, মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬, ১৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ঈদুল আযহা উপলক্ষে বান্দরবানে এনসিপির ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত বান্দরবান পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডে প্রশাসনের নাকের ডগায় চুরি, মাদক ও কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য, আতঙ্কে এলাকাবাসী বান্দরবানে চাঁদাবাজি ও হুমকির অভিযোগে ছাত্রলীগ নেতা হাসান গণপিটুনির পর পুলিশে সোপর্দ নারী ও শিশু উন্নয়নে কাজের অঙ্গীকার সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি মাধবী মার্মার বান্দরবান সার্বজনীন কেন্দ্রীয় বৌদ্ধ বিহারের দ্বিবার্ষিকী নবগঠিত কমিটি গঠন ওয়ালটন ফ্রিজ কিনে ১০ লাখ টাকা পেলেন বান্দরবানের সুপ্রকাশ চাকমা বান্দরবানের দুর্গম পাহাড়ে সকল অসহায় পরিবারের ভাগ্য বদলাতে কাজ করবেন এমপি সাচিং প্রু জেরী। বান্দরবানে চেকপোস্টে ২১ রোহিঙ্গা আটক কাজুবাদাম ও কফি চাষে আধুনিক প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে রোয়াংছড়িতে প্রশিক্ষণ ও মাঠ দিবস আয়োজন বান্দরবানে মহান আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

রাতভর সেনা অভিযানে টংকাবতীতে অপহৃত ৬ শ্রমিক উদ্ধার

  • প্রকাশের সময় : ০৪:০৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
  • ৩২ পড়া হয়েছে

বান্দরবান প্রতিনিধি:

বান্দরবান সদর উপজেলার টংকাবতী ইউনিয়নে অপহৃত ৬ রাবার শ্রমিককে জীবিত ও অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।

আজ বৃহস্পতিবার (২৪ এপ্রিল) ভোরে পরিচালিত অভিযানে তাদের উদ্ধার করা হয়।
জানা যায়, গত ২২ এপ্রিল রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে টংকাবতী ইউনিয়নের ইসমাইলের রাবার বাগান এলাকা থেকে অজ্ঞাত সশস্ত্র একটি গ্রুপ শ্রমিকদের অপহরণ করে। পরদিন অপহরণকারীরা একটি অজ্ঞাত নম্বর থেকে বাগান মালিক মো. ইসমাইলের কাছে ফোন করে ২০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে এবং অর্থ না দিলে অপহৃতদের প্রাণনাশের হুমকি দেয়।
ঘটনার পরপরই বান্দরবান সেনা জোন (২৮ ই বেঙ্গল) বিপুল সংখ্যক সেনাসদস্য নিয়ে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। ২৩ এপ্রিল থেকে ২৪ এপ্রিল ভোর পর্যন্ত দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে দিন-রাত চিরুনি অভিযান চালানো হয়।
সেনাবাহিনী সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার ভোরে একটি পাহাড়ি এলাকায় অভিযান চালানো হলে সেনাবাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে অপহরণকারীরা অপহৃত শ্রমিকদের ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। পরে সেনাসদস্যরা তাদের নিরাপদে উদ্ধার করে।
অভিযান চলাকালে ম্যাংতাং ম্রো (৩০) নামে এক সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। তাকে পুলিশের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।
উদ্ধারকৃত শ্রমিকরা হলেন— মো. ইসমাইল, মো. আরাফাত, মো. শফিক, মো. নুরুল আফসার, মো. কলিমুল্লা ও মো. রমিত। উদ্ধার শেষে প্রাথমিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
সেনাবাহিনীর এই অভিযানে এলাকায় স্বস্তি ফিরে এসেছে। স্থানীয়দের মতে, দ্রুত পদক্ষেপ ও টানা অভিযানের কারণে অপহরণকারীরা পিছু হটতে বাধ্য হয়েছে, যা আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বাহিনীর কার্যকর ভূমিকার প্রমাণ।

ঈদুল আযহা উপলক্ষে বান্দরবানে এনসিপির ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত

error: Content is protected !!

রাতভর সেনা অভিযানে টংকাবতীতে অপহৃত ৬ শ্রমিক উদ্ধার

প্রকাশের সময় : ০৪:০৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬

বান্দরবান প্রতিনিধি:

বান্দরবান সদর উপজেলার টংকাবতী ইউনিয়নে অপহৃত ৬ রাবার শ্রমিককে জীবিত ও অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।

আজ বৃহস্পতিবার (২৪ এপ্রিল) ভোরে পরিচালিত অভিযানে তাদের উদ্ধার করা হয়।
জানা যায়, গত ২২ এপ্রিল রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে টংকাবতী ইউনিয়নের ইসমাইলের রাবার বাগান এলাকা থেকে অজ্ঞাত সশস্ত্র একটি গ্রুপ শ্রমিকদের অপহরণ করে। পরদিন অপহরণকারীরা একটি অজ্ঞাত নম্বর থেকে বাগান মালিক মো. ইসমাইলের কাছে ফোন করে ২০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে এবং অর্থ না দিলে অপহৃতদের প্রাণনাশের হুমকি দেয়।
ঘটনার পরপরই বান্দরবান সেনা জোন (২৮ ই বেঙ্গল) বিপুল সংখ্যক সেনাসদস্য নিয়ে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। ২৩ এপ্রিল থেকে ২৪ এপ্রিল ভোর পর্যন্ত দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে দিন-রাত চিরুনি অভিযান চালানো হয়।
সেনাবাহিনী সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার ভোরে একটি পাহাড়ি এলাকায় অভিযান চালানো হলে সেনাবাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে অপহরণকারীরা অপহৃত শ্রমিকদের ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। পরে সেনাসদস্যরা তাদের নিরাপদে উদ্ধার করে।
অভিযান চলাকালে ম্যাংতাং ম্রো (৩০) নামে এক সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। তাকে পুলিশের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।
উদ্ধারকৃত শ্রমিকরা হলেন— মো. ইসমাইল, মো. আরাফাত, মো. শফিক, মো. নুরুল আফসার, মো. কলিমুল্লা ও মো. রমিত। উদ্ধার শেষে প্রাথমিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
সেনাবাহিনীর এই অভিযানে এলাকায় স্বস্তি ফিরে এসেছে। স্থানীয়দের মতে, দ্রুত পদক্ষেপ ও টানা অভিযানের কারণে অপহরণকারীরা পিছু হটতে বাধ্য হয়েছে, যা আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বাহিনীর কার্যকর ভূমিকার প্রমাণ।