, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পূজায় নিরাপত্তা নিশ্চিতে বান্দরবানে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন, আনসার-ভিডিপি জেলা কমান্ড্যান্ট শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে বান্দরবান সেনা জোনের আর্থিক অনুদান বিতরণ বান্দরবানে সাকসেস একাডেমিক অ্যান্ড অ্যাডমিশন কেয়ারের অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত ক্যান্সার আক্রান্ত আসমার পাশে মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী, চিকিৎসায় নগদ অর্থ সহায়তা সূর্যমুখী শিশু কিশোর ফাউন্ডেশন এর ২৯ তম প্রতিষ্ঠা, শিক্ষা উপকরণ ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত। বান্দরবানে আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবস পালিত জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে ৭ মাসের শিশু আহাদ, বাঁচাতে প্রয়োজন মানবিক সহযোগিতা। বান্দরবানের বালাঘাটার শিশু আব্দুল্লাহ আল আহাদ চট্টগ্রামের ইম্পেরিয়াল হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে; চিকিৎসার ব্যয় নিয়ে দুশ্চিন্তায় পরিবার  লামায় নদীর ঘাটে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালালো পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র পরিষদ বান্দরবানে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে বিএনপির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত, অংশ নিলেন মাধবী মার্মা এমপি

রাতভর সেনা অভিযানে টংকাবতীতে অপহৃত ৬ শ্রমিক উদ্ধার

  • প্রকাশের সময় : ০৪:০৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
  • ৮২ পড়া হয়েছে

বান্দরবান প্রতিনিধি:

বান্দরবান সদর উপজেলার টংকাবতী ইউনিয়নে অপহৃত ৬ রাবার শ্রমিককে জীবিত ও অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।

আজ বৃহস্পতিবার (২৪ এপ্রিল) ভোরে পরিচালিত অভিযানে তাদের উদ্ধার করা হয়।
জানা যায়, গত ২২ এপ্রিল রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে টংকাবতী ইউনিয়নের ইসমাইলের রাবার বাগান এলাকা থেকে অজ্ঞাত সশস্ত্র একটি গ্রুপ শ্রমিকদের অপহরণ করে। পরদিন অপহরণকারীরা একটি অজ্ঞাত নম্বর থেকে বাগান মালিক মো. ইসমাইলের কাছে ফোন করে ২০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে এবং অর্থ না দিলে অপহৃতদের প্রাণনাশের হুমকি দেয়।
ঘটনার পরপরই বান্দরবান সেনা জোন (২৮ ই বেঙ্গল) বিপুল সংখ্যক সেনাসদস্য নিয়ে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। ২৩ এপ্রিল থেকে ২৪ এপ্রিল ভোর পর্যন্ত দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে দিন-রাত চিরুনি অভিযান চালানো হয়।
সেনাবাহিনী সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার ভোরে একটি পাহাড়ি এলাকায় অভিযান চালানো হলে সেনাবাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে অপহরণকারীরা অপহৃত শ্রমিকদের ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। পরে সেনাসদস্যরা তাদের নিরাপদে উদ্ধার করে।
অভিযান চলাকালে ম্যাংতাং ম্রো (৩০) নামে এক সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। তাকে পুলিশের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।
উদ্ধারকৃত শ্রমিকরা হলেন— মো. ইসমাইল, মো. আরাফাত, মো. শফিক, মো. নুরুল আফসার, মো. কলিমুল্লা ও মো. রমিত। উদ্ধার শেষে প্রাথমিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
সেনাবাহিনীর এই অভিযানে এলাকায় স্বস্তি ফিরে এসেছে। স্থানীয়দের মতে, দ্রুত পদক্ষেপ ও টানা অভিযানের কারণে অপহরণকারীরা পিছু হটতে বাধ্য হয়েছে, যা আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বাহিনীর কার্যকর ভূমিকার প্রমাণ।

জনপ্রিয়

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পূজায় নিরাপত্তা নিশ্চিতে বান্দরবানে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন, আনসার-ভিডিপি জেলা কমান্ড্যান্ট

error: Content is protected !!

রাতভর সেনা অভিযানে টংকাবতীতে অপহৃত ৬ শ্রমিক উদ্ধার

প্রকাশের সময় : ০৪:০৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬

বান্দরবান প্রতিনিধি:

বান্দরবান সদর উপজেলার টংকাবতী ইউনিয়নে অপহৃত ৬ রাবার শ্রমিককে জীবিত ও অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।

আজ বৃহস্পতিবার (২৪ এপ্রিল) ভোরে পরিচালিত অভিযানে তাদের উদ্ধার করা হয়।
জানা যায়, গত ২২ এপ্রিল রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে টংকাবতী ইউনিয়নের ইসমাইলের রাবার বাগান এলাকা থেকে অজ্ঞাত সশস্ত্র একটি গ্রুপ শ্রমিকদের অপহরণ করে। পরদিন অপহরণকারীরা একটি অজ্ঞাত নম্বর থেকে বাগান মালিক মো. ইসমাইলের কাছে ফোন করে ২০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে এবং অর্থ না দিলে অপহৃতদের প্রাণনাশের হুমকি দেয়।
ঘটনার পরপরই বান্দরবান সেনা জোন (২৮ ই বেঙ্গল) বিপুল সংখ্যক সেনাসদস্য নিয়ে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। ২৩ এপ্রিল থেকে ২৪ এপ্রিল ভোর পর্যন্ত দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে দিন-রাত চিরুনি অভিযান চালানো হয়।
সেনাবাহিনী সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার ভোরে একটি পাহাড়ি এলাকায় অভিযান চালানো হলে সেনাবাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে অপহরণকারীরা অপহৃত শ্রমিকদের ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। পরে সেনাসদস্যরা তাদের নিরাপদে উদ্ধার করে।
অভিযান চলাকালে ম্যাংতাং ম্রো (৩০) নামে এক সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। তাকে পুলিশের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।
উদ্ধারকৃত শ্রমিকরা হলেন— মো. ইসমাইল, মো. আরাফাত, মো. শফিক, মো. নুরুল আফসার, মো. কলিমুল্লা ও মো. রমিত। উদ্ধার শেষে প্রাথমিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
সেনাবাহিনীর এই অভিযানে এলাকায় স্বস্তি ফিরে এসেছে। স্থানীয়দের মতে, দ্রুত পদক্ষেপ ও টানা অভিযানের কারণে অপহরণকারীরা পিছু হটতে বাধ্য হয়েছে, যা আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বাহিনীর কার্যকর ভূমিকার প্রমাণ।