, মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬, ১৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ঈদুল আযহা উপলক্ষে বান্দরবানে এনসিপির ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত বান্দরবান পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডে প্রশাসনের নাকের ডগায় চুরি, মাদক ও কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য, আতঙ্কে এলাকাবাসী বান্দরবানে চাঁদাবাজি ও হুমকির অভিযোগে ছাত্রলীগ নেতা হাসান গণপিটুনির পর পুলিশে সোপর্দ নারী ও শিশু উন্নয়নে কাজের অঙ্গীকার সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি মাধবী মার্মার বান্দরবান সার্বজনীন কেন্দ্রীয় বৌদ্ধ বিহারের দ্বিবার্ষিকী নবগঠিত কমিটি গঠন ওয়ালটন ফ্রিজ কিনে ১০ লাখ টাকা পেলেন বান্দরবানের সুপ্রকাশ চাকমা বান্দরবানের দুর্গম পাহাড়ে সকল অসহায় পরিবারের ভাগ্য বদলাতে কাজ করবেন এমপি সাচিং প্রু জেরী। বান্দরবানে চেকপোস্টে ২১ রোহিঙ্গা আটক কাজুবাদাম ও কফি চাষে আধুনিক প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে রোয়াংছড়িতে প্রশিক্ষণ ও মাঠ দিবস আয়োজন বান্দরবানে মহান আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

সেনাবাহিনীর মানবিক সহায়তায় চিকিৎসা পেল দগ্ধ দুই শিশু

  • প্রকাশের সময় : ০৭:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৬৮ পড়া হয়েছে

বান্দরবান প্রতিনিধি।

বান্দরবান জেলার থানচি উপজেলার জারুল ছড়ি পাড়া সংলগ্ন দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় অগ্নিকাণ্ডে গুরুতর দগ্ধ মুরং সম্প্রদায়ের দুই শিশুর চিকিৎসায় মানবিক সহায়তার হাত বাড়িয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৬৯ পদাতিক ব্রিগেড, বান্দরবান রিজিয়ন।

আজ রবিবার (১৪ ডিসেম্বর) বান্দরবান জেলা পরিষদ সদস্য খামলাই ম্রো-এর নেতৃত্বে এবং ৬৯ পদাতিক ব্রিগেডের আর্থিক সহায়তায় সিভিল অ্যাম্বুলেন্সযোগে দগ্ধ দুই শিশু—পাওঙি ম্রো (৫) ও তর্ম ম্রো (৫ মাস)—কে বান্দরবানের ৭ ফিল্ড অ্যাম্বুলেন্স এমডিএস (সামরিক হাসপাতাল) এ নিয়ে আসা হয়।

বর্তমানে বান্দরবান রিজিয়নের তত্ত্বাবধানে ৭ ফিল্ড অ্যাম্বুলেন্সের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় উক্ত দুই শিশু রোগীর বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা সামরিক হাসপাতালে চলমান রয়েছে। চিকিৎসকরা শিশুদের শারীরিক অবস্থা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন।

দগ্ধ শিশুদের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নিতে ও চিকিৎসা কার্যক্রম পরিদর্শনের উদ্দেশ্যে এমডিএস পরিদর্শন করেন অধিনায়ক মোহাম্মদ সরফরাজ হায়দার এমপিএইচ (৭ ফিল্ড অ্যাম্বুলেন্স বান্দরবান), মেজর পারভেজ রহমান (জিএসও-২ ইন্টঃ, ৬৯ পদাতিক ব্রিগেড বান্দরবান) এবং মেজর শাহরীন জাহান প্রধান (৭ ফিল্ড অ্যাম্বুলেন্স বান্দরবান)।

জানা যায়,বান্দরবান রিজিয়ন দগ্ধ দুই শিশুর ছবি ফেইজবুকে দেখতে পায় এবং পরবর্তীতে তাৎক্ষণিকভাবে থানচি উপজেলার দুর্গম পাহাড়ি এলাকা থেকে শিশু দুইটিকে অ্যাম্বুলেন্সযোগে বান্দরবানের ৭ ফিল্ড অ্যাম্বুলেন্স এমডিএস (সামরিক হাসপাতাল) এ নিয়ে আসা হয়। এবং বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা সামরিক হাসপাতালে চলমান রয়েছে।

দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় বসবাসরত দুর্ঘটনাগ্রস্ত পরিবারের পাশে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর এ মানবিক উদ্যোগ স্থানীয় জনগণের মাঝে প্রশংসিত হয়েছে।

ঈদুল আযহা উপলক্ষে বান্দরবানে এনসিপির ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত

error: Content is protected !!

সেনাবাহিনীর মানবিক সহায়তায় চিকিৎসা পেল দগ্ধ দুই শিশু

প্রকাশের সময় : ০৭:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫

বান্দরবান প্রতিনিধি।

বান্দরবান জেলার থানচি উপজেলার জারুল ছড়ি পাড়া সংলগ্ন দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় অগ্নিকাণ্ডে গুরুতর দগ্ধ মুরং সম্প্রদায়ের দুই শিশুর চিকিৎসায় মানবিক সহায়তার হাত বাড়িয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৬৯ পদাতিক ব্রিগেড, বান্দরবান রিজিয়ন।

আজ রবিবার (১৪ ডিসেম্বর) বান্দরবান জেলা পরিষদ সদস্য খামলাই ম্রো-এর নেতৃত্বে এবং ৬৯ পদাতিক ব্রিগেডের আর্থিক সহায়তায় সিভিল অ্যাম্বুলেন্সযোগে দগ্ধ দুই শিশু—পাওঙি ম্রো (৫) ও তর্ম ম্রো (৫ মাস)—কে বান্দরবানের ৭ ফিল্ড অ্যাম্বুলেন্স এমডিএস (সামরিক হাসপাতাল) এ নিয়ে আসা হয়।

বর্তমানে বান্দরবান রিজিয়নের তত্ত্বাবধানে ৭ ফিল্ড অ্যাম্বুলেন্সের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় উক্ত দুই শিশু রোগীর বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা সামরিক হাসপাতালে চলমান রয়েছে। চিকিৎসকরা শিশুদের শারীরিক অবস্থা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন।

দগ্ধ শিশুদের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নিতে ও চিকিৎসা কার্যক্রম পরিদর্শনের উদ্দেশ্যে এমডিএস পরিদর্শন করেন অধিনায়ক মোহাম্মদ সরফরাজ হায়দার এমপিএইচ (৭ ফিল্ড অ্যাম্বুলেন্স বান্দরবান), মেজর পারভেজ রহমান (জিএসও-২ ইন্টঃ, ৬৯ পদাতিক ব্রিগেড বান্দরবান) এবং মেজর শাহরীন জাহান প্রধান (৭ ফিল্ড অ্যাম্বুলেন্স বান্দরবান)।

জানা যায়,বান্দরবান রিজিয়ন দগ্ধ দুই শিশুর ছবি ফেইজবুকে দেখতে পায় এবং পরবর্তীতে তাৎক্ষণিকভাবে থানচি উপজেলার দুর্গম পাহাড়ি এলাকা থেকে শিশু দুইটিকে অ্যাম্বুলেন্সযোগে বান্দরবানের ৭ ফিল্ড অ্যাম্বুলেন্স এমডিএস (সামরিক হাসপাতাল) এ নিয়ে আসা হয়। এবং বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা সামরিক হাসপাতালে চলমান রয়েছে।

দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় বসবাসরত দুর্ঘটনাগ্রস্ত পরিবারের পাশে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর এ মানবিক উদ্যোগ স্থানীয় জনগণের মাঝে প্রশংসিত হয়েছে।