, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে বান্দরবান জেলা কাঠ ব্যবসায়ী সমিতি, ৩০০ জনকে ২ লাখ টাকা আর্থিক সহায়তা বান্দরবানে গাউছিয়া কমিটির উদ্যোগে বন্যার্ত ৩০০ পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ বান্দরবানে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ২০০ পরিবারের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ বিশেষ অভিযানে উদ্ধার ১০ হারানো মোবাইল, প্রকৃত মালিকদের হাতে ফিরিয়ে দিল বান্দরবান সদর থানা বান্দরবানে বন্যাদুর্গত ৭৫ পরিবারের মাঝে বিজিবির ত্রাণ বিতরণ বন্যাদুর্গতদের পাশে বান্দরবান বিজিবি, ১০০ পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ বান্দরবানে সেনাবাহিনীর অভিযানে প্রায় ১৫ লাখ টাকার অবৈধ কাঠ জব্দ তিন পার্বত্য জেলায় ৫৪ শতাংশ বাঙালির আয়কর মওকুফ ও বাজারফান্ড এলাকায় ব্যাংক ঋণ পুনরায় চালুর দাবি বান্দরবানে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিলের ঈদ উপহার বিতরণ সংরক্ষিত মহিলা আসনের এমপি এডভোকেট মাধবী মার্মা বান্দরবানের দুর্গম পাহাড়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে সেনাবাহিনীর শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ

বান্দরবানে বড়দিন উপলক্ষে সেনা জোনের উদ্যোগে মানবিক সহায়তা প্রদান

  • প্রকাশের সময় : ০৪:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৭৫ পড়া হয়েছে

বান্দরবান প্রতিনিধি।

বড়দিন উপলক্ষে পার্বত্য অঞ্চলের বিভিন্ন সম্প্রদায়ের সঙ্গে উৎসবের আনন্দ ভাগাভাগি করতে বান্দরবান সেনা জোনের উদ্যোগে এক মানবিক সহায়তা প্রদান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) দুপুরে বান্দরবান সেনা জোনের মাল্টিপারপাস শেডে আয়োজিত এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানে বিভিন্ন পাড়ার কিয়াং ঘর নির্মাণ ও সংস্কারের জন্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী এবং ক্রীড়া উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান সেনা জোনের সম্মানিত জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ হুমায়ূন রশীদ, পিএসসি।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন জোনের উপ-অধিনায়ক মেজর নাফিউ সিদ্দিকী রোমান, পিএসসি, জোনাল স্টাফ অফিসারবৃন্দ, ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিক এবং বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত সুবিধাভোগীরা।

এই কর্মসূচির আওতায় তারাছা পাড়ার কিয়াং ঘরের জন্য সামিয়ান, প্রতীক্ষা পাড়া ও দয়া কুমার পাড়ার কিয়াং ঘরের জন্য টিন, চুয়ান বিল পাড়ার জন্য গেতি এবং লংলাই পাড়ার জন্য ভলিবল, নেট ও জার্সি প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠান শেষে সুবিধাভোগীদের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে সহায়তা সামগ্রী হস্তান্তর করা হয়। পুরো কর্মসূচিটি পারস্পরিক সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি ও উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয়।

পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি প্রতিষ্ঠা, উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন এবং সকল সম্প্রদায়ের মধ্যে সম্প্রীতি রক্ষায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দীর্ঘদিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। নিরাপত্তার পাশাপাশি জনসেবা ও মানবিক সহায়তায় সেনাবাহিনীর এমন উদ্যোগ পার্বত্য অঞ্চলে শান্তি, সম্প্রীতি ও উন্নয়নকে আরও বেগবান করবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

জনপ্রিয়

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে বান্দরবান জেলা কাঠ ব্যবসায়ী সমিতি, ৩০০ জনকে ২ লাখ টাকা আর্থিক সহায়তা

error: Content is protected !!

বান্দরবানে বড়দিন উপলক্ষে সেনা জোনের উদ্যোগে মানবিক সহায়তা প্রদান

প্রকাশের সময় : ০৪:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫

বান্দরবান প্রতিনিধি।

বড়দিন উপলক্ষে পার্বত্য অঞ্চলের বিভিন্ন সম্প্রদায়ের সঙ্গে উৎসবের আনন্দ ভাগাভাগি করতে বান্দরবান সেনা জোনের উদ্যোগে এক মানবিক সহায়তা প্রদান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) দুপুরে বান্দরবান সেনা জোনের মাল্টিপারপাস শেডে আয়োজিত এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানে বিভিন্ন পাড়ার কিয়াং ঘর নির্মাণ ও সংস্কারের জন্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী এবং ক্রীড়া উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান সেনা জোনের সম্মানিত জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ হুমায়ূন রশীদ, পিএসসি।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন জোনের উপ-অধিনায়ক মেজর নাফিউ সিদ্দিকী রোমান, পিএসসি, জোনাল স্টাফ অফিসারবৃন্দ, ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিক এবং বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত সুবিধাভোগীরা।

এই কর্মসূচির আওতায় তারাছা পাড়ার কিয়াং ঘরের জন্য সামিয়ান, প্রতীক্ষা পাড়া ও দয়া কুমার পাড়ার কিয়াং ঘরের জন্য টিন, চুয়ান বিল পাড়ার জন্য গেতি এবং লংলাই পাড়ার জন্য ভলিবল, নেট ও জার্সি প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠান শেষে সুবিধাভোগীদের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে সহায়তা সামগ্রী হস্তান্তর করা হয়। পুরো কর্মসূচিটি পারস্পরিক সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি ও উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয়।

পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি প্রতিষ্ঠা, উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন এবং সকল সম্প্রদায়ের মধ্যে সম্প্রীতি রক্ষায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দীর্ঘদিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। নিরাপত্তার পাশাপাশি জনসেবা ও মানবিক সহায়তায় সেনাবাহিনীর এমন উদ্যোগ পার্বত্য অঞ্চলে শান্তি, সম্প্রীতি ও উন্নয়নকে আরও বেগবান করবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।