, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে বান্দরবান জেলা কাঠ ব্যবসায়ী সমিতি, ৩০০ জনকে ২ লাখ টাকা আর্থিক সহায়তা বান্দরবানে গাউছিয়া কমিটির উদ্যোগে বন্যার্ত ৩০০ পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ বান্দরবানে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ২০০ পরিবারের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ বিশেষ অভিযানে উদ্ধার ১০ হারানো মোবাইল, প্রকৃত মালিকদের হাতে ফিরিয়ে দিল বান্দরবান সদর থানা বান্দরবানে বন্যাদুর্গত ৭৫ পরিবারের মাঝে বিজিবির ত্রাণ বিতরণ বন্যাদুর্গতদের পাশে বান্দরবান বিজিবি, ১০০ পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ বান্দরবানে সেনাবাহিনীর অভিযানে প্রায় ১৫ লাখ টাকার অবৈধ কাঠ জব্দ তিন পার্বত্য জেলায় ৫৪ শতাংশ বাঙালির আয়কর মওকুফ ও বাজারফান্ড এলাকায় ব্যাংক ঋণ পুনরায় চালুর দাবি বান্দরবানে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিলের ঈদ উপহার বিতরণ সংরক্ষিত মহিলা আসনের এমপি এডভোকেট মাধবী মার্মা বান্দরবানের দুর্গম পাহাড়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে সেনাবাহিনীর শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ

রাতভর সেনা অভিযানে টংকাবতীতে অপহৃত ৬ শ্রমিক উদ্ধার

  • প্রকাশের সময় : ০৪:০৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
  • ৪৭ পড়া হয়েছে

বান্দরবান প্রতিনিধি:

বান্দরবান সদর উপজেলার টংকাবতী ইউনিয়নে অপহৃত ৬ রাবার শ্রমিককে জীবিত ও অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।

আজ বৃহস্পতিবার (২৪ এপ্রিল) ভোরে পরিচালিত অভিযানে তাদের উদ্ধার করা হয়।
জানা যায়, গত ২২ এপ্রিল রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে টংকাবতী ইউনিয়নের ইসমাইলের রাবার বাগান এলাকা থেকে অজ্ঞাত সশস্ত্র একটি গ্রুপ শ্রমিকদের অপহরণ করে। পরদিন অপহরণকারীরা একটি অজ্ঞাত নম্বর থেকে বাগান মালিক মো. ইসমাইলের কাছে ফোন করে ২০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে এবং অর্থ না দিলে অপহৃতদের প্রাণনাশের হুমকি দেয়।
ঘটনার পরপরই বান্দরবান সেনা জোন (২৮ ই বেঙ্গল) বিপুল সংখ্যক সেনাসদস্য নিয়ে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। ২৩ এপ্রিল থেকে ২৪ এপ্রিল ভোর পর্যন্ত দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে দিন-রাত চিরুনি অভিযান চালানো হয়।
সেনাবাহিনী সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার ভোরে একটি পাহাড়ি এলাকায় অভিযান চালানো হলে সেনাবাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে অপহরণকারীরা অপহৃত শ্রমিকদের ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। পরে সেনাসদস্যরা তাদের নিরাপদে উদ্ধার করে।
অভিযান চলাকালে ম্যাংতাং ম্রো (৩০) নামে এক সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। তাকে পুলিশের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।
উদ্ধারকৃত শ্রমিকরা হলেন— মো. ইসমাইল, মো. আরাফাত, মো. শফিক, মো. নুরুল আফসার, মো. কলিমুল্লা ও মো. রমিত। উদ্ধার শেষে প্রাথমিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
সেনাবাহিনীর এই অভিযানে এলাকায় স্বস্তি ফিরে এসেছে। স্থানীয়দের মতে, দ্রুত পদক্ষেপ ও টানা অভিযানের কারণে অপহরণকারীরা পিছু হটতে বাধ্য হয়েছে, যা আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বাহিনীর কার্যকর ভূমিকার প্রমাণ।

জনপ্রিয়

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে বান্দরবান জেলা কাঠ ব্যবসায়ী সমিতি, ৩০০ জনকে ২ লাখ টাকা আর্থিক সহায়তা

error: Content is protected !!

রাতভর সেনা অভিযানে টংকাবতীতে অপহৃত ৬ শ্রমিক উদ্ধার

প্রকাশের সময় : ০৪:০৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬

বান্দরবান প্রতিনিধি:

বান্দরবান সদর উপজেলার টংকাবতী ইউনিয়নে অপহৃত ৬ রাবার শ্রমিককে জীবিত ও অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।

আজ বৃহস্পতিবার (২৪ এপ্রিল) ভোরে পরিচালিত অভিযানে তাদের উদ্ধার করা হয়।
জানা যায়, গত ২২ এপ্রিল রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে টংকাবতী ইউনিয়নের ইসমাইলের রাবার বাগান এলাকা থেকে অজ্ঞাত সশস্ত্র একটি গ্রুপ শ্রমিকদের অপহরণ করে। পরদিন অপহরণকারীরা একটি অজ্ঞাত নম্বর থেকে বাগান মালিক মো. ইসমাইলের কাছে ফোন করে ২০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে এবং অর্থ না দিলে অপহৃতদের প্রাণনাশের হুমকি দেয়।
ঘটনার পরপরই বান্দরবান সেনা জোন (২৮ ই বেঙ্গল) বিপুল সংখ্যক সেনাসদস্য নিয়ে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। ২৩ এপ্রিল থেকে ২৪ এপ্রিল ভোর পর্যন্ত দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে দিন-রাত চিরুনি অভিযান চালানো হয়।
সেনাবাহিনী সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার ভোরে একটি পাহাড়ি এলাকায় অভিযান চালানো হলে সেনাবাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে অপহরণকারীরা অপহৃত শ্রমিকদের ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। পরে সেনাসদস্যরা তাদের নিরাপদে উদ্ধার করে।
অভিযান চলাকালে ম্যাংতাং ম্রো (৩০) নামে এক সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। তাকে পুলিশের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।
উদ্ধারকৃত শ্রমিকরা হলেন— মো. ইসমাইল, মো. আরাফাত, মো. শফিক, মো. নুরুল আফসার, মো. কলিমুল্লা ও মো. রমিত। উদ্ধার শেষে প্রাথমিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
সেনাবাহিনীর এই অভিযানে এলাকায় স্বস্তি ফিরে এসেছে। স্থানীয়দের মতে, দ্রুত পদক্ষেপ ও টানা অভিযানের কারণে অপহরণকারীরা পিছু হটতে বাধ্য হয়েছে, যা আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বাহিনীর কার্যকর ভূমিকার প্রমাণ।