, মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬, ১৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ঈদুল আযহা উপলক্ষে বান্দরবানে এনসিপির ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত বান্দরবান পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডে প্রশাসনের নাকের ডগায় চুরি, মাদক ও কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য, আতঙ্কে এলাকাবাসী বান্দরবানে চাঁদাবাজি ও হুমকির অভিযোগে ছাত্রলীগ নেতা হাসান গণপিটুনির পর পুলিশে সোপর্দ নারী ও শিশু উন্নয়নে কাজের অঙ্গীকার সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি মাধবী মার্মার বান্দরবান সার্বজনীন কেন্দ্রীয় বৌদ্ধ বিহারের দ্বিবার্ষিকী নবগঠিত কমিটি গঠন ওয়ালটন ফ্রিজ কিনে ১০ লাখ টাকা পেলেন বান্দরবানের সুপ্রকাশ চাকমা বান্দরবানের দুর্গম পাহাড়ে সকল অসহায় পরিবারের ভাগ্য বদলাতে কাজ করবেন এমপি সাচিং প্রু জেরী। বান্দরবানে চেকপোস্টে ২১ রোহিঙ্গা আটক কাজুবাদাম ও কফি চাষে আধুনিক প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে রোয়াংছড়িতে প্রশিক্ষণ ও মাঠ দিবস আয়োজন বান্দরবানে মহান আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

বান্দরবানে শান্তিচুক্তির ২৮ তম বর্ষপূতি উদযাপন

  • প্রকাশের সময় : ০১:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৭৬ পড়া হয়েছে

রনি সিকদার,বান্দরবান প্রতিনিধি।

বান্দরবানে নানা কর্মসূচীর মধ্য দিয়ে উদযাপিত হয়েছে পার্বত্য শান্তি চুক্তির ২৮ তম বর্ষপূতি অনুষ্ঠান।

আজ মঙ্গলবার (০২ ডিসেম্বর) সকালে বান্দরবান সেনা রিজিয়নের সহযোগিতায় ও পার্বত্য জেলা পরিষদের আয়োজনে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সাংস্কৃতিক ইন্সটিটিউটের প্রাঙ্গনে বেলুন ও শান্তি পায়রা উড়িয়ে এই অনুষ্ঠান উদ্বোধন করা হয়।

পরে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সাংস্কৃতিক ইন্সটিটিউট হলরুমে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক এস এম হাসান এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অধ্যাপক থানজামা লুসাই।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,সদর জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ হুমায়ুন রশীদ,পিএসসি।

আরও উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জিনিয়া চাকমা,জেলা পরিষদের মূখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম,(ভারপ্রাপ্ত) ট্যুরিস্ট পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হাসান ইকবাল চৌধুরী,জেলা পরিষদ সদস্য খামলাই ম্রোসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা কর্মচারী।

এর আগে বান্দরবান সদর হাসপাতালে স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসুচীর আয়োজন করে পার্বত্য জেলা পরিষদ।

এদিকে সকালে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির আয়োজনে শহরের জেলার রাজার মাঠে গণসমাবেশ ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। পরে রাজার মাঠ থেকে একটি র‌্যালি বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক
প্রদক্ষিণ করা হয়।

এ সময় বক্তারা বলেন, ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার এবং জনসংহতি সমিতির মধ্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এই চুক্তির মাধ্যমে পার্বত্য চট্টগ্রামকে একটি বিশেষায়িত অঞ্চল হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। এর পর থেকে পার্বত্য অঞ্চলের মানুষ দীর্ঘদিনের বঞ্চনা ও বেড়াজাল থেকে বেরিয়ে উন্নয়ন ও অগ্রগতির প্রত্যাশা পূরণের পথে এগিয়ে যায়। তিনি আরও বলেন, একসময় পার্বত্য অঞ্চল ছিল অবহেলিত; কিন্তু শান্তি চুক্তির ফলে বান্দরবানের অনগ্রসর ও দুর্গম এলাকায় ফিরে এসেছে শান্তি ও উন্নয়নের ধারা। পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে পার্বত্য স্থানীয় পরিষদ পরিবর্তন হয়ে জেলা পরিষদ গঠিত হয় এবং সরকারের বহু বিভাগ এই পরিষদের কাছে হস্তান্তরিত হয়।পার্বত্য শান্তি চুক্তির যেসব বিষয় এখনো বাস্তবায়িত হয়নি, সেগুলো দ্রুত বাস্তবায়িত হবে বলে তিনি সরকারের ওপর পূর্ণ আস্থা প্রকাশ করেন।

ঈদুল আযহা উপলক্ষে বান্দরবানে এনসিপির ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত

error: Content is protected !!

বান্দরবানে শান্তিচুক্তির ২৮ তম বর্ষপূতি উদযাপন

প্রকাশের সময় : ০১:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ ডিসেম্বর ২০২৫

রনি সিকদার,বান্দরবান প্রতিনিধি।

বান্দরবানে নানা কর্মসূচীর মধ্য দিয়ে উদযাপিত হয়েছে পার্বত্য শান্তি চুক্তির ২৮ তম বর্ষপূতি অনুষ্ঠান।

আজ মঙ্গলবার (০২ ডিসেম্বর) সকালে বান্দরবান সেনা রিজিয়নের সহযোগিতায় ও পার্বত্য জেলা পরিষদের আয়োজনে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সাংস্কৃতিক ইন্সটিটিউটের প্রাঙ্গনে বেলুন ও শান্তি পায়রা উড়িয়ে এই অনুষ্ঠান উদ্বোধন করা হয়।

পরে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সাংস্কৃতিক ইন্সটিটিউট হলরুমে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক এস এম হাসান এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অধ্যাপক থানজামা লুসাই।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,সদর জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ হুমায়ুন রশীদ,পিএসসি।

আরও উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জিনিয়া চাকমা,জেলা পরিষদের মূখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম,(ভারপ্রাপ্ত) ট্যুরিস্ট পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হাসান ইকবাল চৌধুরী,জেলা পরিষদ সদস্য খামলাই ম্রোসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা কর্মচারী।

এর আগে বান্দরবান সদর হাসপাতালে স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসুচীর আয়োজন করে পার্বত্য জেলা পরিষদ।

এদিকে সকালে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির আয়োজনে শহরের জেলার রাজার মাঠে গণসমাবেশ ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। পরে রাজার মাঠ থেকে একটি র‌্যালি বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক
প্রদক্ষিণ করা হয়।

এ সময় বক্তারা বলেন, ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার এবং জনসংহতি সমিতির মধ্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এই চুক্তির মাধ্যমে পার্বত্য চট্টগ্রামকে একটি বিশেষায়িত অঞ্চল হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। এর পর থেকে পার্বত্য অঞ্চলের মানুষ দীর্ঘদিনের বঞ্চনা ও বেড়াজাল থেকে বেরিয়ে উন্নয়ন ও অগ্রগতির প্রত্যাশা পূরণের পথে এগিয়ে যায়। তিনি আরও বলেন, একসময় পার্বত্য অঞ্চল ছিল অবহেলিত; কিন্তু শান্তি চুক্তির ফলে বান্দরবানের অনগ্রসর ও দুর্গম এলাকায় ফিরে এসেছে শান্তি ও উন্নয়নের ধারা। পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে পার্বত্য স্থানীয় পরিষদ পরিবর্তন হয়ে জেলা পরিষদ গঠিত হয় এবং সরকারের বহু বিভাগ এই পরিষদের কাছে হস্তান্তরিত হয়।পার্বত্য শান্তি চুক্তির যেসব বিষয় এখনো বাস্তবায়িত হয়নি, সেগুলো দ্রুত বাস্তবায়িত হবে বলে তিনি সরকারের ওপর পূর্ণ আস্থা প্রকাশ করেন।