, শনিবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৬, ২৭ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
আলীকদম সেনা জোনের সফল অভিযানে মালিকবিহীন বিপুল পরিমাণ সেগুন কাঠ উদ্ধার রামুতে সেনা পুলিশের যৌথ অভিযানে বিপুল পরিমান অস্ত্র ও গূলিসহ এক নারী আটক নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে বিজিবির অভিযানে মিয়ানমারের নাগরিক আটক বান্দরবানে রান্নার গ্যাসের সংকট: অতিরিক্ত দামে বিক্রির অভিযোগে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান বান্দরবান চিম্বুক রেঞ্জ, গরীব অসহায় শীতার্থ ম্রো জনগোষ্ঠীর মাঝে শীতবস্ত্র কম্বল বিতরণ বাইশারীতে সিএইচটি সম্প্রীতি জোটের উদ্যোগে বই, শিক্ষা সামগ্রী ও শীতবস্ত্র বিতরণ বান্দরবানে রান্নার গ্যাস সিলিন্ডারের তীব্র সংকট, বাড়তি দামে বিক্রির অভিযোগ বান্দরবান সংসদীয় ৩০০নং আসনে ৫ প্রার্থীর মনোনয়ন দাখিল লামায় অবৈধ যানবাহনের বিরুদ্ধে ট্রাফিক পুলিশের অভিযান বান্দরবানে ১১ লাখ টাকার জাল নোটসহ ৩ জন গ্রেফতার, একজন পলাতক

আলীকদম সেনা জোনের সফল অভিযানে মালিকবিহীন বিপুল পরিমাণ সেগুন কাঠ উদ্ধার

  • প্রকাশের সময় : ২ মিনিট আগে
  • ০ পড়া হয়েছে

চৌধুরী মোহাম্মদ সুজন, লামা প্রতিনিধি।

দেশের পরিবেশ ও প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষায় ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে আলীকদম সেনা জোনের আওতাধীন কানামেম্বার ঘাট আর্মি ক্যাম্পের একটি চৌকস ও সুসংগঠিত বিশেষ টহলদল আজ শুক্রবার (১০ জানুয়ারি) অবৈধ কাঠ পাচারবিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত আলীকদম উপজেলার ২ নম্বর চৈক্ষ্যং ইউনিয়নের ঠাকুর ঝিড়ি এলাকায় এ অভিযান পরিচালিত হয়। কানামেম্বার ঘাট আর্মি ক্যাম্প থেকে আনুমানিক ২ দশমিক ৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে দুর্গম এলাকায় পরিচালিত অভিযানে লেফটেন্যান্ট মোহাম্মদ মুবতাসিম ফুয়াদ অর্ণব-এর দক্ষ নেতৃত্বে সেনাবাহিনীর একটি বিশেষ টহলদল অংশগ্রহণ করে।
অভিযান চলাকালে সেনাসদস্যরা অত্যন্ত পেশাদারিত্ব ও সাহসিকতার সঙ্গে দুর্গম এলাকায় তল্লাশি কার্যক্রম পরিচালনা করেন। এ সময় অবৈধভাবে পাচারের উদ্দেশ্যে মজুদ করা আনুমানিক ৪৫০ (চারশত পঞ্চাশ) ঘনফুট সেগুন ও গামারী কাঠ মালিকবিহীন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, একটি সংঘবদ্ধ কাঠ পাচারকারী চক্র দীর্ঘদিন ধরে সীমান্তবর্তী দুর্গম এলাকা ব্যবহার করে এসব মূল্যবান কাঠ পাচারের অপচেষ্টা চালিয়ে আসছিল।
উদ্ধারকৃত সেগুন ও গামারী কাঠ পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে যথাযথ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আলীকদম উপজেলা সদরের তৈন রেঞ্জ কর্মকর্তার কার্যালয়ে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনানুগ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
আলীকদম সেনা জোন সূত্রে জানানো হয়, অবৈধ কাঠ পাচার, পরিবেশ ধ্বংস, অর্থনৈতিক অপরাধ এবং রাষ্ট্রবিরোধী যে কোনো তৎপরতা দমনে সেনাবাহিনী সর্বদা আপসহীন ও কঠোর অবস্থানে রয়েছে। পাশাপাশি এলাকার শান্তি, স্থিতিশীলতা ও পরিবেশ সংরক্ষণে ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যকর ও সময়োপযোগী অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।

আলীকদম সেনা জোনের সফল অভিযানে মালিকবিহীন বিপুল পরিমাণ সেগুন কাঠ উদ্ধার

error: Content is protected !!

আলীকদম সেনা জোনের সফল অভিযানে মালিকবিহীন বিপুল পরিমাণ সেগুন কাঠ উদ্ধার

প্রকাশের সময় : ২ মিনিট আগে

চৌধুরী মোহাম্মদ সুজন, লামা প্রতিনিধি।

দেশের পরিবেশ ও প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষায় ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে আলীকদম সেনা জোনের আওতাধীন কানামেম্বার ঘাট আর্মি ক্যাম্পের একটি চৌকস ও সুসংগঠিত বিশেষ টহলদল আজ শুক্রবার (১০ জানুয়ারি) অবৈধ কাঠ পাচারবিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত আলীকদম উপজেলার ২ নম্বর চৈক্ষ্যং ইউনিয়নের ঠাকুর ঝিড়ি এলাকায় এ অভিযান পরিচালিত হয়। কানামেম্বার ঘাট আর্মি ক্যাম্প থেকে আনুমানিক ২ দশমিক ৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে দুর্গম এলাকায় পরিচালিত অভিযানে লেফটেন্যান্ট মোহাম্মদ মুবতাসিম ফুয়াদ অর্ণব-এর দক্ষ নেতৃত্বে সেনাবাহিনীর একটি বিশেষ টহলদল অংশগ্রহণ করে।
অভিযান চলাকালে সেনাসদস্যরা অত্যন্ত পেশাদারিত্ব ও সাহসিকতার সঙ্গে দুর্গম এলাকায় তল্লাশি কার্যক্রম পরিচালনা করেন। এ সময় অবৈধভাবে পাচারের উদ্দেশ্যে মজুদ করা আনুমানিক ৪৫০ (চারশত পঞ্চাশ) ঘনফুট সেগুন ও গামারী কাঠ মালিকবিহীন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, একটি সংঘবদ্ধ কাঠ পাচারকারী চক্র দীর্ঘদিন ধরে সীমান্তবর্তী দুর্গম এলাকা ব্যবহার করে এসব মূল্যবান কাঠ পাচারের অপচেষ্টা চালিয়ে আসছিল।
উদ্ধারকৃত সেগুন ও গামারী কাঠ পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে যথাযথ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আলীকদম উপজেলা সদরের তৈন রেঞ্জ কর্মকর্তার কার্যালয়ে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনানুগ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
আলীকদম সেনা জোন সূত্রে জানানো হয়, অবৈধ কাঠ পাচার, পরিবেশ ধ্বংস, অর্থনৈতিক অপরাধ এবং রাষ্ট্রবিরোধী যে কোনো তৎপরতা দমনে সেনাবাহিনী সর্বদা আপসহীন ও কঠোর অবস্থানে রয়েছে। পাশাপাশি এলাকার শান্তি, স্থিতিশীলতা ও পরিবেশ সংরক্ষণে ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যকর ও সময়োপযোগী অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।