, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে বান্দরবান জেলা কাঠ ব্যবসায়ী সমিতি, ৩০০ জনকে ২ লাখ টাকা আর্থিক সহায়তা বান্দরবানে গাউছিয়া কমিটির উদ্যোগে বন্যার্ত ৩০০ পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ বান্দরবানে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ২০০ পরিবারের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ বিশেষ অভিযানে উদ্ধার ১০ হারানো মোবাইল, প্রকৃত মালিকদের হাতে ফিরিয়ে দিল বান্দরবান সদর থানা বান্দরবানে বন্যাদুর্গত ৭৫ পরিবারের মাঝে বিজিবির ত্রাণ বিতরণ বন্যাদুর্গতদের পাশে বান্দরবান বিজিবি, ১০০ পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ বান্দরবানে সেনাবাহিনীর অভিযানে প্রায় ১৫ লাখ টাকার অবৈধ কাঠ জব্দ তিন পার্বত্য জেলায় ৫৪ শতাংশ বাঙালির আয়কর মওকুফ ও বাজারফান্ড এলাকায় ব্যাংক ঋণ পুনরায় চালুর দাবি বান্দরবানে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিলের ঈদ উপহার বিতরণ সংরক্ষিত মহিলা আসনের এমপি এডভোকেট মাধবী মার্মা বান্দরবানের দুর্গম পাহাড়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে সেনাবাহিনীর শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ

আলীকদম সেনা জোনের সফল অভিযানে মালিকবিহীন বিপুল পরিমাণ সেগুন কাঠ উদ্ধার

  • প্রকাশের সময় : ১০:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৬৬ পড়া হয়েছে

চৌধুরী মোহাম্মদ সুজন, লামা প্রতিনিধি।

দেশের পরিবেশ ও প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষায় ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে আলীকদম সেনা জোনের আওতাধীন কানামেম্বার ঘাট আর্মি ক্যাম্পের একটি চৌকস ও সুসংগঠিত বিশেষ টহলদল আজ শুক্রবার (১০ জানুয়ারি) অবৈধ কাঠ পাচারবিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত আলীকদম উপজেলার ২ নম্বর চৈক্ষ্যং ইউনিয়নের ঠাকুর ঝিড়ি এলাকায় এ অভিযান পরিচালিত হয়। কানামেম্বার ঘাট আর্মি ক্যাম্প থেকে আনুমানিক ২ দশমিক ৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে দুর্গম এলাকায় পরিচালিত অভিযানে লেফটেন্যান্ট মোহাম্মদ মুবতাসিম ফুয়াদ অর্ণব-এর দক্ষ নেতৃত্বে সেনাবাহিনীর একটি বিশেষ টহলদল অংশগ্রহণ করে।
অভিযান চলাকালে সেনাসদস্যরা অত্যন্ত পেশাদারিত্ব ও সাহসিকতার সঙ্গে দুর্গম এলাকায় তল্লাশি কার্যক্রম পরিচালনা করেন। এ সময় অবৈধভাবে পাচারের উদ্দেশ্যে মজুদ করা আনুমানিক ৪৫০ (চারশত পঞ্চাশ) ঘনফুট সেগুন ও গামারী কাঠ মালিকবিহীন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, একটি সংঘবদ্ধ কাঠ পাচারকারী চক্র দীর্ঘদিন ধরে সীমান্তবর্তী দুর্গম এলাকা ব্যবহার করে এসব মূল্যবান কাঠ পাচারের অপচেষ্টা চালিয়ে আসছিল।
উদ্ধারকৃত সেগুন ও গামারী কাঠ পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে যথাযথ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আলীকদম উপজেলা সদরের তৈন রেঞ্জ কর্মকর্তার কার্যালয়ে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনানুগ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
আলীকদম সেনা জোন সূত্রে জানানো হয়, অবৈধ কাঠ পাচার, পরিবেশ ধ্বংস, অর্থনৈতিক অপরাধ এবং রাষ্ট্রবিরোধী যে কোনো তৎপরতা দমনে সেনাবাহিনী সর্বদা আপসহীন ও কঠোর অবস্থানে রয়েছে। পাশাপাশি এলাকার শান্তি, স্থিতিশীলতা ও পরিবেশ সংরক্ষণে ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যকর ও সময়োপযোগী অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।

জনপ্রিয়

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে বান্দরবান জেলা কাঠ ব্যবসায়ী সমিতি, ৩০০ জনকে ২ লাখ টাকা আর্থিক সহায়তা

error: Content is protected !!

আলীকদম সেনা জোনের সফল অভিযানে মালিকবিহীন বিপুল পরিমাণ সেগুন কাঠ উদ্ধার

প্রকাশের সময় : ১০:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৬

চৌধুরী মোহাম্মদ সুজন, লামা প্রতিনিধি।

দেশের পরিবেশ ও প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষায় ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে আলীকদম সেনা জোনের আওতাধীন কানামেম্বার ঘাট আর্মি ক্যাম্পের একটি চৌকস ও সুসংগঠিত বিশেষ টহলদল আজ শুক্রবার (১০ জানুয়ারি) অবৈধ কাঠ পাচারবিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত আলীকদম উপজেলার ২ নম্বর চৈক্ষ্যং ইউনিয়নের ঠাকুর ঝিড়ি এলাকায় এ অভিযান পরিচালিত হয়। কানামেম্বার ঘাট আর্মি ক্যাম্প থেকে আনুমানিক ২ দশমিক ৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে দুর্গম এলাকায় পরিচালিত অভিযানে লেফটেন্যান্ট মোহাম্মদ মুবতাসিম ফুয়াদ অর্ণব-এর দক্ষ নেতৃত্বে সেনাবাহিনীর একটি বিশেষ টহলদল অংশগ্রহণ করে।
অভিযান চলাকালে সেনাসদস্যরা অত্যন্ত পেশাদারিত্ব ও সাহসিকতার সঙ্গে দুর্গম এলাকায় তল্লাশি কার্যক্রম পরিচালনা করেন। এ সময় অবৈধভাবে পাচারের উদ্দেশ্যে মজুদ করা আনুমানিক ৪৫০ (চারশত পঞ্চাশ) ঘনফুট সেগুন ও গামারী কাঠ মালিকবিহীন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, একটি সংঘবদ্ধ কাঠ পাচারকারী চক্র দীর্ঘদিন ধরে সীমান্তবর্তী দুর্গম এলাকা ব্যবহার করে এসব মূল্যবান কাঠ পাচারের অপচেষ্টা চালিয়ে আসছিল।
উদ্ধারকৃত সেগুন ও গামারী কাঠ পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে যথাযথ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আলীকদম উপজেলা সদরের তৈন রেঞ্জ কর্মকর্তার কার্যালয়ে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনানুগ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
আলীকদম সেনা জোন সূত্রে জানানো হয়, অবৈধ কাঠ পাচার, পরিবেশ ধ্বংস, অর্থনৈতিক অপরাধ এবং রাষ্ট্রবিরোধী যে কোনো তৎপরতা দমনে সেনাবাহিনী সর্বদা আপসহীন ও কঠোর অবস্থানে রয়েছে। পাশাপাশি এলাকার শান্তি, স্থিতিশীলতা ও পরিবেশ সংরক্ষণে ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যকর ও সময়োপযোগী অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।