, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
নববর্ষকে স্বাগত জানিয়ে বান্দরবানে বর্ণাঢ্য বৈশাখী শোভাযাত্রা বান্দরবানে মারমার সম্প্রদায়ের সাংগ্রাই উৎসবে মুখর বান্দরবানে প্রবাসীর স্ত্রীর বাড়িতে হামলার অভিযোগ: আমগাছ কাটা, ভাঙচুর ও প্রাণনাশের হুমকি বান্দরবানে ফুল বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর অন্যতম প্রধান উৎসব বৈসাবি নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে বিজিবির সাঁড়াশি অভিযান পাচারের আগেই বিপুল অকটেন-সার জব্দ প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় বান্দরবানে ঝাড়ু হাতে এমপি, পরিচ্ছন্নতা অভিযানে জনস্রোত মহা সাংগ্রাই পোয়ে:  উপলক্ষে ঐতিহ্যবাহী মারমা সম্প্রদায়ের খেলাধুলা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত বান্দরবানে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিসংখ্যানবিদ অপহরণ, পুলিশের অভিযানে উদ্ধার বান্দরবানে বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন বৃত্তি ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত পাহাড়ে তীব্র পানি সংকট, ভরসা ঝিরির কুয়া

সেনাবাহিনীর অভিযানে অবৈধ সেগুন কাঠ জব্দ

  • প্রকাশের সময় : ০৬:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৭০ পড়া হয়েছে

চৌধুরী মোহাম্মদ সুজন লামা বান্দরবান প্রতিনিধি,

বান্দরবানের লামায় ১০ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে আলীকদম সেনা জোনের একটি দক্ষ, শৃঙ্খলাবদ্ধ ও সমন্বিত বিশেষ টহল দল অবৈধ সেগুন কাঠ পরিবহন ও পাচার প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ অভিযান পরিচালনা করে। জোন অধিনায়কের নির্দেশনা, নির্ভুল গোয়েন্দা তথ্য ও দ্রুত মাঠ পর্যায়ের সমন্বয়ের ফলে দলটি উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অবৈধ সেগুন কাঠ জব্দ করতে সক্ষম হয়। সাম্প্রতিক সময়ে এ ধরনের অভিযানের মধ্যে এটি অন্যতম সফল অভিযান হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
গোপন তথ্যের ভিত্তিতে আলীকদম সেনা জোনের আওতাধীন গজালিয়া আর্মি ক্যাম্পের দায়িত্বপূর্ণ এলাকা লামা উপজেলার গজালিয়া ইউনিয়নের চুচিলা মার্মা পাড়ায় এই বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়। প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় থাকা একটি সুসংগঠিত পাচারকারী চক্র সীমান্তবর্তী এলাকা ব্যবহার করে অবৈধ কাঠ পাচার করে আসছিল। এসব অবৈধ আর্থিক কার্যক্রম থেকে অর্জিত মুনাফা বিভিন্ন অসামাজিক ও অবৈধ গোষ্ঠীর কাছে প্রবাহিত হয়ে থাকে, যা স্থানীয় নিরাপত্তা, পরিবেশ এবং আইন-শৃঙ্খলার জন্য গুরুতর হুমকি সৃষ্টি করে।
অভিযানে প্রায় ২৫০ সিএফটি বিভিন্ন প্রকার সেগুন কাঠ জব্দ করা হয়, যার বাজারমূল্য আনুমানিক ২,৪০,০০০ (দুই লক্ষ চল্লিশ হাজার) টাকা। জব্দকৃত কাঠ যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের নিকট আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয়েছে।
আলীকদম সেনা জোনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, অবৈধ কাঠ পাচার, পরিবেশ ধ্বংস, অর্থনৈতিক অপরাধ ও রাষ্ট্রবিরোধী যে কোনো তৎপরতা দমনে সেনাবাহিনী সবসময় কঠোর অবস্থানে থাকবে। এলাকার শান্তি, স্থিতিশীলতা ও পরিবেশ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলেও নিশ্চিত করা হয়েছে।
সেনাবাহিনী পুনরায় এলাকাবাসীর সহযোগিতা কামনা করেছে এবং পরিবেশ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় যৌথভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছে।

জনপ্রিয়

নববর্ষকে স্বাগত জানিয়ে বান্দরবানে বর্ণাঢ্য বৈশাখী শোভাযাত্রা

error: Content is protected !!

সেনাবাহিনীর অভিযানে অবৈধ সেগুন কাঠ জব্দ

প্রকাশের সময় : ০৬:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫

চৌধুরী মোহাম্মদ সুজন লামা বান্দরবান প্রতিনিধি,

বান্দরবানের লামায় ১০ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে আলীকদম সেনা জোনের একটি দক্ষ, শৃঙ্খলাবদ্ধ ও সমন্বিত বিশেষ টহল দল অবৈধ সেগুন কাঠ পরিবহন ও পাচার প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ অভিযান পরিচালনা করে। জোন অধিনায়কের নির্দেশনা, নির্ভুল গোয়েন্দা তথ্য ও দ্রুত মাঠ পর্যায়ের সমন্বয়ের ফলে দলটি উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অবৈধ সেগুন কাঠ জব্দ করতে সক্ষম হয়। সাম্প্রতিক সময়ে এ ধরনের অভিযানের মধ্যে এটি অন্যতম সফল অভিযান হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
গোপন তথ্যের ভিত্তিতে আলীকদম সেনা জোনের আওতাধীন গজালিয়া আর্মি ক্যাম্পের দায়িত্বপূর্ণ এলাকা লামা উপজেলার গজালিয়া ইউনিয়নের চুচিলা মার্মা পাড়ায় এই বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়। প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় থাকা একটি সুসংগঠিত পাচারকারী চক্র সীমান্তবর্তী এলাকা ব্যবহার করে অবৈধ কাঠ পাচার করে আসছিল। এসব অবৈধ আর্থিক কার্যক্রম থেকে অর্জিত মুনাফা বিভিন্ন অসামাজিক ও অবৈধ গোষ্ঠীর কাছে প্রবাহিত হয়ে থাকে, যা স্থানীয় নিরাপত্তা, পরিবেশ এবং আইন-শৃঙ্খলার জন্য গুরুতর হুমকি সৃষ্টি করে।
অভিযানে প্রায় ২৫০ সিএফটি বিভিন্ন প্রকার সেগুন কাঠ জব্দ করা হয়, যার বাজারমূল্য আনুমানিক ২,৪০,০০০ (দুই লক্ষ চল্লিশ হাজার) টাকা। জব্দকৃত কাঠ যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের নিকট আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয়েছে।
আলীকদম সেনা জোনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, অবৈধ কাঠ পাচার, পরিবেশ ধ্বংস, অর্থনৈতিক অপরাধ ও রাষ্ট্রবিরোধী যে কোনো তৎপরতা দমনে সেনাবাহিনী সবসময় কঠোর অবস্থানে থাকবে। এলাকার শান্তি, স্থিতিশীলতা ও পরিবেশ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলেও নিশ্চিত করা হয়েছে।
সেনাবাহিনী পুনরায় এলাকাবাসীর সহযোগিতা কামনা করেছে এবং পরিবেশ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় যৌথভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছে।