, মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬, ১৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ঈদুল আযহা উপলক্ষে বান্দরবানে এনসিপির ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত বান্দরবান পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডে প্রশাসনের নাকের ডগায় চুরি, মাদক ও কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য, আতঙ্কে এলাকাবাসী বান্দরবানে চাঁদাবাজি ও হুমকির অভিযোগে ছাত্রলীগ নেতা হাসান গণপিটুনির পর পুলিশে সোপর্দ নারী ও শিশু উন্নয়নে কাজের অঙ্গীকার সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি মাধবী মার্মার বান্দরবান সার্বজনীন কেন্দ্রীয় বৌদ্ধ বিহারের দ্বিবার্ষিকী নবগঠিত কমিটি গঠন ওয়ালটন ফ্রিজ কিনে ১০ লাখ টাকা পেলেন বান্দরবানের সুপ্রকাশ চাকমা বান্দরবানের দুর্গম পাহাড়ে সকল অসহায় পরিবারের ভাগ্য বদলাতে কাজ করবেন এমপি সাচিং প্রু জেরী। বান্দরবানে চেকপোস্টে ২১ রোহিঙ্গা আটক কাজুবাদাম ও কফি চাষে আধুনিক প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে রোয়াংছড়িতে প্রশিক্ষণ ও মাঠ দিবস আয়োজন বান্দরবানে মহান আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

সেনাবাহিনীর অভিযানে অবৈধ সেগুন কাঠ জব্দ

  • প্রকাশের সময় : ০৬:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৮৩ পড়া হয়েছে

চৌধুরী মোহাম্মদ সুজন লামা বান্দরবান প্রতিনিধি,

বান্দরবানের লামায় ১০ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে আলীকদম সেনা জোনের একটি দক্ষ, শৃঙ্খলাবদ্ধ ও সমন্বিত বিশেষ টহল দল অবৈধ সেগুন কাঠ পরিবহন ও পাচার প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ অভিযান পরিচালনা করে। জোন অধিনায়কের নির্দেশনা, নির্ভুল গোয়েন্দা তথ্য ও দ্রুত মাঠ পর্যায়ের সমন্বয়ের ফলে দলটি উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অবৈধ সেগুন কাঠ জব্দ করতে সক্ষম হয়। সাম্প্রতিক সময়ে এ ধরনের অভিযানের মধ্যে এটি অন্যতম সফল অভিযান হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
গোপন তথ্যের ভিত্তিতে আলীকদম সেনা জোনের আওতাধীন গজালিয়া আর্মি ক্যাম্পের দায়িত্বপূর্ণ এলাকা লামা উপজেলার গজালিয়া ইউনিয়নের চুচিলা মার্মা পাড়ায় এই বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়। প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় থাকা একটি সুসংগঠিত পাচারকারী চক্র সীমান্তবর্তী এলাকা ব্যবহার করে অবৈধ কাঠ পাচার করে আসছিল। এসব অবৈধ আর্থিক কার্যক্রম থেকে অর্জিত মুনাফা বিভিন্ন অসামাজিক ও অবৈধ গোষ্ঠীর কাছে প্রবাহিত হয়ে থাকে, যা স্থানীয় নিরাপত্তা, পরিবেশ এবং আইন-শৃঙ্খলার জন্য গুরুতর হুমকি সৃষ্টি করে।
অভিযানে প্রায় ২৫০ সিএফটি বিভিন্ন প্রকার সেগুন কাঠ জব্দ করা হয়, যার বাজারমূল্য আনুমানিক ২,৪০,০০০ (দুই লক্ষ চল্লিশ হাজার) টাকা। জব্দকৃত কাঠ যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের নিকট আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয়েছে।
আলীকদম সেনা জোনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, অবৈধ কাঠ পাচার, পরিবেশ ধ্বংস, অর্থনৈতিক অপরাধ ও রাষ্ট্রবিরোধী যে কোনো তৎপরতা দমনে সেনাবাহিনী সবসময় কঠোর অবস্থানে থাকবে। এলাকার শান্তি, স্থিতিশীলতা ও পরিবেশ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলেও নিশ্চিত করা হয়েছে।
সেনাবাহিনী পুনরায় এলাকাবাসীর সহযোগিতা কামনা করেছে এবং পরিবেশ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় যৌথভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছে।

ঈদুল আযহা উপলক্ষে বান্দরবানে এনসিপির ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত

error: Content is protected !!

সেনাবাহিনীর অভিযানে অবৈধ সেগুন কাঠ জব্দ

প্রকাশের সময় : ০৬:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫

চৌধুরী মোহাম্মদ সুজন লামা বান্দরবান প্রতিনিধি,

বান্দরবানের লামায় ১০ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে আলীকদম সেনা জোনের একটি দক্ষ, শৃঙ্খলাবদ্ধ ও সমন্বিত বিশেষ টহল দল অবৈধ সেগুন কাঠ পরিবহন ও পাচার প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ অভিযান পরিচালনা করে। জোন অধিনায়কের নির্দেশনা, নির্ভুল গোয়েন্দা তথ্য ও দ্রুত মাঠ পর্যায়ের সমন্বয়ের ফলে দলটি উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অবৈধ সেগুন কাঠ জব্দ করতে সক্ষম হয়। সাম্প্রতিক সময়ে এ ধরনের অভিযানের মধ্যে এটি অন্যতম সফল অভিযান হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
গোপন তথ্যের ভিত্তিতে আলীকদম সেনা জোনের আওতাধীন গজালিয়া আর্মি ক্যাম্পের দায়িত্বপূর্ণ এলাকা লামা উপজেলার গজালিয়া ইউনিয়নের চুচিলা মার্মা পাড়ায় এই বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়। প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় থাকা একটি সুসংগঠিত পাচারকারী চক্র সীমান্তবর্তী এলাকা ব্যবহার করে অবৈধ কাঠ পাচার করে আসছিল। এসব অবৈধ আর্থিক কার্যক্রম থেকে অর্জিত মুনাফা বিভিন্ন অসামাজিক ও অবৈধ গোষ্ঠীর কাছে প্রবাহিত হয়ে থাকে, যা স্থানীয় নিরাপত্তা, পরিবেশ এবং আইন-শৃঙ্খলার জন্য গুরুতর হুমকি সৃষ্টি করে।
অভিযানে প্রায় ২৫০ সিএফটি বিভিন্ন প্রকার সেগুন কাঠ জব্দ করা হয়, যার বাজারমূল্য আনুমানিক ২,৪০,০০০ (দুই লক্ষ চল্লিশ হাজার) টাকা। জব্দকৃত কাঠ যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের নিকট আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয়েছে।
আলীকদম সেনা জোনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, অবৈধ কাঠ পাচার, পরিবেশ ধ্বংস, অর্থনৈতিক অপরাধ ও রাষ্ট্রবিরোধী যে কোনো তৎপরতা দমনে সেনাবাহিনী সবসময় কঠোর অবস্থানে থাকবে। এলাকার শান্তি, স্থিতিশীলতা ও পরিবেশ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলেও নিশ্চিত করা হয়েছে।
সেনাবাহিনী পুনরায় এলাকাবাসীর সহযোগিতা কামনা করেছে এবং পরিবেশ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় যৌথভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছে।