, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে বান্দরবান জেলা কাঠ ব্যবসায়ী সমিতি, ৩০০ জনকে ২ লাখ টাকা আর্থিক সহায়তা বান্দরবানে গাউছিয়া কমিটির উদ্যোগে বন্যার্ত ৩০০ পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ বান্দরবানে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ২০০ পরিবারের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ বিশেষ অভিযানে উদ্ধার ১০ হারানো মোবাইল, প্রকৃত মালিকদের হাতে ফিরিয়ে দিল বান্দরবান সদর থানা বান্দরবানে বন্যাদুর্গত ৭৫ পরিবারের মাঝে বিজিবির ত্রাণ বিতরণ বন্যাদুর্গতদের পাশে বান্দরবান বিজিবি, ১০০ পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ বান্দরবানে সেনাবাহিনীর অভিযানে প্রায় ১৫ লাখ টাকার অবৈধ কাঠ জব্দ তিন পার্বত্য জেলায় ৫৪ শতাংশ বাঙালির আয়কর মওকুফ ও বাজারফান্ড এলাকায় ব্যাংক ঋণ পুনরায় চালুর দাবি বান্দরবানে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিলের ঈদ উপহার বিতরণ সংরক্ষিত মহিলা আসনের এমপি এডভোকেট মাধবী মার্মা বান্দরবানের দুর্গম পাহাড়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে সেনাবাহিনীর শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ

বান্দরবান নাফাখুমে নিখোঁজ হওয়ার তরুণ পর্যটকের লা-শ ৪৮ ঘণ্টা পর উদ্ধার।

  • প্রকাশের সময় : ১০:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ নভেম্বর ২০২৫
  • ১৪৯ পড়া হয়েছে

Oplus_131072

মঈন উদ্দীন,স্টাফ রিপোর্টার।

বান্দরবানের থানচি উপজেলা নাফাখুম জল প্রপাতের গোসলের নেমে নিখোঁজ পর্যটক মো. ইকবাল হোসেনের (২৪) মরদেহ ৪৮ ঘণ্টা পর উদ্ধার করতে সক্ষম হলেন ডুবুরিরা।

গত শুক্রবার ১৪ নভেম্বর সন্ধ্যা ৪টায় গোসলে নেমে পর্যটক মো. ইকবাল হোসেন নাফাখুম’র গভীর গুহায় কুরুমের ভিতরে আটকে গিয়ে নিখোঁজ হন।

আজ রবিবার (১৬ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৪টা ফায়ার ডিফেন্স চট্টগ্রাম আগ্রাবাদের স্টেশন অফিসার ডুবুরি দলের প্রধান রহিদুল ইসলাম জলপ্রপাতের পানির নিচে গভীর গুহার ভিতরে কুরুমের আটকানো মৃত দেহ উদ্ধার করতে স্বক্ষম হন।

পুলিশ, ফায়ার ডিফেন্স, বিজিবি সদস্যরা স্থানীয় পর্যটক পথ প্রদর্শক ও বোট মাঝিদের সহযোগীতায় শনিবার সকাল থেকে রবিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত দির্ঘ ৪৮ ঘণ্টা উদ্ধার অভিযানের মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধার অভিযানের অংশ নিয়ে অভিজ্ঞতার কথা থানচি ফায়ার ডিফেন্সের স্টেশন কর্মকর্তা তরুন বড়ুয়া বলেন, নাফাখুম জল প্রপাতের পাথুরে ও তীব্র স্রোতপূর্ণ অভিজ্ঞ পথ প্রদর্শক ছাড়া ভ্রমনের ছবি তোলা, ভিডিও করা, গোসল করা ঝুঁকি পুর্ণ। সেখানে কোনো প্রকার গাইড ছাড়া না যাওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।

ফায়ার সার্বিস এন্ড সিভিল ডিফেন্স চট্টগ্রাম আগ্রাবাদের স্টেশন অফিসার ডুবুরি দলের প্রধান রহিদুল ইসলাম বলেন, নাফাখুম জল প্রপাতে গভীর গুহায় কুরুম রয়েছে। কুরুমের ভিতরে পর্যটকের মৃত দেহ পড়ে ছিল। আমরা তিন জনের একে একে অক্সিজেন লাগিয়ে ইকবাল হোসেনের মৃত দেহ উদ্ধার করেছি।

থানচি থানার ওসি নাছির উদ্দিন মজুমদার বলেন, অত্র উপপরিদর্শক মো. রিয়াজুলসহ ৬ জনের পুলিশের দল মো. ইকবাল হোসেনের মৃত দেহ নিয়ে আসছেন অত্র থানচি থানা পৌছতে রাত হতে পারে। থানচি হতে নাফাখুম যাতায়াতে পায়ে ট্রেকিং করে ১০ ঘণ্টা সময় প্রয়োজন হয়। আগামীকাল সকালের মৃতদেহটি স্বজনদের হাতে হস্তান্তর করা হবে।

জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ আবদুল্লাহ-আল-ফয়সাল বলেন, ‘পর্যটকেরা প্রশাসনকে অবহিত করেন নি। প্রশাসনের অনুমোদিত পগাইডও নিয়ে যাননি। প্রশাসনিকভাবের কেবল তিন্দুতে বংড/রাজা পাথর পর্যন্ত পর্যটকদের ভ্রমণের জন্য উন্মুক্ত করছে। রেমাক্রিখুম, নাফাখুমে ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্তেও নাফাখুম’র কীভাবে গেলেন তা তদন্ত করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য ২০২২ সালের ৯ অক্টোবর থেকে কেএনএফ ও শারক্বীয়ার জঙ্গিদের দমনে যৌথ বাহিনী অভিযান শুরু করলে নিরাপত্তার কারণে ২০ অক্টোবর থেকে পর্যটক ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা জারি হয়।

জনপ্রিয়

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে বান্দরবান জেলা কাঠ ব্যবসায়ী সমিতি, ৩০০ জনকে ২ লাখ টাকা আর্থিক সহায়তা

error: Content is protected !!

বান্দরবান নাফাখুমে নিখোঁজ হওয়ার তরুণ পর্যটকের লা-শ ৪৮ ঘণ্টা পর উদ্ধার।

প্রকাশের সময় : ১০:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ নভেম্বর ২০২৫

মঈন উদ্দীন,স্টাফ রিপোর্টার।

বান্দরবানের থানচি উপজেলা নাফাখুম জল প্রপাতের গোসলের নেমে নিখোঁজ পর্যটক মো. ইকবাল হোসেনের (২৪) মরদেহ ৪৮ ঘণ্টা পর উদ্ধার করতে সক্ষম হলেন ডুবুরিরা।

গত শুক্রবার ১৪ নভেম্বর সন্ধ্যা ৪টায় গোসলে নেমে পর্যটক মো. ইকবাল হোসেন নাফাখুম’র গভীর গুহায় কুরুমের ভিতরে আটকে গিয়ে নিখোঁজ হন।

আজ রবিবার (১৬ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৪টা ফায়ার ডিফেন্স চট্টগ্রাম আগ্রাবাদের স্টেশন অফিসার ডুবুরি দলের প্রধান রহিদুল ইসলাম জলপ্রপাতের পানির নিচে গভীর গুহার ভিতরে কুরুমের আটকানো মৃত দেহ উদ্ধার করতে স্বক্ষম হন।

পুলিশ, ফায়ার ডিফেন্স, বিজিবি সদস্যরা স্থানীয় পর্যটক পথ প্রদর্শক ও বোট মাঝিদের সহযোগীতায় শনিবার সকাল থেকে রবিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত দির্ঘ ৪৮ ঘণ্টা উদ্ধার অভিযানের মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধার অভিযানের অংশ নিয়ে অভিজ্ঞতার কথা থানচি ফায়ার ডিফেন্সের স্টেশন কর্মকর্তা তরুন বড়ুয়া বলেন, নাফাখুম জল প্রপাতের পাথুরে ও তীব্র স্রোতপূর্ণ অভিজ্ঞ পথ প্রদর্শক ছাড়া ভ্রমনের ছবি তোলা, ভিডিও করা, গোসল করা ঝুঁকি পুর্ণ। সেখানে কোনো প্রকার গাইড ছাড়া না যাওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।

ফায়ার সার্বিস এন্ড সিভিল ডিফেন্স চট্টগ্রাম আগ্রাবাদের স্টেশন অফিসার ডুবুরি দলের প্রধান রহিদুল ইসলাম বলেন, নাফাখুম জল প্রপাতে গভীর গুহায় কুরুম রয়েছে। কুরুমের ভিতরে পর্যটকের মৃত দেহ পড়ে ছিল। আমরা তিন জনের একে একে অক্সিজেন লাগিয়ে ইকবাল হোসেনের মৃত দেহ উদ্ধার করেছি।

থানচি থানার ওসি নাছির উদ্দিন মজুমদার বলেন, অত্র উপপরিদর্শক মো. রিয়াজুলসহ ৬ জনের পুলিশের দল মো. ইকবাল হোসেনের মৃত দেহ নিয়ে আসছেন অত্র থানচি থানা পৌছতে রাত হতে পারে। থানচি হতে নাফাখুম যাতায়াতে পায়ে ট্রেকিং করে ১০ ঘণ্টা সময় প্রয়োজন হয়। আগামীকাল সকালের মৃতদেহটি স্বজনদের হাতে হস্তান্তর করা হবে।

জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ আবদুল্লাহ-আল-ফয়সাল বলেন, ‘পর্যটকেরা প্রশাসনকে অবহিত করেন নি। প্রশাসনের অনুমোদিত পগাইডও নিয়ে যাননি। প্রশাসনিকভাবের কেবল তিন্দুতে বংড/রাজা পাথর পর্যন্ত পর্যটকদের ভ্রমণের জন্য উন্মুক্ত করছে। রেমাক্রিখুম, নাফাখুমে ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্তেও নাফাখুম’র কীভাবে গেলেন তা তদন্ত করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য ২০২২ সালের ৯ অক্টোবর থেকে কেএনএফ ও শারক্বীয়ার জঙ্গিদের দমনে যৌথ বাহিনী অভিযান শুরু করলে নিরাপত্তার কারণে ২০ অক্টোবর থেকে পর্যটক ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা জারি হয়।