, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
নববর্ষকে স্বাগত জানিয়ে বান্দরবানে বর্ণাঢ্য বৈশাখী শোভাযাত্রা বান্দরবানে মারমার সম্প্রদায়ের সাংগ্রাই উৎসবে মুখর বান্দরবানে প্রবাসীর স্ত্রীর বাড়িতে হামলার অভিযোগ: আমগাছ কাটা, ভাঙচুর ও প্রাণনাশের হুমকি বান্দরবানে ফুল বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর অন্যতম প্রধান উৎসব বৈসাবি নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে বিজিবির সাঁড়াশি অভিযান পাচারের আগেই বিপুল অকটেন-সার জব্দ প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় বান্দরবানে ঝাড়ু হাতে এমপি, পরিচ্ছন্নতা অভিযানে জনস্রোত মহা সাংগ্রাই পোয়ে:  উপলক্ষে ঐতিহ্যবাহী মারমা সম্প্রদায়ের খেলাধুলা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত বান্দরবানে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিসংখ্যানবিদ অপহরণ, পুলিশের অভিযানে উদ্ধার বান্দরবানে বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন বৃত্তি ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত পাহাড়ে তীব্র পানি সংকট, ভরসা ঝিরির কুয়া

সেনাবাহিনীর মানবিক সহায়তায় চিকিৎসা পেল দগ্ধ দুই শিশু

  • প্রকাশের সময় : ০৭:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৫৪ পড়া হয়েছে

বান্দরবান প্রতিনিধি।

বান্দরবান জেলার থানচি উপজেলার জারুল ছড়ি পাড়া সংলগ্ন দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় অগ্নিকাণ্ডে গুরুতর দগ্ধ মুরং সম্প্রদায়ের দুই শিশুর চিকিৎসায় মানবিক সহায়তার হাত বাড়িয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৬৯ পদাতিক ব্রিগেড, বান্দরবান রিজিয়ন।

আজ রবিবার (১৪ ডিসেম্বর) বান্দরবান জেলা পরিষদ সদস্য খামলাই ম্রো-এর নেতৃত্বে এবং ৬৯ পদাতিক ব্রিগেডের আর্থিক সহায়তায় সিভিল অ্যাম্বুলেন্সযোগে দগ্ধ দুই শিশু—পাওঙি ম্রো (৫) ও তর্ম ম্রো (৫ মাস)—কে বান্দরবানের ৭ ফিল্ড অ্যাম্বুলেন্স এমডিএস (সামরিক হাসপাতাল) এ নিয়ে আসা হয়।

বর্তমানে বান্দরবান রিজিয়নের তত্ত্বাবধানে ৭ ফিল্ড অ্যাম্বুলেন্সের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় উক্ত দুই শিশু রোগীর বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা সামরিক হাসপাতালে চলমান রয়েছে। চিকিৎসকরা শিশুদের শারীরিক অবস্থা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন।

দগ্ধ শিশুদের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নিতে ও চিকিৎসা কার্যক্রম পরিদর্শনের উদ্দেশ্যে এমডিএস পরিদর্শন করেন অধিনায়ক মোহাম্মদ সরফরাজ হায়দার এমপিএইচ (৭ ফিল্ড অ্যাম্বুলেন্স বান্দরবান), মেজর পারভেজ রহমান (জিএসও-২ ইন্টঃ, ৬৯ পদাতিক ব্রিগেড বান্দরবান) এবং মেজর শাহরীন জাহান প্রধান (৭ ফিল্ড অ্যাম্বুলেন্স বান্দরবান)।

জানা যায়,বান্দরবান রিজিয়ন দগ্ধ দুই শিশুর ছবি ফেইজবুকে দেখতে পায় এবং পরবর্তীতে তাৎক্ষণিকভাবে থানচি উপজেলার দুর্গম পাহাড়ি এলাকা থেকে শিশু দুইটিকে অ্যাম্বুলেন্সযোগে বান্দরবানের ৭ ফিল্ড অ্যাম্বুলেন্স এমডিএস (সামরিক হাসপাতাল) এ নিয়ে আসা হয়। এবং বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা সামরিক হাসপাতালে চলমান রয়েছে।

দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় বসবাসরত দুর্ঘটনাগ্রস্ত পরিবারের পাশে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর এ মানবিক উদ্যোগ স্থানীয় জনগণের মাঝে প্রশংসিত হয়েছে।

জনপ্রিয়

নববর্ষকে স্বাগত জানিয়ে বান্দরবানে বর্ণাঢ্য বৈশাখী শোভাযাত্রা

error: Content is protected !!

সেনাবাহিনীর মানবিক সহায়তায় চিকিৎসা পেল দগ্ধ দুই শিশু

প্রকাশের সময় : ০৭:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫

বান্দরবান প্রতিনিধি।

বান্দরবান জেলার থানচি উপজেলার জারুল ছড়ি পাড়া সংলগ্ন দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় অগ্নিকাণ্ডে গুরুতর দগ্ধ মুরং সম্প্রদায়ের দুই শিশুর চিকিৎসায় মানবিক সহায়তার হাত বাড়িয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৬৯ পদাতিক ব্রিগেড, বান্দরবান রিজিয়ন।

আজ রবিবার (১৪ ডিসেম্বর) বান্দরবান জেলা পরিষদ সদস্য খামলাই ম্রো-এর নেতৃত্বে এবং ৬৯ পদাতিক ব্রিগেডের আর্থিক সহায়তায় সিভিল অ্যাম্বুলেন্সযোগে দগ্ধ দুই শিশু—পাওঙি ম্রো (৫) ও তর্ম ম্রো (৫ মাস)—কে বান্দরবানের ৭ ফিল্ড অ্যাম্বুলেন্স এমডিএস (সামরিক হাসপাতাল) এ নিয়ে আসা হয়।

বর্তমানে বান্দরবান রিজিয়নের তত্ত্বাবধানে ৭ ফিল্ড অ্যাম্বুলেন্সের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় উক্ত দুই শিশু রোগীর বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা সামরিক হাসপাতালে চলমান রয়েছে। চিকিৎসকরা শিশুদের শারীরিক অবস্থা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন।

দগ্ধ শিশুদের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নিতে ও চিকিৎসা কার্যক্রম পরিদর্শনের উদ্দেশ্যে এমডিএস পরিদর্শন করেন অধিনায়ক মোহাম্মদ সরফরাজ হায়দার এমপিএইচ (৭ ফিল্ড অ্যাম্বুলেন্স বান্দরবান), মেজর পারভেজ রহমান (জিএসও-২ ইন্টঃ, ৬৯ পদাতিক ব্রিগেড বান্দরবান) এবং মেজর শাহরীন জাহান প্রধান (৭ ফিল্ড অ্যাম্বুলেন্স বান্দরবান)।

জানা যায়,বান্দরবান রিজিয়ন দগ্ধ দুই শিশুর ছবি ফেইজবুকে দেখতে পায় এবং পরবর্তীতে তাৎক্ষণিকভাবে থানচি উপজেলার দুর্গম পাহাড়ি এলাকা থেকে শিশু দুইটিকে অ্যাম্বুলেন্সযোগে বান্দরবানের ৭ ফিল্ড অ্যাম্বুলেন্স এমডিএস (সামরিক হাসপাতাল) এ নিয়ে আসা হয়। এবং বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা সামরিক হাসপাতালে চলমান রয়েছে।

দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় বসবাসরত দুর্ঘটনাগ্রস্ত পরিবারের পাশে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর এ মানবিক উদ্যোগ স্থানীয় জনগণের মাঝে প্রশংসিত হয়েছে।