিকদের হাতে ফিরিয়ে দিল বান্দরবান সদর থানা বান্দরবানে বন্যাদুর্গত ৭৫ পরিবারের মাঝে বিজিবির ত্রাণ বিতরণ বন্যাদুর্গতদের পাশে বান্দরবান বিজিবি, ১০০ পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ বান্দরবানে সেনাবাহিনীর অভিযানে প্রায় ১৫ লাখ টাকার অবৈধ কাঠ জব্দ তিন পার্বত্য জেলায় ৫৪ শতাংশ বাঙালির আয়কর মওকুফ ও বাজারফান্ড এলাকায় ব্যাংক ঋণ পুনরায় চালুর দাবি বান্দরবানে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিলের ঈদ উপহার বিতরণ সংরক্ষিত মহিলা আসনের এমপি এডভোকেট মাধবী মার্মা বান্দরবানের দুর্গম পাহাড়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে সেনাবাহিনীর শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ

বান্দরবানে শান্তিচুক্তির ২৮ তম বর্ষপূতি উদযাপন

  • প্রকাশের সময় : ০১:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৮৭ পড়া হয়েছে

রনি সিকদার,বান্দরবান প্রতিনিধি।

বান্দরবানে নানা কর্মসূচীর মধ্য দিয়ে উদযাপিত হয়েছে পার্বত্য শান্তি চুক্তির ২৮ তম বর্ষপূতি অনুষ্ঠান।

আজ মঙ্গলবার (০২ ডিসেম্বর) সকালে বান্দরবান সেনা রিজিয়নের সহযোগিতায় ও পার্বত্য জেলা পরিষদের আয়োজনে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সাংস্কৃতিক ইন্সটিটিউটের প্রাঙ্গনে বেলুন ও শান্তি পায়রা উড়িয়ে এই অনুষ্ঠান উদ্বোধন করা হয়।

পরে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সাংস্কৃতিক ইন্সটিটিউট হলরুমে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক এস এম হাসান এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অধ্যাপক থানজামা লুসাই।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,সদর জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ হুমায়ুন রশীদ,পিএসসি।

আরও উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জিনিয়া চাকমা,জেলা পরিষদের মূখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম,(ভারপ্রাপ্ত) ট্যুরিস্ট পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হাসান ইকবাল চৌধুরী,জেলা পরিষদ সদস্য খামলাই ম্রোসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা কর্মচারী।

এর আগে বান্দরবান সদর হাসপাতালে স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসুচীর আয়োজন করে পার্বত্য জেলা পরিষদ।

এদিকে সকালে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির আয়োজনে শহরের জেলার রাজার মাঠে গণসমাবেশ ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। পরে রাজার মাঠ থেকে একটি র‌্যালি বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক
প্রদক্ষিণ করা হয়।

এ সময় বক্তারা বলেন, ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার এবং জনসংহতি সমিতির মধ্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এই চুক্তির মাধ্যমে পার্বত্য চট্টগ্রামকে একটি বিশেষায়িত অঞ্চল হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। এর পর থেকে পার্বত্য অঞ্চলের মানুষ দীর্ঘদিনের বঞ্চনা ও বেড়াজাল থেকে বেরিয়ে উন্নয়ন ও অগ্রগতির প্রত্যাশা পূরণের পথে এগিয়ে যায়। তিনি আরও বলেন, একসময় পার্বত্য অঞ্চল ছিল অবহেলিত; কিন্তু শান্তি চুক্তির ফলে বান্দরবানের অনগ্রসর ও দুর্গম এলাকায় ফিরে এসেছে শান্তি ও উন্নয়নের ধারা। পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে পার্বত্য স্থানীয় পরিষদ পরিবর্তন হয়ে জেলা পরিষদ গঠিত হয় এবং সরকারের বহু বিভাগ এই পরিষদের কাছে হস্তান্তরিত হয়।পার্বত্য শান্তি চুক্তির যেসব বিষয় এখনো বাস্তবায়িত হয়নি, সেগুলো দ্রুত বাস্তবায়িত হবে বলে তিনি সরকারের ওপর পূর্ণ আস্থা প্রকাশ করেন।

জনপ্রিয়

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে বান্দরবান জেলা কাঠ ব্যবসায়ী সমিতি, ৩০০ জনকে ২ লাখ টাকা আর্থিক সহায়তা

error: Content is protected !!

বান্দরবানে শান্তিচুক্তির ২৮ তম বর্ষপূতি উদযাপন

প্রকাশের সময় : ০১:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ ডিসেম্বর ২০২৫

রনি সিকদার,বান্দরবান প্রতিনিধি।

বান্দরবানে নানা কর্মসূচীর মধ্য দিয়ে উদযাপিত হয়েছে পার্বত্য শান্তি চুক্তির ২৮ তম বর্ষপূতি অনুষ্ঠান।

আজ মঙ্গলবার (০২ ডিসেম্বর) সকালে বান্দরবান সেনা রিজিয়নের সহযোগিতায় ও পার্বত্য জেলা পরিষদের আয়োজনে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সাংস্কৃতিক ইন্সটিটিউটের প্রাঙ্গনে বেলুন ও শান্তি পায়রা উড়িয়ে এই অনুষ্ঠান উদ্বোধন করা হয়।

পরে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সাংস্কৃতিক ইন্সটিটিউট হলরুমে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক এস এম হাসান এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অধ্যাপক থানজামা লুসাই।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,সদর জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ হুমায়ুন রশীদ,পিএসসি।

আরও উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জিনিয়া চাকমা,জেলা পরিষদের মূখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম,(ভারপ্রাপ্ত) ট্যুরিস্ট পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হাসান ইকবাল চৌধুরী,জেলা পরিষদ সদস্য খামলাই ম্রোসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা কর্মচারী।

এর আগে বান্দরবান সদর হাসপাতালে স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসুচীর আয়োজন করে পার্বত্য জেলা পরিষদ।

এদিকে সকালে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির আয়োজনে শহরের জেলার রাজার মাঠে গণসমাবেশ ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। পরে রাজার মাঠ থেকে একটি র‌্যালি বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক
প্রদক্ষিণ করা হয়।

এ সময় বক্তারা বলেন, ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার এবং জনসংহতি সমিতির মধ্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এই চুক্তির মাধ্যমে পার্বত্য চট্টগ্রামকে একটি বিশেষায়িত অঞ্চল হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। এর পর থেকে পার্বত্য অঞ্চলের মানুষ দীর্ঘদিনের বঞ্চনা ও বেড়াজাল থেকে বেরিয়ে উন্নয়ন ও অগ্রগতির প্রত্যাশা পূরণের পথে এগিয়ে যায়। তিনি আরও বলেন, একসময় পার্বত্য অঞ্চল ছিল অবহেলিত; কিন্তু শান্তি চুক্তির ফলে বান্দরবানের অনগ্রসর ও দুর্গম এলাকায় ফিরে এসেছে শান্তি ও উন্নয়নের ধারা। পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে পার্বত্য স্থানীয় পরিষদ পরিবর্তন হয়ে জেলা পরিষদ গঠিত হয় এবং সরকারের বহু বিভাগ এই পরিষদের কাছে হস্তান্তরিত হয়।পার্বত্য শান্তি চুক্তির যেসব বিষয় এখনো বাস্তবায়িত হয়নি, সেগুলো দ্রুত বাস্তবায়িত হবে বলে তিনি সরকারের ওপর পূর্ণ আস্থা প্রকাশ করেন।