, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
পার্বত্য চট্টগ্রামে পরিষদ নির্বাচন ও সেনাক্যাম্প পুনঃস্থাপনের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন বান্দরবান সেনা জোনের উদ্যোগে ৫০০ পরিবার ও এতিমখানায় সেহরি-ইফতার সামগ্রী বিতরণ রাতের আঁধারে কাঠ পাচারকালে টংকাবতী রেঞ্জে ট্রাক আটক, জব্দ ৫৫০ ঘনফুট জ্বালানি কাঠ বান্দরবানে সেনাবাহিনীর সঙ্গে গোলাগুলি, জেএসএস সদস্য নিহত বান্দরবান-৩০০ আসনের ধানের শীষ প্রার্থী সাচিং প্রু জেরীর গণসংবর্ধনা বান্দরবানে জিয়া মঞ্চের যুগ্ন আহবায়ক মো. আবু তৈয়ব এর উপর নৃশংস হামলার প্রতিবাদ ও হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধন বান্দরবান ইসলামী শিক্ষা কেন্দ্রের সহকারী পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব নিলেন মাওলানা ফরিদুল আলম বড়বিলে এক হাজার অসহায়-দুস্থ পরিবারের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ, ২৫ এতিমখানায় নগদ সহায়তা আসন্ন নির্বাচন ঘিরে বান্দরবানে সেনা জোনের মতবিনিময় সভা ও যৌথ বাহিনীর মহড়া রোয়াংছড়ি তারাছা ইউনিয়নের ভোটারদের সঙ্গে মতবিনিময় করলেন বিএনপি’র প্রার্থী সাচিং প্রু জেরী

সেনাবাহিনীর অভিযানে অবৈধ সেগুন কাঠ জব্দ

  • প্রকাশের সময় : ০৬:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৪৭ পড়া হয়েছে

চৌধুরী মোহাম্মদ সুজন লামা বান্দরবান প্রতিনিধি,

বান্দরবানের লামায় ১০ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে আলীকদম সেনা জোনের একটি দক্ষ, শৃঙ্খলাবদ্ধ ও সমন্বিত বিশেষ টহল দল অবৈধ সেগুন কাঠ পরিবহন ও পাচার প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ অভিযান পরিচালনা করে। জোন অধিনায়কের নির্দেশনা, নির্ভুল গোয়েন্দা তথ্য ও দ্রুত মাঠ পর্যায়ের সমন্বয়ের ফলে দলটি উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অবৈধ সেগুন কাঠ জব্দ করতে সক্ষম হয়। সাম্প্রতিক সময়ে এ ধরনের অভিযানের মধ্যে এটি অন্যতম সফল অভিযান হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
গোপন তথ্যের ভিত্তিতে আলীকদম সেনা জোনের আওতাধীন গজালিয়া আর্মি ক্যাম্পের দায়িত্বপূর্ণ এলাকা লামা উপজেলার গজালিয়া ইউনিয়নের চুচিলা মার্মা পাড়ায় এই বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়। প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় থাকা একটি সুসংগঠিত পাচারকারী চক্র সীমান্তবর্তী এলাকা ব্যবহার করে অবৈধ কাঠ পাচার করে আসছিল। এসব অবৈধ আর্থিক কার্যক্রম থেকে অর্জিত মুনাফা বিভিন্ন অসামাজিক ও অবৈধ গোষ্ঠীর কাছে প্রবাহিত হয়ে থাকে, যা স্থানীয় নিরাপত্তা, পরিবেশ এবং আইন-শৃঙ্খলার জন্য গুরুতর হুমকি সৃষ্টি করে।
অভিযানে প্রায় ২৫০ সিএফটি বিভিন্ন প্রকার সেগুন কাঠ জব্দ করা হয়, যার বাজারমূল্য আনুমানিক ২,৪০,০০০ (দুই লক্ষ চল্লিশ হাজার) টাকা। জব্দকৃত কাঠ যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের নিকট আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয়েছে।
আলীকদম সেনা জোনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, অবৈধ কাঠ পাচার, পরিবেশ ধ্বংস, অর্থনৈতিক অপরাধ ও রাষ্ট্রবিরোধী যে কোনো তৎপরতা দমনে সেনাবাহিনী সবসময় কঠোর অবস্থানে থাকবে। এলাকার শান্তি, স্থিতিশীলতা ও পরিবেশ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলেও নিশ্চিত করা হয়েছে।
সেনাবাহিনী পুনরায় এলাকাবাসীর সহযোগিতা কামনা করেছে এবং পরিবেশ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় যৌথভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছে।

জনপ্রিয়

পার্বত্য চট্টগ্রামে পরিষদ নির্বাচন ও সেনাক্যাম্প পুনঃস্থাপনের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

error: Content is protected !!

সেনাবাহিনীর অভিযানে অবৈধ সেগুন কাঠ জব্দ

প্রকাশের সময় : ০৬:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫

চৌধুরী মোহাম্মদ সুজন লামা বান্দরবান প্রতিনিধি,

বান্দরবানের লামায় ১০ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে আলীকদম সেনা জোনের একটি দক্ষ, শৃঙ্খলাবদ্ধ ও সমন্বিত বিশেষ টহল দল অবৈধ সেগুন কাঠ পরিবহন ও পাচার প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ অভিযান পরিচালনা করে। জোন অধিনায়কের নির্দেশনা, নির্ভুল গোয়েন্দা তথ্য ও দ্রুত মাঠ পর্যায়ের সমন্বয়ের ফলে দলটি উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অবৈধ সেগুন কাঠ জব্দ করতে সক্ষম হয়। সাম্প্রতিক সময়ে এ ধরনের অভিযানের মধ্যে এটি অন্যতম সফল অভিযান হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
গোপন তথ্যের ভিত্তিতে আলীকদম সেনা জোনের আওতাধীন গজালিয়া আর্মি ক্যাম্পের দায়িত্বপূর্ণ এলাকা লামা উপজেলার গজালিয়া ইউনিয়নের চুচিলা মার্মা পাড়ায় এই বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়। প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় থাকা একটি সুসংগঠিত পাচারকারী চক্র সীমান্তবর্তী এলাকা ব্যবহার করে অবৈধ কাঠ পাচার করে আসছিল। এসব অবৈধ আর্থিক কার্যক্রম থেকে অর্জিত মুনাফা বিভিন্ন অসামাজিক ও অবৈধ গোষ্ঠীর কাছে প্রবাহিত হয়ে থাকে, যা স্থানীয় নিরাপত্তা, পরিবেশ এবং আইন-শৃঙ্খলার জন্য গুরুতর হুমকি সৃষ্টি করে।
অভিযানে প্রায় ২৫০ সিএফটি বিভিন্ন প্রকার সেগুন কাঠ জব্দ করা হয়, যার বাজারমূল্য আনুমানিক ২,৪০,০০০ (দুই লক্ষ চল্লিশ হাজার) টাকা। জব্দকৃত কাঠ যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের নিকট আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয়েছে।
আলীকদম সেনা জোনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, অবৈধ কাঠ পাচার, পরিবেশ ধ্বংস, অর্থনৈতিক অপরাধ ও রাষ্ট্রবিরোধী যে কোনো তৎপরতা দমনে সেনাবাহিনী সবসময় কঠোর অবস্থানে থাকবে। এলাকার শান্তি, স্থিতিশীলতা ও পরিবেশ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলেও নিশ্চিত করা হয়েছে।
সেনাবাহিনী পুনরায় এলাকাবাসীর সহযোগিতা কামনা করেছে এবং পরিবেশ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় যৌথভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছে।