, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে বান্দরবান জেলা কাঠ ব্যবসায়ী সমিতি, ৩০০ জনকে ২ লাখ টাকা আর্থিক সহায়তা বান্দরবানে গাউছিয়া কমিটির উদ্যোগে বন্যার্ত ৩০০ পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ বান্দরবানে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ২০০ পরিবারের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ বিশেষ অভিযানে উদ্ধার ১০ হারানো মোবাইল, প্রকৃত মালিকদের হাতে ফিরিয়ে দিল বান্দরবান সদর থানা বান্দরবানে বন্যাদুর্গত ৭৫ পরিবারের মাঝে বিজিবির ত্রাণ বিতরণ বন্যাদুর্গতদের পাশে বান্দরবান বিজিবি, ১০০ পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ বান্দরবানে সেনাবাহিনীর অভিযানে প্রায় ১৫ লাখ টাকার অবৈধ কাঠ জব্দ তিন পার্বত্য জেলায় ৫৪ শতাংশ বাঙালির আয়কর মওকুফ ও বাজারফান্ড এলাকায় ব্যাংক ঋণ পুনরায় চালুর দাবি বান্দরবানে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিলের ঈদ উপহার বিতরণ সংরক্ষিত মহিলা আসনের এমপি এডভোকেট মাধবী মার্মা বান্দরবানের দুর্গম পাহাড়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে সেনাবাহিনীর শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ

বান্দরবানে বন্ধ ফিলিং স্টেশন খুলে নিজেই তেল বিতরণে এমপি সাচিং প্রু জেরী

  • প্রকাশের সময় : ০৬:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬
  • ৪০ পড়া হয়েছে

মঈন উদ্দীন, বান্দরবান প্রতিনিধি:

পর্যটননির্ভর জেলা বান্দরবানে তেলের সংকটে বিপাকে পড়া পর্যটক ও স্থানীয়দের স্বস্তি দিতে বন্ধ থাকা ফিলিং স্টেশন খুলে নিজেই দাঁড়িয়ে তেল বিতরণ করেছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য রাজপুত্র সাচিং প্রু জেরী।

আজ শুক্রবার (২৭ মার্চ) সকালে তিনি শহরের বিভিন্ন ফিলিং স্টেশন পরিদর্শনে যান। এসময় মোটরসাইকেল, জীপ ও পর্যটকবাহী বিভিন্ন যানবাহন দীর্ঘ লাইনে অপেক্ষা করতে দেখা যায়। তেল মজুদ থাকা সত্ত্বেও কয়েকটি ফিলিং স্টেশন বন্ধ রাখায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।
পরিদর্শনকালে উঝমা ওয়েল ফিলিং স্টেশন সীমিত আকারে তেল সরবরাহ করলেও পাহাড়িকা ফিলিং স্টেশনসহ আরও কয়েকটি পাম্প বন্ধ ছিল। বিষয়টি জানতে পেরে এমপি তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্ট ফিলিং স্টেশনে গিয়ে মালিকপক্ষকে পাম্প চালুর নির্দেশ দেন।
একপর্যায়ে তিনি নিজেই পাম্পে দাঁড়িয়ে তেল বিতরণ কার্যক্রম শুরু করেন। এতে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা পর্যটক ও স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্তি ফিরে আসে।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান জেলা বিএনপির যুগ্ন আহবায়ক আব্দুল মাবুদ, যুগ্ন আহবায়ক জাহাঙ্গীর আলম, জেলা যুবদলের সভাপতি জহির উদ্দিন মাসুম, জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আরিফ উদ্দীন চৌধুরী, সহ বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন নেতাকর্মী প্রিন্ট মিডিয়া ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিক।

এ সময় সংসদ সদস্য রাজপুত্র সাচিং প্রু জেরী বান্দরবানে ভ্রমণে আসা দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত টুরিস্ট বাইকারদের উৎসাহিত করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের অন্যতম আকর্ষণীয় পর্যটন নগরী হলো বান্দরবান। ছুটির মৌসুম ও সাপ্তাহিক ছুটিতে দেশের নানা প্রান্ত থেকে পাহাড়প্রেমীরা এখানে ভিড় জমায়। তারা সবাই বান্দরবানের সম্মানিত অতিথি—তাই তাদের প্রতি আন্তরিকতা ও সহায়তা আরও বাড়াতে হবে।

তিনি আরও বলেন, বান্দরবানের পর্যটন স্পটগুলো অধিকাংশই দূরবর্তী ও পাহাড়ি এলাকায় অবস্থিত। এসব স্থানে বাইক নিয়ে যাতায়াত করতে পর্যাপ্ত জ্বালানি অত্যন্ত জরুরি। প্রয়োজনীয় তেলের অভাবে অনেক সময় বাইকারদের দুর্গম পথে বিপাকে পড়তে হয়। তাই পর্যটকদের নির্বিঘ্ন ভ্রমণ নিশ্চিত করতে বাইকারদের প্রতি সার্বক্ষণিক সহযোগিতা প্রদান করা জরুরি।

তিনি উল্লেখ করেন, বান্দরবানের রোয়াংছড়ি, রুমা ও থানচি উপজেলায় অবস্থিত দেশের দৃষ্টিনন্দন পর্যটন কেন্দ্রগুলোর মধ্যে দেবতাখুম, তামা তুঙ্গী, বগালেক, চিম্বুক, ডিম পাহাড় এবং বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ তাজিংডং বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। এসব স্থানে ভ্রমণ করতে পর্যাপ্ত প্রস্তুতি ও জ্বালানি নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

এসময় অনেক পর্যটক এমপির সঙ্গে হাত মিলিয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং দ্রুত সমস্যা সমাধানে সন্তোষ জানান।
স্থানীয়দের ভাষ্য, তেল সংকটের কারণে বান্দরবানের পর্যটন খাতে ভোগান্তি বাড়ছিল। এমপির সরাসরি হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে।

জনপ্রিয়

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে বান্দরবান জেলা কাঠ ব্যবসায়ী সমিতি, ৩০০ জনকে ২ লাখ টাকা আর্থিক সহায়তা

error: Content is protected !!

বান্দরবানে বন্ধ ফিলিং স্টেশন খুলে নিজেই তেল বিতরণে এমপি সাচিং প্রু জেরী

প্রকাশের সময় : ০৬:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬

মঈন উদ্দীন, বান্দরবান প্রতিনিধি:

পর্যটননির্ভর জেলা বান্দরবানে তেলের সংকটে বিপাকে পড়া পর্যটক ও স্থানীয়দের স্বস্তি দিতে বন্ধ থাকা ফিলিং স্টেশন খুলে নিজেই দাঁড়িয়ে তেল বিতরণ করেছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য রাজপুত্র সাচিং প্রু জেরী।

আজ শুক্রবার (২৭ মার্চ) সকালে তিনি শহরের বিভিন্ন ফিলিং স্টেশন পরিদর্শনে যান। এসময় মোটরসাইকেল, জীপ ও পর্যটকবাহী বিভিন্ন যানবাহন দীর্ঘ লাইনে অপেক্ষা করতে দেখা যায়। তেল মজুদ থাকা সত্ত্বেও কয়েকটি ফিলিং স্টেশন বন্ধ রাখায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।
পরিদর্শনকালে উঝমা ওয়েল ফিলিং স্টেশন সীমিত আকারে তেল সরবরাহ করলেও পাহাড়িকা ফিলিং স্টেশনসহ আরও কয়েকটি পাম্প বন্ধ ছিল। বিষয়টি জানতে পেরে এমপি তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্ট ফিলিং স্টেশনে গিয়ে মালিকপক্ষকে পাম্প চালুর নির্দেশ দেন।
একপর্যায়ে তিনি নিজেই পাম্পে দাঁড়িয়ে তেল বিতরণ কার্যক্রম শুরু করেন। এতে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা পর্যটক ও স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্তি ফিরে আসে।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান জেলা বিএনপির যুগ্ন আহবায়ক আব্দুল মাবুদ, যুগ্ন আহবায়ক জাহাঙ্গীর আলম, জেলা যুবদলের সভাপতি জহির উদ্দিন মাসুম, জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আরিফ উদ্দীন চৌধুরী, সহ বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন নেতাকর্মী প্রিন্ট মিডিয়া ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিক।

এ সময় সংসদ সদস্য রাজপুত্র সাচিং প্রু জেরী বান্দরবানে ভ্রমণে আসা দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত টুরিস্ট বাইকারদের উৎসাহিত করেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের অন্যতম আকর্ষণীয় পর্যটন নগরী হলো বান্দরবান। ছুটির মৌসুম ও সাপ্তাহিক ছুটিতে দেশের নানা প্রান্ত থেকে পাহাড়প্রেমীরা এখানে ভিড় জমায়। তারা সবাই বান্দরবানের সম্মানিত অতিথি—তাই তাদের প্রতি আন্তরিকতা ও সহায়তা আরও বাড়াতে হবে।

তিনি আরও বলেন, বান্দরবানের পর্যটন স্পটগুলো অধিকাংশই দূরবর্তী ও পাহাড়ি এলাকায় অবস্থিত। এসব স্থানে বাইক নিয়ে যাতায়াত করতে পর্যাপ্ত জ্বালানি অত্যন্ত জরুরি। প্রয়োজনীয় তেলের অভাবে অনেক সময় বাইকারদের দুর্গম পথে বিপাকে পড়তে হয়। তাই পর্যটকদের নির্বিঘ্ন ভ্রমণ নিশ্চিত করতে বাইকারদের প্রতি সার্বক্ষণিক সহযোগিতা প্রদান করা জরুরি।

তিনি উল্লেখ করেন, বান্দরবানের রোয়াংছড়ি, রুমা ও থানচি উপজেলায় অবস্থিত দেশের দৃষ্টিনন্দন পর্যটন কেন্দ্রগুলোর মধ্যে দেবতাখুম, তামা তুঙ্গী, বগালেক, চিম্বুক, ডিম পাহাড় এবং বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ তাজিংডং বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। এসব স্থানে ভ্রমণ করতে পর্যাপ্ত প্রস্তুতি ও জ্বালানি নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

এসময় অনেক পর্যটক এমপির সঙ্গে হাত মিলিয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং দ্রুত সমস্যা সমাধানে সন্তোষ জানান।
স্থানীয়দের ভাষ্য, তেল সংকটের কারণে বান্দরবানের পর্যটন খাতে ভোগান্তি বাড়ছিল। এমপির সরাসরি হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে।