, মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬, ১৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ঈদুল আযহা উপলক্ষে বান্দরবানে এনসিপির ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত বান্দরবান পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডে প্রশাসনের নাকের ডগায় চুরি, মাদক ও কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য, আতঙ্কে এলাকাবাসী বান্দরবানে চাঁদাবাজি ও হুমকির অভিযোগে ছাত্রলীগ নেতা হাসান গণপিটুনির পর পুলিশে সোপর্দ নারী ও শিশু উন্নয়নে কাজের অঙ্গীকার সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি মাধবী মার্মার বান্দরবান সার্বজনীন কেন্দ্রীয় বৌদ্ধ বিহারের দ্বিবার্ষিকী নবগঠিত কমিটি গঠন ওয়ালটন ফ্রিজ কিনে ১০ লাখ টাকা পেলেন বান্দরবানের সুপ্রকাশ চাকমা বান্দরবানের দুর্গম পাহাড়ে সকল অসহায় পরিবারের ভাগ্য বদলাতে কাজ করবেন এমপি সাচিং প্রু জেরী। বান্দরবানে চেকপোস্টে ২১ রোহিঙ্গা আটক কাজুবাদাম ও কফি চাষে আধুনিক প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে রোয়াংছড়িতে প্রশিক্ষণ ও মাঠ দিবস আয়োজন বান্দরবানে মহান আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

লামায় ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের নামে পাহাড় দখলের অভিযোগ, ম্রো জনগোষ্ঠীর মানববন্ধন

  • প্রকাশের সময় : ০৪:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৫
  • ১০৭ পড়া হয়েছে

চৌধুরী মোহাম্মদ সুজন, লামা প্রতিনিধি।

বান্দরবানের লামায় ধর্মকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে সরকারি খাস জমি ও জুমভূমি দখলের প্রতিবাদে সাঙ্গু মৌজার ম্রো জনগোষ্ঠীর বিক্ষোভ ও স্মারকলিপি প্রদান।

আজ বুধবার (২৯ অক্টোবর) সকালে ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের সাঙ্গু মৌজায় শতাধিক ম্রো নারী পুরুষের অংশগ্রহণে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। পরে তারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি জমা দেন।
স্মারকলিপিতে অভিযোগ করা হয়, ১৯৯২ সালে আলীকদম ভরিরমুখ বিহারের অধ্যক্ষ উঃ উইচারা ভান্তে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান নির্মাণের জন্য সাঙ্গু মৌজা থেকে পাঁচ একর জমি পান। কিন্তু সম্প্রতি তিনি তৈন মৌজার হেডম্যান মংক্যনু মার্মার সহযোগিতায় সেই সীমানা অতিক্রম করে সরকারি খাস জমি দখল করে রিসোর্ট ও পর্যটনকেন্দ্র গড়ে তোলার পাঁয়তারা করছেন।
অভিযোগে আরও বলা হয়, দখলচেষ্টায় বাধা দিলে স্থানীয় ম্রোদের ভয়ভীতি, হামলা ও মিথ্যা মামলার মাধ্যমে হয়রানি করা হচ্ছে।
এর আগে লামা ও আলীকদম উপজেলা প্রশাসন যৌথ তদন্তে দখল ও ভাঙচুরের ঘটনার সত্যতা পায়। আদালতও বিরোধপূর্ণ জায়গায় নতুন কোনো স্থাপনা নির্মাণে নিষেধাজ্ঞা জারি করেন। তবে প্রশাসনের নির্দেশ অমান্য করে এখনো সেখানে পর্যটন কটেজ ও তাবু বসিয়ে বাণিজ্যিক কার্যক্রম চালানো হচ্ছে বলে দাবি স্থানীয়দের।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, প্রশাসনের অংশ হয়েও তৈন মৌজার হেডম্যান মংক্যনুর প্রশাসনবিরোধী অবস্থান নেওয়া দুঃখজনক। দ্রুত সময়ে দুই মৌজার সীমানা নির্ধারণ করে দখলবিরোধী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তারা।
বক্তব্য রাখেন সাঙ্গু মৌজার হেডম্যান চংপাত ম্রো, বাংলাদেশ ম্রো ছাত্র সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি তনয়া ম্রোসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

ঈদুল আযহা উপলক্ষে বান্দরবানে এনসিপির ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত

error: Content is protected !!

লামায় ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের নামে পাহাড় দখলের অভিযোগ, ম্রো জনগোষ্ঠীর মানববন্ধন

প্রকাশের সময় : ০৪:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৫

চৌধুরী মোহাম্মদ সুজন, লামা প্রতিনিধি।

বান্দরবানের লামায় ধর্মকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে সরকারি খাস জমি ও জুমভূমি দখলের প্রতিবাদে সাঙ্গু মৌজার ম্রো জনগোষ্ঠীর বিক্ষোভ ও স্মারকলিপি প্রদান।

আজ বুধবার (২৯ অক্টোবর) সকালে ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের সাঙ্গু মৌজায় শতাধিক ম্রো নারী পুরুষের অংশগ্রহণে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। পরে তারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি জমা দেন।
স্মারকলিপিতে অভিযোগ করা হয়, ১৯৯২ সালে আলীকদম ভরিরমুখ বিহারের অধ্যক্ষ উঃ উইচারা ভান্তে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান নির্মাণের জন্য সাঙ্গু মৌজা থেকে পাঁচ একর জমি পান। কিন্তু সম্প্রতি তিনি তৈন মৌজার হেডম্যান মংক্যনু মার্মার সহযোগিতায় সেই সীমানা অতিক্রম করে সরকারি খাস জমি দখল করে রিসোর্ট ও পর্যটনকেন্দ্র গড়ে তোলার পাঁয়তারা করছেন।
অভিযোগে আরও বলা হয়, দখলচেষ্টায় বাধা দিলে স্থানীয় ম্রোদের ভয়ভীতি, হামলা ও মিথ্যা মামলার মাধ্যমে হয়রানি করা হচ্ছে।
এর আগে লামা ও আলীকদম উপজেলা প্রশাসন যৌথ তদন্তে দখল ও ভাঙচুরের ঘটনার সত্যতা পায়। আদালতও বিরোধপূর্ণ জায়গায় নতুন কোনো স্থাপনা নির্মাণে নিষেধাজ্ঞা জারি করেন। তবে প্রশাসনের নির্দেশ অমান্য করে এখনো সেখানে পর্যটন কটেজ ও তাবু বসিয়ে বাণিজ্যিক কার্যক্রম চালানো হচ্ছে বলে দাবি স্থানীয়দের।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, প্রশাসনের অংশ হয়েও তৈন মৌজার হেডম্যান মংক্যনুর প্রশাসনবিরোধী অবস্থান নেওয়া দুঃখজনক। দ্রুত সময়ে দুই মৌজার সীমানা নির্ধারণ করে দখলবিরোধী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তারা।
বক্তব্য রাখেন সাঙ্গু মৌজার হেডম্যান চংপাত ম্রো, বাংলাদেশ ম্রো ছাত্র সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি তনয়া ম্রোসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।