, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ২৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
আলীকদম সেনা জোনের সফল অভিযানে মালিকবিহীন বিপুল পরিমাণ সেগুন কাঠ উদ্ধার রামুতে সেনা পুলিশের যৌথ অভিযানে বিপুল পরিমান অস্ত্র ও গূলিসহ এক নারী আটক নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে বিজিবির অভিযানে মিয়ানমারের নাগরিক আটক বান্দরবানে রান্নার গ্যাসের সংকট: অতিরিক্ত দামে বিক্রির অভিযোগে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান বান্দরবান চিম্বুক রেঞ্জ, গরীব অসহায় শীতার্থ ম্রো জনগোষ্ঠীর মাঝে শীতবস্ত্র কম্বল বিতরণ বাইশারীতে সিএইচটি সম্প্রীতি জোটের উদ্যোগে বই, শিক্ষা সামগ্রী ও শীতবস্ত্র বিতরণ বান্দরবানে রান্নার গ্যাস সিলিন্ডারের তীব্র সংকট, বাড়তি দামে বিক্রির অভিযোগ বান্দরবান সংসদীয় ৩০০নং আসনে ৫ প্রার্থীর মনোনয়ন দাখিল লামায় অবৈধ যানবাহনের বিরুদ্ধে ট্রাফিক পুলিশের অভিযান বান্দরবানে ১১ লাখ টাকার জাল নোটসহ ৩ জন গ্রেফতার, একজন পলাতক

সেনাবাহিনীর অভিযানে অবৈধ সেগুন কাঠ জব্দ

  • প্রকাশের সময় : ০৬:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৩০ পড়া হয়েছে

চৌধুরী মোহাম্মদ সুজন লামা বান্দরবান প্রতিনিধি,

বান্দরবানের লামায় ১০ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে আলীকদম সেনা জোনের একটি দক্ষ, শৃঙ্খলাবদ্ধ ও সমন্বিত বিশেষ টহল দল অবৈধ সেগুন কাঠ পরিবহন ও পাচার প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ অভিযান পরিচালনা করে। জোন অধিনায়কের নির্দেশনা, নির্ভুল গোয়েন্দা তথ্য ও দ্রুত মাঠ পর্যায়ের সমন্বয়ের ফলে দলটি উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অবৈধ সেগুন কাঠ জব্দ করতে সক্ষম হয়। সাম্প্রতিক সময়ে এ ধরনের অভিযানের মধ্যে এটি অন্যতম সফল অভিযান হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
গোপন তথ্যের ভিত্তিতে আলীকদম সেনা জোনের আওতাধীন গজালিয়া আর্মি ক্যাম্পের দায়িত্বপূর্ণ এলাকা লামা উপজেলার গজালিয়া ইউনিয়নের চুচিলা মার্মা পাড়ায় এই বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়। প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় থাকা একটি সুসংগঠিত পাচারকারী চক্র সীমান্তবর্তী এলাকা ব্যবহার করে অবৈধ কাঠ পাচার করে আসছিল। এসব অবৈধ আর্থিক কার্যক্রম থেকে অর্জিত মুনাফা বিভিন্ন অসামাজিক ও অবৈধ গোষ্ঠীর কাছে প্রবাহিত হয়ে থাকে, যা স্থানীয় নিরাপত্তা, পরিবেশ এবং আইন-শৃঙ্খলার জন্য গুরুতর হুমকি সৃষ্টি করে।
অভিযানে প্রায় ২৫০ সিএফটি বিভিন্ন প্রকার সেগুন কাঠ জব্দ করা হয়, যার বাজারমূল্য আনুমানিক ২,৪০,০০০ (দুই লক্ষ চল্লিশ হাজার) টাকা। জব্দকৃত কাঠ যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের নিকট আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয়েছে।
আলীকদম সেনা জোনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, অবৈধ কাঠ পাচার, পরিবেশ ধ্বংস, অর্থনৈতিক অপরাধ ও রাষ্ট্রবিরোধী যে কোনো তৎপরতা দমনে সেনাবাহিনী সবসময় কঠোর অবস্থানে থাকবে। এলাকার শান্তি, স্থিতিশীলতা ও পরিবেশ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলেও নিশ্চিত করা হয়েছে।
সেনাবাহিনী পুনরায় এলাকাবাসীর সহযোগিতা কামনা করেছে এবং পরিবেশ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় যৌথভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছে।

আলীকদম সেনা জোনের সফল অভিযানে মালিকবিহীন বিপুল পরিমাণ সেগুন কাঠ উদ্ধার

error: Content is protected !!

সেনাবাহিনীর অভিযানে অবৈধ সেগুন কাঠ জব্দ

প্রকাশের সময় : ০৬:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫

চৌধুরী মোহাম্মদ সুজন লামা বান্দরবান প্রতিনিধি,

বান্দরবানের লামায় ১০ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে আলীকদম সেনা জোনের একটি দক্ষ, শৃঙ্খলাবদ্ধ ও সমন্বিত বিশেষ টহল দল অবৈধ সেগুন কাঠ পরিবহন ও পাচার প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ অভিযান পরিচালনা করে। জোন অধিনায়কের নির্দেশনা, নির্ভুল গোয়েন্দা তথ্য ও দ্রুত মাঠ পর্যায়ের সমন্বয়ের ফলে দলটি উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অবৈধ সেগুন কাঠ জব্দ করতে সক্ষম হয়। সাম্প্রতিক সময়ে এ ধরনের অভিযানের মধ্যে এটি অন্যতম সফল অভিযান হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
গোপন তথ্যের ভিত্তিতে আলীকদম সেনা জোনের আওতাধীন গজালিয়া আর্মি ক্যাম্পের দায়িত্বপূর্ণ এলাকা লামা উপজেলার গজালিয়া ইউনিয়নের চুচিলা মার্মা পাড়ায় এই বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়। প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় থাকা একটি সুসংগঠিত পাচারকারী চক্র সীমান্তবর্তী এলাকা ব্যবহার করে অবৈধ কাঠ পাচার করে আসছিল। এসব অবৈধ আর্থিক কার্যক্রম থেকে অর্জিত মুনাফা বিভিন্ন অসামাজিক ও অবৈধ গোষ্ঠীর কাছে প্রবাহিত হয়ে থাকে, যা স্থানীয় নিরাপত্তা, পরিবেশ এবং আইন-শৃঙ্খলার জন্য গুরুতর হুমকি সৃষ্টি করে।
অভিযানে প্রায় ২৫০ সিএফটি বিভিন্ন প্রকার সেগুন কাঠ জব্দ করা হয়, যার বাজারমূল্য আনুমানিক ২,৪০,০০০ (দুই লক্ষ চল্লিশ হাজার) টাকা। জব্দকৃত কাঠ যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের নিকট আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয়েছে।
আলীকদম সেনা জোনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, অবৈধ কাঠ পাচার, পরিবেশ ধ্বংস, অর্থনৈতিক অপরাধ ও রাষ্ট্রবিরোধী যে কোনো তৎপরতা দমনে সেনাবাহিনী সবসময় কঠোর অবস্থানে থাকবে। এলাকার শান্তি, স্থিতিশীলতা ও পরিবেশ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলেও নিশ্চিত করা হয়েছে।
সেনাবাহিনী পুনরায় এলাকাবাসীর সহযোগিতা কামনা করেছে এবং পরিবেশ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় যৌথভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছে।