, রবিবার, ০১ মার্চ ২০২৬, ১৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
পার্বত্য চট্টগ্রামে পরিষদ নির্বাচন ও সেনাক্যাম্প পুনঃস্থাপনের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন বান্দরবান সেনা জোনের উদ্যোগে ৫০০ পরিবার ও এতিমখানায় সেহরি-ইফতার সামগ্রী বিতরণ রাতের আঁধারে কাঠ পাচারকালে টংকাবতী রেঞ্জে ট্রাক আটক, জব্দ ৫৫০ ঘনফুট জ্বালানি কাঠ বান্দরবানে সেনাবাহিনীর সঙ্গে গোলাগুলি, জেএসএস সদস্য নিহত বান্দরবান-৩০০ আসনের ধানের শীষ প্রার্থী সাচিং প্রু জেরীর গণসংবর্ধনা বান্দরবানে জিয়া মঞ্চের যুগ্ন আহবায়ক মো. আবু তৈয়ব এর উপর নৃশংস হামলার প্রতিবাদ ও হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধন বান্দরবান ইসলামী শিক্ষা কেন্দ্রের সহকারী পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব নিলেন মাওলানা ফরিদুল আলম বড়বিলে এক হাজার অসহায়-দুস্থ পরিবারের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ, ২৫ এতিমখানায় নগদ সহায়তা আসন্ন নির্বাচন ঘিরে বান্দরবানে সেনা জোনের মতবিনিময় সভা ও যৌথ বাহিনীর মহড়া রোয়াংছড়ি তারাছা ইউনিয়নের ভোটারদের সঙ্গে মতবিনিময় করলেন বিএনপি’র প্রার্থী সাচিং প্রু জেরী

লামায় ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের নামে পাহাড় দখলের অভিযোগ, ম্রো জনগোষ্ঠীর মানববন্ধন

  • প্রকাশের সময় : ০৪:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৫
  • ৭৫ পড়া হয়েছে

চৌধুরী মোহাম্মদ সুজন, লামা প্রতিনিধি।

বান্দরবানের লামায় ধর্মকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে সরকারি খাস জমি ও জুমভূমি দখলের প্রতিবাদে সাঙ্গু মৌজার ম্রো জনগোষ্ঠীর বিক্ষোভ ও স্মারকলিপি প্রদান।

আজ বুধবার (২৯ অক্টোবর) সকালে ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের সাঙ্গু মৌজায় শতাধিক ম্রো নারী পুরুষের অংশগ্রহণে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। পরে তারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি জমা দেন।
স্মারকলিপিতে অভিযোগ করা হয়, ১৯৯২ সালে আলীকদম ভরিরমুখ বিহারের অধ্যক্ষ উঃ উইচারা ভান্তে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান নির্মাণের জন্য সাঙ্গু মৌজা থেকে পাঁচ একর জমি পান। কিন্তু সম্প্রতি তিনি তৈন মৌজার হেডম্যান মংক্যনু মার্মার সহযোগিতায় সেই সীমানা অতিক্রম করে সরকারি খাস জমি দখল করে রিসোর্ট ও পর্যটনকেন্দ্র গড়ে তোলার পাঁয়তারা করছেন।
অভিযোগে আরও বলা হয়, দখলচেষ্টায় বাধা দিলে স্থানীয় ম্রোদের ভয়ভীতি, হামলা ও মিথ্যা মামলার মাধ্যমে হয়রানি করা হচ্ছে।
এর আগে লামা ও আলীকদম উপজেলা প্রশাসন যৌথ তদন্তে দখল ও ভাঙচুরের ঘটনার সত্যতা পায়। আদালতও বিরোধপূর্ণ জায়গায় নতুন কোনো স্থাপনা নির্মাণে নিষেধাজ্ঞা জারি করেন। তবে প্রশাসনের নির্দেশ অমান্য করে এখনো সেখানে পর্যটন কটেজ ও তাবু বসিয়ে বাণিজ্যিক কার্যক্রম চালানো হচ্ছে বলে দাবি স্থানীয়দের।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, প্রশাসনের অংশ হয়েও তৈন মৌজার হেডম্যান মংক্যনুর প্রশাসনবিরোধী অবস্থান নেওয়া দুঃখজনক। দ্রুত সময়ে দুই মৌজার সীমানা নির্ধারণ করে দখলবিরোধী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তারা।
বক্তব্য রাখেন সাঙ্গু মৌজার হেডম্যান চংপাত ম্রো, বাংলাদেশ ম্রো ছাত্র সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি তনয়া ম্রোসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

জনপ্রিয়

পার্বত্য চট্টগ্রামে পরিষদ নির্বাচন ও সেনাক্যাম্প পুনঃস্থাপনের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

error: Content is protected !!

লামায় ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের নামে পাহাড় দখলের অভিযোগ, ম্রো জনগোষ্ঠীর মানববন্ধন

প্রকাশের সময় : ০৪:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৫

চৌধুরী মোহাম্মদ সুজন, লামা প্রতিনিধি।

বান্দরবানের লামায় ধর্মকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে সরকারি খাস জমি ও জুমভূমি দখলের প্রতিবাদে সাঙ্গু মৌজার ম্রো জনগোষ্ঠীর বিক্ষোভ ও স্মারকলিপি প্রদান।

আজ বুধবার (২৯ অক্টোবর) সকালে ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের সাঙ্গু মৌজায় শতাধিক ম্রো নারী পুরুষের অংশগ্রহণে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। পরে তারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি জমা দেন।
স্মারকলিপিতে অভিযোগ করা হয়, ১৯৯২ সালে আলীকদম ভরিরমুখ বিহারের অধ্যক্ষ উঃ উইচারা ভান্তে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান নির্মাণের জন্য সাঙ্গু মৌজা থেকে পাঁচ একর জমি পান। কিন্তু সম্প্রতি তিনি তৈন মৌজার হেডম্যান মংক্যনু মার্মার সহযোগিতায় সেই সীমানা অতিক্রম করে সরকারি খাস জমি দখল করে রিসোর্ট ও পর্যটনকেন্দ্র গড়ে তোলার পাঁয়তারা করছেন।
অভিযোগে আরও বলা হয়, দখলচেষ্টায় বাধা দিলে স্থানীয় ম্রোদের ভয়ভীতি, হামলা ও মিথ্যা মামলার মাধ্যমে হয়রানি করা হচ্ছে।
এর আগে লামা ও আলীকদম উপজেলা প্রশাসন যৌথ তদন্তে দখল ও ভাঙচুরের ঘটনার সত্যতা পায়। আদালতও বিরোধপূর্ণ জায়গায় নতুন কোনো স্থাপনা নির্মাণে নিষেধাজ্ঞা জারি করেন। তবে প্রশাসনের নির্দেশ অমান্য করে এখনো সেখানে পর্যটন কটেজ ও তাবু বসিয়ে বাণিজ্যিক কার্যক্রম চালানো হচ্ছে বলে দাবি স্থানীয়দের।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, প্রশাসনের অংশ হয়েও তৈন মৌজার হেডম্যান মংক্যনুর প্রশাসনবিরোধী অবস্থান নেওয়া দুঃখজনক। দ্রুত সময়ে দুই মৌজার সীমানা নির্ধারণ করে দখলবিরোধী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তারা।
বক্তব্য রাখেন সাঙ্গু মৌজার হেডম্যান চংপাত ম্রো, বাংলাদেশ ম্রো ছাত্র সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি তনয়া ম্রোসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।