, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে মাটির নিচে লুকানো ১ লাখ ইয়াবা উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১ বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের নতুন অন্তর্বর্তীকালীন পরিষদের দায়িত্ব গ্রহণ মাম্যাচিংকে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান করায় উচ্ছ্বসিত বিএনপি, বান্দরবানে আনন্দ মিছিল অতি শীঘ্রই উপজেলা-পৌরসভা-ইউনিয়ন পর্যায়ে প্রার্থী ঘোষণা করবে এনসিপি: সারজিস আলম বান্দরবান নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার সীমান্তে ৪৯ হাজার ৯৮২ পিস ইয়াবা উদ্ধার বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ পুনর্গঠন, চেয়ারম্যান মাম্যাচিং বান্দরবানে ১ সেপ্টেম্বর যাত্রা শুরু করছে ‘সাথী’ পার্সেল ডেলিভারি থেকে বাজার-ওষুধ পৌঁছে দেওয়া—এক প্ল্যাটফর্মেই মিলবে নানা অন-ডিমান্ড সেবা ‘৬ রবিউল আউয়াল সকল ঈদের সেরা ঈদ’—বটতলীতে ঈদে মিলাদুন্নবী উদযাপন পার্বত্য চট্টগ্রামে সশস্ত্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর বেপরোয়া চাঁদাবাজি বন্ধের দাবিতে বান্দরবানে মানববন্ধন মোল্লার বাজারে জুয়া ও মাদকের ভয়াল বিস্তার, আতঙ্কে এলাকাবাসী

লামায় ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের নামে পাহাড় দখলের অভিযোগ, ম্রো জনগোষ্ঠীর মানববন্ধন

  • প্রকাশের সময় : ০৪:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৫
  • ১৩২ পড়া হয়েছে

চৌধুরী মোহাম্মদ সুজন, লামা প্রতিনিধি।

বান্দরবানের লামায় ধর্মকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে সরকারি খাস জমি ও জুমভূমি দখলের প্রতিবাদে সাঙ্গু মৌজার ম্রো জনগোষ্ঠীর বিক্ষোভ ও স্মারকলিপি প্রদান।

আজ বুধবার (২৯ অক্টোবর) সকালে ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের সাঙ্গু মৌজায় শতাধিক ম্রো নারী পুরুষের অংশগ্রহণে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। পরে তারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি জমা দেন।
স্মারকলিপিতে অভিযোগ করা হয়, ১৯৯২ সালে আলীকদম ভরিরমুখ বিহারের অধ্যক্ষ উঃ উইচারা ভান্তে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান নির্মাণের জন্য সাঙ্গু মৌজা থেকে পাঁচ একর জমি পান। কিন্তু সম্প্রতি তিনি তৈন মৌজার হেডম্যান মংক্যনু মার্মার সহযোগিতায় সেই সীমানা অতিক্রম করে সরকারি খাস জমি দখল করে রিসোর্ট ও পর্যটনকেন্দ্র গড়ে তোলার পাঁয়তারা করছেন।
অভিযোগে আরও বলা হয়, দখলচেষ্টায় বাধা দিলে স্থানীয় ম্রোদের ভয়ভীতি, হামলা ও মিথ্যা মামলার মাধ্যমে হয়রানি করা হচ্ছে।
এর আগে লামা ও আলীকদম উপজেলা প্রশাসন যৌথ তদন্তে দখল ও ভাঙচুরের ঘটনার সত্যতা পায়। আদালতও বিরোধপূর্ণ জায়গায় নতুন কোনো স্থাপনা নির্মাণে নিষেধাজ্ঞা জারি করেন। তবে প্রশাসনের নির্দেশ অমান্য করে এখনো সেখানে পর্যটন কটেজ ও তাবু বসিয়ে বাণিজ্যিক কার্যক্রম চালানো হচ্ছে বলে দাবি স্থানীয়দের।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, প্রশাসনের অংশ হয়েও তৈন মৌজার হেডম্যান মংক্যনুর প্রশাসনবিরোধী অবস্থান নেওয়া দুঃখজনক। দ্রুত সময়ে দুই মৌজার সীমানা নির্ধারণ করে দখলবিরোধী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তারা।
বক্তব্য রাখেন সাঙ্গু মৌজার হেডম্যান চংপাত ম্রো, বাংলাদেশ ম্রো ছাত্র সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি তনয়া ম্রোসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

জনপ্রিয়

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে মাটির নিচে লুকানো ১ লাখ ইয়াবা উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১

error: Content is protected !!

লামায় ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের নামে পাহাড় দখলের অভিযোগ, ম্রো জনগোষ্ঠীর মানববন্ধন

প্রকাশের সময় : ০৪:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৫

চৌধুরী মোহাম্মদ সুজন, লামা প্রতিনিধি।

বান্দরবানের লামায় ধর্মকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে সরকারি খাস জমি ও জুমভূমি দখলের প্রতিবাদে সাঙ্গু মৌজার ম্রো জনগোষ্ঠীর বিক্ষোভ ও স্মারকলিপি প্রদান।

আজ বুধবার (২৯ অক্টোবর) সকালে ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের সাঙ্গু মৌজায় শতাধিক ম্রো নারী পুরুষের অংশগ্রহণে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। পরে তারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি জমা দেন।
স্মারকলিপিতে অভিযোগ করা হয়, ১৯৯২ সালে আলীকদম ভরিরমুখ বিহারের অধ্যক্ষ উঃ উইচারা ভান্তে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান নির্মাণের জন্য সাঙ্গু মৌজা থেকে পাঁচ একর জমি পান। কিন্তু সম্প্রতি তিনি তৈন মৌজার হেডম্যান মংক্যনু মার্মার সহযোগিতায় সেই সীমানা অতিক্রম করে সরকারি খাস জমি দখল করে রিসোর্ট ও পর্যটনকেন্দ্র গড়ে তোলার পাঁয়তারা করছেন।
অভিযোগে আরও বলা হয়, দখলচেষ্টায় বাধা দিলে স্থানীয় ম্রোদের ভয়ভীতি, হামলা ও মিথ্যা মামলার মাধ্যমে হয়রানি করা হচ্ছে।
এর আগে লামা ও আলীকদম উপজেলা প্রশাসন যৌথ তদন্তে দখল ও ভাঙচুরের ঘটনার সত্যতা পায়। আদালতও বিরোধপূর্ণ জায়গায় নতুন কোনো স্থাপনা নির্মাণে নিষেধাজ্ঞা জারি করেন। তবে প্রশাসনের নির্দেশ অমান্য করে এখনো সেখানে পর্যটন কটেজ ও তাবু বসিয়ে বাণিজ্যিক কার্যক্রম চালানো হচ্ছে বলে দাবি স্থানীয়দের।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, প্রশাসনের অংশ হয়েও তৈন মৌজার হেডম্যান মংক্যনুর প্রশাসনবিরোধী অবস্থান নেওয়া দুঃখজনক। দ্রুত সময়ে দুই মৌজার সীমানা নির্ধারণ করে দখলবিরোধী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তারা।
বক্তব্য রাখেন সাঙ্গু মৌজার হেডম্যান চংপাত ম্রো, বাংলাদেশ ম্রো ছাত্র সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি তনয়া ম্রোসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।