, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে মাটির নিচে লুকানো ১ লাখ ইয়াবা উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১ বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের নতুন অন্তর্বর্তীকালীন পরিষদের দায়িত্ব গ্রহণ মাম্যাচিংকে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান করায় উচ্ছ্বসিত বিএনপি, বান্দরবানে আনন্দ মিছিল অতি শীঘ্রই উপজেলা-পৌরসভা-ইউনিয়ন পর্যায়ে প্রার্থী ঘোষণা করবে এনসিপি: সারজিস আলম বান্দরবান নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার সীমান্তে ৪৯ হাজার ৯৮২ পিস ইয়াবা উদ্ধার বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ পুনর্গঠন, চেয়ারম্যান মাম্যাচিং বান্দরবানে ১ সেপ্টেম্বর যাত্রা শুরু করছে ‘সাথী’ পার্সেল ডেলিভারি থেকে বাজার-ওষুধ পৌঁছে দেওয়া—এক প্ল্যাটফর্মেই মিলবে নানা অন-ডিমান্ড সেবা ‘৬ রবিউল আউয়াল সকল ঈদের সেরা ঈদ’—বটতলীতে ঈদে মিলাদুন্নবী উদযাপন পার্বত্য চট্টগ্রামে সশস্ত্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর বেপরোয়া চাঁদাবাজি বন্ধের দাবিতে বান্দরবানে মানববন্ধন মোল্লার বাজারে জুয়া ও মাদকের ভয়াল বিস্তার, আতঙ্কে এলাকাবাসী

সেনাবাহিনীর মানবিক সহায়তায় চিকিৎসা পেল দগ্ধ দুই শিশু

  • প্রকাশের সময় : ০৭:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৯১ পড়া হয়েছে

বান্দরবান প্রতিনিধি।

বান্দরবান জেলার থানচি উপজেলার জারুল ছড়ি পাড়া সংলগ্ন দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় অগ্নিকাণ্ডে গুরুতর দগ্ধ মুরং সম্প্রদায়ের দুই শিশুর চিকিৎসায় মানবিক সহায়তার হাত বাড়িয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৬৯ পদাতিক ব্রিগেড, বান্দরবান রিজিয়ন।

আজ রবিবার (১৪ ডিসেম্বর) বান্দরবান জেলা পরিষদ সদস্য খামলাই ম্রো-এর নেতৃত্বে এবং ৬৯ পদাতিক ব্রিগেডের আর্থিক সহায়তায় সিভিল অ্যাম্বুলেন্সযোগে দগ্ধ দুই শিশু—পাওঙি ম্রো (৫) ও তর্ম ম্রো (৫ মাস)—কে বান্দরবানের ৭ ফিল্ড অ্যাম্বুলেন্স এমডিএস (সামরিক হাসপাতাল) এ নিয়ে আসা হয়।

বর্তমানে বান্দরবান রিজিয়নের তত্ত্বাবধানে ৭ ফিল্ড অ্যাম্বুলেন্সের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় উক্ত দুই শিশু রোগীর বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা সামরিক হাসপাতালে চলমান রয়েছে। চিকিৎসকরা শিশুদের শারীরিক অবস্থা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন।

দগ্ধ শিশুদের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নিতে ও চিকিৎসা কার্যক্রম পরিদর্শনের উদ্দেশ্যে এমডিএস পরিদর্শন করেন অধিনায়ক মোহাম্মদ সরফরাজ হায়দার এমপিএইচ (৭ ফিল্ড অ্যাম্বুলেন্স বান্দরবান), মেজর পারভেজ রহমান (জিএসও-২ ইন্টঃ, ৬৯ পদাতিক ব্রিগেড বান্দরবান) এবং মেজর শাহরীন জাহান প্রধান (৭ ফিল্ড অ্যাম্বুলেন্স বান্দরবান)।

জানা যায়,বান্দরবান রিজিয়ন দগ্ধ দুই শিশুর ছবি ফেইজবুকে দেখতে পায় এবং পরবর্তীতে তাৎক্ষণিকভাবে থানচি উপজেলার দুর্গম পাহাড়ি এলাকা থেকে শিশু দুইটিকে অ্যাম্বুলেন্সযোগে বান্দরবানের ৭ ফিল্ড অ্যাম্বুলেন্স এমডিএস (সামরিক হাসপাতাল) এ নিয়ে আসা হয়। এবং বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা সামরিক হাসপাতালে চলমান রয়েছে।

দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় বসবাসরত দুর্ঘটনাগ্রস্ত পরিবারের পাশে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর এ মানবিক উদ্যোগ স্থানীয় জনগণের মাঝে প্রশংসিত হয়েছে।

জনপ্রিয়

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে মাটির নিচে লুকানো ১ লাখ ইয়াবা উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১

error: Content is protected !!

সেনাবাহিনীর মানবিক সহায়তায় চিকিৎসা পেল দগ্ধ দুই শিশু

প্রকাশের সময় : ০৭:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫

বান্দরবান প্রতিনিধি।

বান্দরবান জেলার থানচি উপজেলার জারুল ছড়ি পাড়া সংলগ্ন দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় অগ্নিকাণ্ডে গুরুতর দগ্ধ মুরং সম্প্রদায়ের দুই শিশুর চিকিৎসায় মানবিক সহায়তার হাত বাড়িয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৬৯ পদাতিক ব্রিগেড, বান্দরবান রিজিয়ন।

আজ রবিবার (১৪ ডিসেম্বর) বান্দরবান জেলা পরিষদ সদস্য খামলাই ম্রো-এর নেতৃত্বে এবং ৬৯ পদাতিক ব্রিগেডের আর্থিক সহায়তায় সিভিল অ্যাম্বুলেন্সযোগে দগ্ধ দুই শিশু—পাওঙি ম্রো (৫) ও তর্ম ম্রো (৫ মাস)—কে বান্দরবানের ৭ ফিল্ড অ্যাম্বুলেন্স এমডিএস (সামরিক হাসপাতাল) এ নিয়ে আসা হয়।

বর্তমানে বান্দরবান রিজিয়নের তত্ত্বাবধানে ৭ ফিল্ড অ্যাম্বুলেন্সের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় উক্ত দুই শিশু রোগীর বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা সামরিক হাসপাতালে চলমান রয়েছে। চিকিৎসকরা শিশুদের শারীরিক অবস্থা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন।

দগ্ধ শিশুদের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নিতে ও চিকিৎসা কার্যক্রম পরিদর্শনের উদ্দেশ্যে এমডিএস পরিদর্শন করেন অধিনায়ক মোহাম্মদ সরফরাজ হায়দার এমপিএইচ (৭ ফিল্ড অ্যাম্বুলেন্স বান্দরবান), মেজর পারভেজ রহমান (জিএসও-২ ইন্টঃ, ৬৯ পদাতিক ব্রিগেড বান্দরবান) এবং মেজর শাহরীন জাহান প্রধান (৭ ফিল্ড অ্যাম্বুলেন্স বান্দরবান)।

জানা যায়,বান্দরবান রিজিয়ন দগ্ধ দুই শিশুর ছবি ফেইজবুকে দেখতে পায় এবং পরবর্তীতে তাৎক্ষণিকভাবে থানচি উপজেলার দুর্গম পাহাড়ি এলাকা থেকে শিশু দুইটিকে অ্যাম্বুলেন্সযোগে বান্দরবানের ৭ ফিল্ড অ্যাম্বুলেন্স এমডিএস (সামরিক হাসপাতাল) এ নিয়ে আসা হয়। এবং বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা সামরিক হাসপাতালে চলমান রয়েছে।

দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় বসবাসরত দুর্ঘটনাগ্রস্ত পরিবারের পাশে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর এ মানবিক উদ্যোগ স্থানীয় জনগণের মাঝে প্রশংসিত হয়েছে।