, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে মাটির নিচে লুকানো ১ লাখ ইয়াবা উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১ বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের নতুন অন্তর্বর্তীকালীন পরিষদের দায়িত্ব গ্রহণ মাম্যাচিংকে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান করায় উচ্ছ্বসিত বিএনপি, বান্দরবানে আনন্দ মিছিল অতি শীঘ্রই উপজেলা-পৌরসভা-ইউনিয়ন পর্যায়ে প্রার্থী ঘোষণা করবে এনসিপি: সারজিস আলম বান্দরবান নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার সীমান্তে ৪৯ হাজার ৯৮২ পিস ইয়াবা উদ্ধার বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ পুনর্গঠন, চেয়ারম্যান মাম্যাচিং বান্দরবানে ১ সেপ্টেম্বর যাত্রা শুরু করছে ‘সাথী’ পার্সেল ডেলিভারি থেকে বাজার-ওষুধ পৌঁছে দেওয়া—এক প্ল্যাটফর্মেই মিলবে নানা অন-ডিমান্ড সেবা ‘৬ রবিউল আউয়াল সকল ঈদের সেরা ঈদ’—বটতলীতে ঈদে মিলাদুন্নবী উদযাপন পার্বত্য চট্টগ্রামে সশস্ত্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর বেপরোয়া চাঁদাবাজি বন্ধের দাবিতে বান্দরবানে মানববন্ধন মোল্লার বাজারে জুয়া ও মাদকের ভয়াল বিস্তার, আতঙ্কে এলাকাবাসী

আলীকদম সেনা জোনের সফল অভিযানে মালিকবিহীন বিপুল পরিমাণ সেগুন কাঠ উদ্ধার

  • প্রকাশের সময় : ১০:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৮০ পড়া হয়েছে

চৌধুরী মোহাম্মদ সুজন, লামা প্রতিনিধি।

দেশের পরিবেশ ও প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষায় ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে আলীকদম সেনা জোনের আওতাধীন কানামেম্বার ঘাট আর্মি ক্যাম্পের একটি চৌকস ও সুসংগঠিত বিশেষ টহলদল আজ শুক্রবার (১০ জানুয়ারি) অবৈধ কাঠ পাচারবিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত আলীকদম উপজেলার ২ নম্বর চৈক্ষ্যং ইউনিয়নের ঠাকুর ঝিড়ি এলাকায় এ অভিযান পরিচালিত হয়। কানামেম্বার ঘাট আর্মি ক্যাম্প থেকে আনুমানিক ২ দশমিক ৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে দুর্গম এলাকায় পরিচালিত অভিযানে লেফটেন্যান্ট মোহাম্মদ মুবতাসিম ফুয়াদ অর্ণব-এর দক্ষ নেতৃত্বে সেনাবাহিনীর একটি বিশেষ টহলদল অংশগ্রহণ করে।
অভিযান চলাকালে সেনাসদস্যরা অত্যন্ত পেশাদারিত্ব ও সাহসিকতার সঙ্গে দুর্গম এলাকায় তল্লাশি কার্যক্রম পরিচালনা করেন। এ সময় অবৈধভাবে পাচারের উদ্দেশ্যে মজুদ করা আনুমানিক ৪৫০ (চারশত পঞ্চাশ) ঘনফুট সেগুন ও গামারী কাঠ মালিকবিহীন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, একটি সংঘবদ্ধ কাঠ পাচারকারী চক্র দীর্ঘদিন ধরে সীমান্তবর্তী দুর্গম এলাকা ব্যবহার করে এসব মূল্যবান কাঠ পাচারের অপচেষ্টা চালিয়ে আসছিল।
উদ্ধারকৃত সেগুন ও গামারী কাঠ পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে যথাযথ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আলীকদম উপজেলা সদরের তৈন রেঞ্জ কর্মকর্তার কার্যালয়ে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনানুগ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
আলীকদম সেনা জোন সূত্রে জানানো হয়, অবৈধ কাঠ পাচার, পরিবেশ ধ্বংস, অর্থনৈতিক অপরাধ এবং রাষ্ট্রবিরোধী যে কোনো তৎপরতা দমনে সেনাবাহিনী সর্বদা আপসহীন ও কঠোর অবস্থানে রয়েছে। পাশাপাশি এলাকার শান্তি, স্থিতিশীলতা ও পরিবেশ সংরক্ষণে ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যকর ও সময়োপযোগী অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।

জনপ্রিয়

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে মাটির নিচে লুকানো ১ লাখ ইয়াবা উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১

error: Content is protected !!

আলীকদম সেনা জোনের সফল অভিযানে মালিকবিহীন বিপুল পরিমাণ সেগুন কাঠ উদ্ধার

প্রকাশের সময় : ১০:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৬

চৌধুরী মোহাম্মদ সুজন, লামা প্রতিনিধি।

দেশের পরিবেশ ও প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষায় ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে আলীকদম সেনা জোনের আওতাধীন কানামেম্বার ঘাট আর্মি ক্যাম্পের একটি চৌকস ও সুসংগঠিত বিশেষ টহলদল আজ শুক্রবার (১০ জানুয়ারি) অবৈধ কাঠ পাচারবিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত আলীকদম উপজেলার ২ নম্বর চৈক্ষ্যং ইউনিয়নের ঠাকুর ঝিড়ি এলাকায় এ অভিযান পরিচালিত হয়। কানামেম্বার ঘাট আর্মি ক্যাম্প থেকে আনুমানিক ২ দশমিক ৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে দুর্গম এলাকায় পরিচালিত অভিযানে লেফটেন্যান্ট মোহাম্মদ মুবতাসিম ফুয়াদ অর্ণব-এর দক্ষ নেতৃত্বে সেনাবাহিনীর একটি বিশেষ টহলদল অংশগ্রহণ করে।
অভিযান চলাকালে সেনাসদস্যরা অত্যন্ত পেশাদারিত্ব ও সাহসিকতার সঙ্গে দুর্গম এলাকায় তল্লাশি কার্যক্রম পরিচালনা করেন। এ সময় অবৈধভাবে পাচারের উদ্দেশ্যে মজুদ করা আনুমানিক ৪৫০ (চারশত পঞ্চাশ) ঘনফুট সেগুন ও গামারী কাঠ মালিকবিহীন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, একটি সংঘবদ্ধ কাঠ পাচারকারী চক্র দীর্ঘদিন ধরে সীমান্তবর্তী দুর্গম এলাকা ব্যবহার করে এসব মূল্যবান কাঠ পাচারের অপচেষ্টা চালিয়ে আসছিল।
উদ্ধারকৃত সেগুন ও গামারী কাঠ পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে যথাযথ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আলীকদম উপজেলা সদরের তৈন রেঞ্জ কর্মকর্তার কার্যালয়ে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনানুগ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
আলীকদম সেনা জোন সূত্রে জানানো হয়, অবৈধ কাঠ পাচার, পরিবেশ ধ্বংস, অর্থনৈতিক অপরাধ এবং রাষ্ট্রবিরোধী যে কোনো তৎপরতা দমনে সেনাবাহিনী সর্বদা আপসহীন ও কঠোর অবস্থানে রয়েছে। পাশাপাশি এলাকার শান্তি, স্থিতিশীলতা ও পরিবেশ সংরক্ষণে ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যকর ও সময়োপযোগী অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।