, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে মাটির নিচে লুকানো ১ লাখ ইয়াবা উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১ বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের নতুন অন্তর্বর্তীকালীন পরিষদের দায়িত্ব গ্রহণ মাম্যাচিংকে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান করায় উচ্ছ্বসিত বিএনপি, বান্দরবানে আনন্দ মিছিল অতি শীঘ্রই উপজেলা-পৌরসভা-ইউনিয়ন পর্যায়ে প্রার্থী ঘোষণা করবে এনসিপি: সারজিস আলম বান্দরবান নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার সীমান্তে ৪৯ হাজার ৯৮২ পিস ইয়াবা উদ্ধার বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ পুনর্গঠন, চেয়ারম্যান মাম্যাচিং বান্দরবানে ১ সেপ্টেম্বর যাত্রা শুরু করছে ‘সাথী’ পার্সেল ডেলিভারি থেকে বাজার-ওষুধ পৌঁছে দেওয়া—এক প্ল্যাটফর্মেই মিলবে নানা অন-ডিমান্ড সেবা ‘৬ রবিউল আউয়াল সকল ঈদের সেরা ঈদ’—বটতলীতে ঈদে মিলাদুন্নবী উদযাপন পার্বত্য চট্টগ্রামে সশস্ত্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর বেপরোয়া চাঁদাবাজি বন্ধের দাবিতে বান্দরবানে মানববন্ধন মোল্লার বাজারে জুয়া ও মাদকের ভয়াল বিস্তার, আতঙ্কে এলাকাবাসী

রাতভর সেনা অভিযানে টংকাবতীতে অপহৃত ৬ শ্রমিক উদ্ধার

  • প্রকাশের সময় : ০৪:০৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
  • ৬৭ পড়া হয়েছে

বান্দরবান প্রতিনিধি:

বান্দরবান সদর উপজেলার টংকাবতী ইউনিয়নে অপহৃত ৬ রাবার শ্রমিককে জীবিত ও অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।

আজ বৃহস্পতিবার (২৪ এপ্রিল) ভোরে পরিচালিত অভিযানে তাদের উদ্ধার করা হয়।
জানা যায়, গত ২২ এপ্রিল রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে টংকাবতী ইউনিয়নের ইসমাইলের রাবার বাগান এলাকা থেকে অজ্ঞাত সশস্ত্র একটি গ্রুপ শ্রমিকদের অপহরণ করে। পরদিন অপহরণকারীরা একটি অজ্ঞাত নম্বর থেকে বাগান মালিক মো. ইসমাইলের কাছে ফোন করে ২০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে এবং অর্থ না দিলে অপহৃতদের প্রাণনাশের হুমকি দেয়।
ঘটনার পরপরই বান্দরবান সেনা জোন (২৮ ই বেঙ্গল) বিপুল সংখ্যক সেনাসদস্য নিয়ে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। ২৩ এপ্রিল থেকে ২৪ এপ্রিল ভোর পর্যন্ত দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে দিন-রাত চিরুনি অভিযান চালানো হয়।
সেনাবাহিনী সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার ভোরে একটি পাহাড়ি এলাকায় অভিযান চালানো হলে সেনাবাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে অপহরণকারীরা অপহৃত শ্রমিকদের ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। পরে সেনাসদস্যরা তাদের নিরাপদে উদ্ধার করে।
অভিযান চলাকালে ম্যাংতাং ম্রো (৩০) নামে এক সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। তাকে পুলিশের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।
উদ্ধারকৃত শ্রমিকরা হলেন— মো. ইসমাইল, মো. আরাফাত, মো. শফিক, মো. নুরুল আফসার, মো. কলিমুল্লা ও মো. রমিত। উদ্ধার শেষে প্রাথমিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
সেনাবাহিনীর এই অভিযানে এলাকায় স্বস্তি ফিরে এসেছে। স্থানীয়দের মতে, দ্রুত পদক্ষেপ ও টানা অভিযানের কারণে অপহরণকারীরা পিছু হটতে বাধ্য হয়েছে, যা আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বাহিনীর কার্যকর ভূমিকার প্রমাণ।

জনপ্রিয়

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে মাটির নিচে লুকানো ১ লাখ ইয়াবা উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১

error: Content is protected !!

রাতভর সেনা অভিযানে টংকাবতীতে অপহৃত ৬ শ্রমিক উদ্ধার

প্রকাশের সময় : ০৪:০৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬

বান্দরবান প্রতিনিধি:

বান্দরবান সদর উপজেলার টংকাবতী ইউনিয়নে অপহৃত ৬ রাবার শ্রমিককে জীবিত ও অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।

আজ বৃহস্পতিবার (২৪ এপ্রিল) ভোরে পরিচালিত অভিযানে তাদের উদ্ধার করা হয়।
জানা যায়, গত ২২ এপ্রিল রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে টংকাবতী ইউনিয়নের ইসমাইলের রাবার বাগান এলাকা থেকে অজ্ঞাত সশস্ত্র একটি গ্রুপ শ্রমিকদের অপহরণ করে। পরদিন অপহরণকারীরা একটি অজ্ঞাত নম্বর থেকে বাগান মালিক মো. ইসমাইলের কাছে ফোন করে ২০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে এবং অর্থ না দিলে অপহৃতদের প্রাণনাশের হুমকি দেয়।
ঘটনার পরপরই বান্দরবান সেনা জোন (২৮ ই বেঙ্গল) বিপুল সংখ্যক সেনাসদস্য নিয়ে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। ২৩ এপ্রিল থেকে ২৪ এপ্রিল ভোর পর্যন্ত দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে দিন-রাত চিরুনি অভিযান চালানো হয়।
সেনাবাহিনী সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার ভোরে একটি পাহাড়ি এলাকায় অভিযান চালানো হলে সেনাবাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে অপহরণকারীরা অপহৃত শ্রমিকদের ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। পরে সেনাসদস্যরা তাদের নিরাপদে উদ্ধার করে।
অভিযান চলাকালে ম্যাংতাং ম্রো (৩০) নামে এক সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। তাকে পুলিশের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।
উদ্ধারকৃত শ্রমিকরা হলেন— মো. ইসমাইল, মো. আরাফাত, মো. শফিক, মো. নুরুল আফসার, মো. কলিমুল্লা ও মো. রমিত। উদ্ধার শেষে প্রাথমিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
সেনাবাহিনীর এই অভিযানে এলাকায় স্বস্তি ফিরে এসেছে। স্থানীয়দের মতে, দ্রুত পদক্ষেপ ও টানা অভিযানের কারণে অপহরণকারীরা পিছু হটতে বাধ্য হয়েছে, যা আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বাহিনীর কার্যকর ভূমিকার প্রমাণ।