, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে বান্দরবান জেলা কাঠ ব্যবসায়ী সমিতি, ৩০০ জনকে ২ লাখ টাকা আর্থিক সহায়তা বান্দরবানে গাউছিয়া কমিটির উদ্যোগে বন্যার্ত ৩০০ পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ বান্দরবানে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ২০০ পরিবারের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ বিশেষ অভিযানে উদ্ধার ১০ হারানো মোবাইল, প্রকৃত মালিকদের হাতে ফিরিয়ে দিল বান্দরবান সদর থানা বান্দরবানে বন্যাদুর্গত ৭৫ পরিবারের মাঝে বিজিবির ত্রাণ বিতরণ বন্যাদুর্গতদের পাশে বান্দরবান বিজিবি, ১০০ পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ বান্দরবানে সেনাবাহিনীর অভিযানে প্রায় ১৫ লাখ টাকার অবৈধ কাঠ জব্দ তিন পার্বত্য জেলায় ৫৪ শতাংশ বাঙালির আয়কর মওকুফ ও বাজারফান্ড এলাকায় ব্যাংক ঋণ পুনরায় চালুর দাবি বান্দরবানে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিলের ঈদ উপহার বিতরণ সংরক্ষিত মহিলা আসনের এমপি এডভোকেট মাধবী মার্মা বান্দরবানের দুর্গম পাহাড়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে সেনাবাহিনীর শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ

লামায় ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের নামে পাহাড় দখলের অভিযোগ, ম্রো জনগোষ্ঠীর মানববন্ধন

  • প্রকাশের সময় : ০৪:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৫
  • ১২৩ পড়া হয়েছে

চৌধুরী মোহাম্মদ সুজন, লামা প্রতিনিধি।

বান্দরবানের লামায় ধর্মকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে সরকারি খাস জমি ও জুমভূমি দখলের প্রতিবাদে সাঙ্গু মৌজার ম্রো জনগোষ্ঠীর বিক্ষোভ ও স্মারকলিপি প্রদান।

আজ বুধবার (২৯ অক্টোবর) সকালে ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের সাঙ্গু মৌজায় শতাধিক ম্রো নারী পুরুষের অংশগ্রহণে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। পরে তারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি জমা দেন।
স্মারকলিপিতে অভিযোগ করা হয়, ১৯৯২ সালে আলীকদম ভরিরমুখ বিহারের অধ্যক্ষ উঃ উইচারা ভান্তে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান নির্মাণের জন্য সাঙ্গু মৌজা থেকে পাঁচ একর জমি পান। কিন্তু সম্প্রতি তিনি তৈন মৌজার হেডম্যান মংক্যনু মার্মার সহযোগিতায় সেই সীমানা অতিক্রম করে সরকারি খাস জমি দখল করে রিসোর্ট ও পর্যটনকেন্দ্র গড়ে তোলার পাঁয়তারা করছেন।
অভিযোগে আরও বলা হয়, দখলচেষ্টায় বাধা দিলে স্থানীয় ম্রোদের ভয়ভীতি, হামলা ও মিথ্যা মামলার মাধ্যমে হয়রানি করা হচ্ছে।
এর আগে লামা ও আলীকদম উপজেলা প্রশাসন যৌথ তদন্তে দখল ও ভাঙচুরের ঘটনার সত্যতা পায়। আদালতও বিরোধপূর্ণ জায়গায় নতুন কোনো স্থাপনা নির্মাণে নিষেধাজ্ঞা জারি করেন। তবে প্রশাসনের নির্দেশ অমান্য করে এখনো সেখানে পর্যটন কটেজ ও তাবু বসিয়ে বাণিজ্যিক কার্যক্রম চালানো হচ্ছে বলে দাবি স্থানীয়দের।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, প্রশাসনের অংশ হয়েও তৈন মৌজার হেডম্যান মংক্যনুর প্রশাসনবিরোধী অবস্থান নেওয়া দুঃখজনক। দ্রুত সময়ে দুই মৌজার সীমানা নির্ধারণ করে দখলবিরোধী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তারা।
বক্তব্য রাখেন সাঙ্গু মৌজার হেডম্যান চংপাত ম্রো, বাংলাদেশ ম্রো ছাত্র সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি তনয়া ম্রোসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

জনপ্রিয়

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে বান্দরবান জেলা কাঠ ব্যবসায়ী সমিতি, ৩০০ জনকে ২ লাখ টাকা আর্থিক সহায়তা

error: Content is protected !!

লামায় ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের নামে পাহাড় দখলের অভিযোগ, ম্রো জনগোষ্ঠীর মানববন্ধন

প্রকাশের সময় : ০৪:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৫

চৌধুরী মোহাম্মদ সুজন, লামা প্রতিনিধি।

বান্দরবানের লামায় ধর্মকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে সরকারি খাস জমি ও জুমভূমি দখলের প্রতিবাদে সাঙ্গু মৌজার ম্রো জনগোষ্ঠীর বিক্ষোভ ও স্মারকলিপি প্রদান।

আজ বুধবার (২৯ অক্টোবর) সকালে ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের সাঙ্গু মৌজায় শতাধিক ম্রো নারী পুরুষের অংশগ্রহণে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। পরে তারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি জমা দেন।
স্মারকলিপিতে অভিযোগ করা হয়, ১৯৯২ সালে আলীকদম ভরিরমুখ বিহারের অধ্যক্ষ উঃ উইচারা ভান্তে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান নির্মাণের জন্য সাঙ্গু মৌজা থেকে পাঁচ একর জমি পান। কিন্তু সম্প্রতি তিনি তৈন মৌজার হেডম্যান মংক্যনু মার্মার সহযোগিতায় সেই সীমানা অতিক্রম করে সরকারি খাস জমি দখল করে রিসোর্ট ও পর্যটনকেন্দ্র গড়ে তোলার পাঁয়তারা করছেন।
অভিযোগে আরও বলা হয়, দখলচেষ্টায় বাধা দিলে স্থানীয় ম্রোদের ভয়ভীতি, হামলা ও মিথ্যা মামলার মাধ্যমে হয়রানি করা হচ্ছে।
এর আগে লামা ও আলীকদম উপজেলা প্রশাসন যৌথ তদন্তে দখল ও ভাঙচুরের ঘটনার সত্যতা পায়। আদালতও বিরোধপূর্ণ জায়গায় নতুন কোনো স্থাপনা নির্মাণে নিষেধাজ্ঞা জারি করেন। তবে প্রশাসনের নির্দেশ অমান্য করে এখনো সেখানে পর্যটন কটেজ ও তাবু বসিয়ে বাণিজ্যিক কার্যক্রম চালানো হচ্ছে বলে দাবি স্থানীয়দের।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, প্রশাসনের অংশ হয়েও তৈন মৌজার হেডম্যান মংক্যনুর প্রশাসনবিরোধী অবস্থান নেওয়া দুঃখজনক। দ্রুত সময়ে দুই মৌজার সীমানা নির্ধারণ করে দখলবিরোধী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তারা।
বক্তব্য রাখেন সাঙ্গু মৌজার হেডম্যান চংপাত ম্রো, বাংলাদেশ ম্রো ছাত্র সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি তনয়া ম্রোসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।