, সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
লামায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১, আহত ৪ বান্দরবানে বিএনপির চেয়ারপার্সনের রোগমুক্তি কামনায় হাজারো মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্জ্বলন বান্দরবানে বিএনপির চেয়ারপার্সনের রোগমুক্তি কামনায় কোরআন খতম ও দোয়া মাহফিল বান্দরবানে রাজনৈতিক নির্যাতনের শিকার নেতাকর্মীদের সম্মাননা প্রদান বান্দরবানে বম পরিবারের মাঝে সেনাবাহিনীর মানবিক সহায়তা বান্দরবানে ওএমএস ডিলারের বিরুদ্ধে চাল আত্মসাতের অভিযোগ, তদন্তে নেমেছে প্রশাসন বান্দরবানে বিএনপির ৩১ দফা বাস্তবায়ন ও মনোনীত প্রার্থীর বিজয়ের লক্ষ্যে মতবিনিময় সভা বান্দরবানে তিনদিনব্যাপী ডিজিটাল মিডিয়া প্রশিক্ষণ কর্মশালা শুরু। চুরির অপরাধে জেল হাজতে নুর মোহাম্মদ বান্দরবানে শিশু সুরক্ষা ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত

লামায় ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের নামে পাহাড় দখলের অভিযোগ, ম্রো জনগোষ্ঠীর মানববন্ধন

  • প্রকাশের সময় : ০৪:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৫
  • ৪৫ পড়া হয়েছে

চৌধুরী মোহাম্মদ সুজন, লামা প্রতিনিধি।

বান্দরবানের লামায় ধর্মকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে সরকারি খাস জমি ও জুমভূমি দখলের প্রতিবাদে সাঙ্গু মৌজার ম্রো জনগোষ্ঠীর বিক্ষোভ ও স্মারকলিপি প্রদান।

আজ বুধবার (২৯ অক্টোবর) সকালে ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের সাঙ্গু মৌজায় শতাধিক ম্রো নারী পুরুষের অংশগ্রহণে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। পরে তারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি জমা দেন।
স্মারকলিপিতে অভিযোগ করা হয়, ১৯৯২ সালে আলীকদম ভরিরমুখ বিহারের অধ্যক্ষ উঃ উইচারা ভান্তে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান নির্মাণের জন্য সাঙ্গু মৌজা থেকে পাঁচ একর জমি পান। কিন্তু সম্প্রতি তিনি তৈন মৌজার হেডম্যান মংক্যনু মার্মার সহযোগিতায় সেই সীমানা অতিক্রম করে সরকারি খাস জমি দখল করে রিসোর্ট ও পর্যটনকেন্দ্র গড়ে তোলার পাঁয়তারা করছেন।
অভিযোগে আরও বলা হয়, দখলচেষ্টায় বাধা দিলে স্থানীয় ম্রোদের ভয়ভীতি, হামলা ও মিথ্যা মামলার মাধ্যমে হয়রানি করা হচ্ছে।
এর আগে লামা ও আলীকদম উপজেলা প্রশাসন যৌথ তদন্তে দখল ও ভাঙচুরের ঘটনার সত্যতা পায়। আদালতও বিরোধপূর্ণ জায়গায় নতুন কোনো স্থাপনা নির্মাণে নিষেধাজ্ঞা জারি করেন। তবে প্রশাসনের নির্দেশ অমান্য করে এখনো সেখানে পর্যটন কটেজ ও তাবু বসিয়ে বাণিজ্যিক কার্যক্রম চালানো হচ্ছে বলে দাবি স্থানীয়দের।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, প্রশাসনের অংশ হয়েও তৈন মৌজার হেডম্যান মংক্যনুর প্রশাসনবিরোধী অবস্থান নেওয়া দুঃখজনক। দ্রুত সময়ে দুই মৌজার সীমানা নির্ধারণ করে দখলবিরোধী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তারা।
বক্তব্য রাখেন সাঙ্গু মৌজার হেডম্যান চংপাত ম্রো, বাংলাদেশ ম্রো ছাত্র সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি তনয়া ম্রোসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

জনপ্রিয়

লামায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১, আহত ৪

error: Content is protected !!

লামায় ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের নামে পাহাড় দখলের অভিযোগ, ম্রো জনগোষ্ঠীর মানববন্ধন

প্রকাশের সময় : ০৪:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৫

চৌধুরী মোহাম্মদ সুজন, লামা প্রতিনিধি।

বান্দরবানের লামায় ধর্মকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে সরকারি খাস জমি ও জুমভূমি দখলের প্রতিবাদে সাঙ্গু মৌজার ম্রো জনগোষ্ঠীর বিক্ষোভ ও স্মারকলিপি প্রদান।

আজ বুধবার (২৯ অক্টোবর) সকালে ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের সাঙ্গু মৌজায় শতাধিক ম্রো নারী পুরুষের অংশগ্রহণে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। পরে তারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি জমা দেন।
স্মারকলিপিতে অভিযোগ করা হয়, ১৯৯২ সালে আলীকদম ভরিরমুখ বিহারের অধ্যক্ষ উঃ উইচারা ভান্তে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান নির্মাণের জন্য সাঙ্গু মৌজা থেকে পাঁচ একর জমি পান। কিন্তু সম্প্রতি তিনি তৈন মৌজার হেডম্যান মংক্যনু মার্মার সহযোগিতায় সেই সীমানা অতিক্রম করে সরকারি খাস জমি দখল করে রিসোর্ট ও পর্যটনকেন্দ্র গড়ে তোলার পাঁয়তারা করছেন।
অভিযোগে আরও বলা হয়, দখলচেষ্টায় বাধা দিলে স্থানীয় ম্রোদের ভয়ভীতি, হামলা ও মিথ্যা মামলার মাধ্যমে হয়রানি করা হচ্ছে।
এর আগে লামা ও আলীকদম উপজেলা প্রশাসন যৌথ তদন্তে দখল ও ভাঙচুরের ঘটনার সত্যতা পায়। আদালতও বিরোধপূর্ণ জায়গায় নতুন কোনো স্থাপনা নির্মাণে নিষেধাজ্ঞা জারি করেন। তবে প্রশাসনের নির্দেশ অমান্য করে এখনো সেখানে পর্যটন কটেজ ও তাবু বসিয়ে বাণিজ্যিক কার্যক্রম চালানো হচ্ছে বলে দাবি স্থানীয়দের।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, প্রশাসনের অংশ হয়েও তৈন মৌজার হেডম্যান মংক্যনুর প্রশাসনবিরোধী অবস্থান নেওয়া দুঃখজনক। দ্রুত সময়ে দুই মৌজার সীমানা নির্ধারণ করে দখলবিরোধী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তারা।
বক্তব্য রাখেন সাঙ্গু মৌজার হেডম্যান চংপাত ম্রো, বাংলাদেশ ম্রো ছাত্র সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি তনয়া ম্রোসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।