, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
নববর্ষকে স্বাগত জানিয়ে বান্দরবানে বর্ণাঢ্য বৈশাখী শোভাযাত্রা বান্দরবানে মারমার সম্প্রদায়ের সাংগ্রাই উৎসবে মুখর বান্দরবানে প্রবাসীর স্ত্রীর বাড়িতে হামলার অভিযোগ: আমগাছ কাটা, ভাঙচুর ও প্রাণনাশের হুমকি বান্দরবানে ফুল বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর অন্যতম প্রধান উৎসব বৈসাবি নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে বিজিবির সাঁড়াশি অভিযান পাচারের আগেই বিপুল অকটেন-সার জব্দ প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় বান্দরবানে ঝাড়ু হাতে এমপি, পরিচ্ছন্নতা অভিযানে জনস্রোত মহা সাংগ্রাই পোয়ে:  উপলক্ষে ঐতিহ্যবাহী মারমা সম্প্রদায়ের খেলাধুলা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত বান্দরবানে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিসংখ্যানবিদ অপহরণ, পুলিশের অভিযানে উদ্ধার বান্দরবানে বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন বৃত্তি ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত পাহাড়ে তীব্র পানি সংকট, ভরসা ঝিরির কুয়া

বান্দরবান নাফাখুমে নিখোঁজ হওয়ার তরুণ পর্যটকের লা-শ ৪৮ ঘণ্টা পর উদ্ধার।

  • প্রকাশের সময় : ১০:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ নভেম্বর ২০২৫
  • ১১৩ পড়া হয়েছে

Oplus_131072

মঈন উদ্দীন,স্টাফ রিপোর্টার।

বান্দরবানের থানচি উপজেলা নাফাখুম জল প্রপাতের গোসলের নেমে নিখোঁজ পর্যটক মো. ইকবাল হোসেনের (২৪) মরদেহ ৪৮ ঘণ্টা পর উদ্ধার করতে সক্ষম হলেন ডুবুরিরা।

গত শুক্রবার ১৪ নভেম্বর সন্ধ্যা ৪টায় গোসলে নেমে পর্যটক মো. ইকবাল হোসেন নাফাখুম’র গভীর গুহায় কুরুমের ভিতরে আটকে গিয়ে নিখোঁজ হন।

আজ রবিবার (১৬ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৪টা ফায়ার ডিফেন্স চট্টগ্রাম আগ্রাবাদের স্টেশন অফিসার ডুবুরি দলের প্রধান রহিদুল ইসলাম জলপ্রপাতের পানির নিচে গভীর গুহার ভিতরে কুরুমের আটকানো মৃত দেহ উদ্ধার করতে স্বক্ষম হন।

পুলিশ, ফায়ার ডিফেন্স, বিজিবি সদস্যরা স্থানীয় পর্যটক পথ প্রদর্শক ও বোট মাঝিদের সহযোগীতায় শনিবার সকাল থেকে রবিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত দির্ঘ ৪৮ ঘণ্টা উদ্ধার অভিযানের মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধার অভিযানের অংশ নিয়ে অভিজ্ঞতার কথা থানচি ফায়ার ডিফেন্সের স্টেশন কর্মকর্তা তরুন বড়ুয়া বলেন, নাফাখুম জল প্রপাতের পাথুরে ও তীব্র স্রোতপূর্ণ অভিজ্ঞ পথ প্রদর্শক ছাড়া ভ্রমনের ছবি তোলা, ভিডিও করা, গোসল করা ঝুঁকি পুর্ণ। সেখানে কোনো প্রকার গাইড ছাড়া না যাওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।

ফায়ার সার্বিস এন্ড সিভিল ডিফেন্স চট্টগ্রাম আগ্রাবাদের স্টেশন অফিসার ডুবুরি দলের প্রধান রহিদুল ইসলাম বলেন, নাফাখুম জল প্রপাতে গভীর গুহায় কুরুম রয়েছে। কুরুমের ভিতরে পর্যটকের মৃত দেহ পড়ে ছিল। আমরা তিন জনের একে একে অক্সিজেন লাগিয়ে ইকবাল হোসেনের মৃত দেহ উদ্ধার করেছি।

থানচি থানার ওসি নাছির উদ্দিন মজুমদার বলেন, অত্র উপপরিদর্শক মো. রিয়াজুলসহ ৬ জনের পুলিশের দল মো. ইকবাল হোসেনের মৃত দেহ নিয়ে আসছেন অত্র থানচি থানা পৌছতে রাত হতে পারে। থানচি হতে নাফাখুম যাতায়াতে পায়ে ট্রেকিং করে ১০ ঘণ্টা সময় প্রয়োজন হয়। আগামীকাল সকালের মৃতদেহটি স্বজনদের হাতে হস্তান্তর করা হবে।

জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ আবদুল্লাহ-আল-ফয়সাল বলেন, ‘পর্যটকেরা প্রশাসনকে অবহিত করেন নি। প্রশাসনের অনুমোদিত পগাইডও নিয়ে যাননি। প্রশাসনিকভাবের কেবল তিন্দুতে বংড/রাজা পাথর পর্যন্ত পর্যটকদের ভ্রমণের জন্য উন্মুক্ত করছে। রেমাক্রিখুম, নাফাখুমে ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্তেও নাফাখুম’র কীভাবে গেলেন তা তদন্ত করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য ২০২২ সালের ৯ অক্টোবর থেকে কেএনএফ ও শারক্বীয়ার জঙ্গিদের দমনে যৌথ বাহিনী অভিযান শুরু করলে নিরাপত্তার কারণে ২০ অক্টোবর থেকে পর্যটক ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা জারি হয়।

জনপ্রিয়

নববর্ষকে স্বাগত জানিয়ে বান্দরবানে বর্ণাঢ্য বৈশাখী শোভাযাত্রা

error: Content is protected !!

বান্দরবান নাফাখুমে নিখোঁজ হওয়ার তরুণ পর্যটকের লা-শ ৪৮ ঘণ্টা পর উদ্ধার।

প্রকাশের সময় : ১০:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ নভেম্বর ২০২৫

মঈন উদ্দীন,স্টাফ রিপোর্টার।

বান্দরবানের থানচি উপজেলা নাফাখুম জল প্রপাতের গোসলের নেমে নিখোঁজ পর্যটক মো. ইকবাল হোসেনের (২৪) মরদেহ ৪৮ ঘণ্টা পর উদ্ধার করতে সক্ষম হলেন ডুবুরিরা।

গত শুক্রবার ১৪ নভেম্বর সন্ধ্যা ৪টায় গোসলে নেমে পর্যটক মো. ইকবাল হোসেন নাফাখুম’র গভীর গুহায় কুরুমের ভিতরে আটকে গিয়ে নিখোঁজ হন।

আজ রবিবার (১৬ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৪টা ফায়ার ডিফেন্স চট্টগ্রাম আগ্রাবাদের স্টেশন অফিসার ডুবুরি দলের প্রধান রহিদুল ইসলাম জলপ্রপাতের পানির নিচে গভীর গুহার ভিতরে কুরুমের আটকানো মৃত দেহ উদ্ধার করতে স্বক্ষম হন।

পুলিশ, ফায়ার ডিফেন্স, বিজিবি সদস্যরা স্থানীয় পর্যটক পথ প্রদর্শক ও বোট মাঝিদের সহযোগীতায় শনিবার সকাল থেকে রবিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত দির্ঘ ৪৮ ঘণ্টা উদ্ধার অভিযানের মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধার অভিযানের অংশ নিয়ে অভিজ্ঞতার কথা থানচি ফায়ার ডিফেন্সের স্টেশন কর্মকর্তা তরুন বড়ুয়া বলেন, নাফাখুম জল প্রপাতের পাথুরে ও তীব্র স্রোতপূর্ণ অভিজ্ঞ পথ প্রদর্শক ছাড়া ভ্রমনের ছবি তোলা, ভিডিও করা, গোসল করা ঝুঁকি পুর্ণ। সেখানে কোনো প্রকার গাইড ছাড়া না যাওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।

ফায়ার সার্বিস এন্ড সিভিল ডিফেন্স চট্টগ্রাম আগ্রাবাদের স্টেশন অফিসার ডুবুরি দলের প্রধান রহিদুল ইসলাম বলেন, নাফাখুম জল প্রপাতে গভীর গুহায় কুরুম রয়েছে। কুরুমের ভিতরে পর্যটকের মৃত দেহ পড়ে ছিল। আমরা তিন জনের একে একে অক্সিজেন লাগিয়ে ইকবাল হোসেনের মৃত দেহ উদ্ধার করেছি।

থানচি থানার ওসি নাছির উদ্দিন মজুমদার বলেন, অত্র উপপরিদর্শক মো. রিয়াজুলসহ ৬ জনের পুলিশের দল মো. ইকবাল হোসেনের মৃত দেহ নিয়ে আসছেন অত্র থানচি থানা পৌছতে রাত হতে পারে। থানচি হতে নাফাখুম যাতায়াতে পায়ে ট্রেকিং করে ১০ ঘণ্টা সময় প্রয়োজন হয়। আগামীকাল সকালের মৃতদেহটি স্বজনদের হাতে হস্তান্তর করা হবে।

জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ আবদুল্লাহ-আল-ফয়সাল বলেন, ‘পর্যটকেরা প্রশাসনকে অবহিত করেন নি। প্রশাসনের অনুমোদিত পগাইডও নিয়ে যাননি। প্রশাসনিকভাবের কেবল তিন্দুতে বংড/রাজা পাথর পর্যন্ত পর্যটকদের ভ্রমণের জন্য উন্মুক্ত করছে। রেমাক্রিখুম, নাফাখুমে ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্তেও নাফাখুম’র কীভাবে গেলেন তা তদন্ত করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য ২০২২ সালের ৯ অক্টোবর থেকে কেএনএফ ও শারক্বীয়ার জঙ্গিদের দমনে যৌথ বাহিনী অভিযান শুরু করলে নিরাপত্তার কারণে ২০ অক্টোবর থেকে পর্যটক ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা জারি হয়।